ভোলায় ৩৮টি মুজিব কিল্লার নির্মাণকাজ চলছে
ভোলায় প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় ৩৮টি মুজিব কিল্লা নির্মাণ করা হচ্ছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রায় শতকোটি টাকা ব্যয়ে ‘মুজিব কিল্লা নির্মাণ সংস্কার ও উন্নয়ন প্রকল্প’-এর মাধ্যমে এসব বাস্তবায়ন হচ্ছে। এরমধ্যে ভোলা সদর উপজেলায় ৬টি, দৌলতখানে ২টি, বোরহানউদ্দিনে ১টি, তজুমদ্দিনে ৯টি, লালমোহনে ৭টি, চরফ্যাশনে ৭টি ও মনপুরায় ৬টি কিল্লা রয়েছে। দুর্যোগকালীন এসব কিল্লায় কয়েক হাজার মানুষ ও গবাদিপশু আশ্রয় নিতে পারবে। ইতোমধ্যে ৬টি কিল্লার নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে বাকিগুলোর কাজ শুরু করা হবে।
মুজিব কিল্লা নির্মাণের দায়িত্বরত কর্মকর্তা উপ-সহকারী প্রকৌশলী আতিকুর রহমান বলেন, মোট কিল্লার মধ্যে ‘এ’ ক্যাটাগরির ১৮টি এবং ‘বি’ টাইপ ২০টি কিল্লা নির্মাণ করা হচ্ছে। এ গ্রেডের কিল্লা ৫০ ফুট বাই ১২০ ফুট, বি গ্রেডে ১৬০ ফুট বাই ১৫০ ফুট জমির ওপর নির্মিত হবে। প্রত্যেকটি কিল্লা জমি থেকে ১২ ফুট উচ্চতায় একতলাবিশিষ্ট নির্মিত হচ্ছে। এছাড়া এ ক্যাটাগরির কিল্লায় গবাদিপশু রাখা যাবে প্রায় সাড়ে ৪০০ এবং ৬২৫ জন মানুষ আশ্রয় নিতে পারবে। বি গ্রেডের কিল্লায় ৪১০ গবাদি পশু এবং সাড়ে ৭০০ মানুষ দুর্যোগকালীন অবস্থান নিতে পারবে।
তিনি আরো বলেন, ইতোমধ্যে ভোলা সদরে ২টি, মনপুরায় ৩টি ও চরফ্যাশনে ১টি মুজিব কিল্লার নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে, যার অর্থ বরাদ্দ ধরা হয়েছে ১১ কোটি টাকা ব্যয়ে। বর্তমানে প্রায় ৫০ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে এবং আগামী বছরের জানুয়ারির মধ্যে এসবের কাজ সম্পন্ন করা হবে। প্রত্যেক কিল্লায় ২৪ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ব্যবস্থা থাকছে। পাশাপাশি পুরুষ ও নারীরদের জন্য আলাদা টয়লেট, সুপেয় পানি, হ্যারিং বনের রাস্তাসহ সব ধরনের আধুনিক সুযোগ-সুবিধা থাকছে এখানে।
জেল ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. মোতাহার হোসেন বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার পর উপকূলীয় এ অঞ্চলে দুর্যোগে প্রাণহানী রক্ষায় প্রথম কিল্লা স্থাপনের উদ্যোগ নেন। তাই এগুলোকে মুজিব কিল্লা বলা হয়। ভোলা জেলায় মোট ২৪টি মাটির কিল্লা রয়েছে। এরমধ্যে সচল রয়েছে ৭টি ও বাকিগুলো জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে। তাই সরকার অত্যাধুনিক মানের কিল্লা স্থাপন করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
তিনি আরো বলেন, জেলার দুর্গম চরাঞ্চল ও নদীতীরবর্তী দুর্যোগপ্রবণ এলাকায় আগ্রাধিকার ভিত্তিতে এসব কিল্লা হচ্ছে। স্থানীয় ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তার কার্যালয় ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার দপ্তর এগুলো তত্ত্বাবধান করছে। এসব কিল্লা বাস্তবায়ন হলে এ অঞ্চলের মানুষের জানমাল রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার সাথে দুর্যোগ মোকাবেলায় মানুষের সক্ষমতা তৈরি হবে বলে মনে করেন তিনি।
এমএসএম / জামান
নজরুল বর্ষ উপলক্ষ্যে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নে ময়মনসিংহে মতবিনিময় সভা
নেত্রকোণার কেন্দুয়া পৌরসভার অনুমোদন ছাড়াই বাসা নির্মাণকাজ--নির্বাহী কর্মকর্তার পরিদর্শনে কাজ বন্ধ
লোকালয় থেকে উদ্ধারকৃত অজগর কাপ্তাই জাতীয় উদ্যানে অবমুক্ত
উত্তরাঞ্চলের শিক্ষা ব্যবস্থায় আরেকটি মাইলফলক
সুবর্ণচরে নারী, শিশু, ব্রাককর্মীসহ ৩ মরদেহ উদ্ধার
ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়া উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শনে ইউএনও শিক্ষার মান উন্নয়ন ও ৪টি ক্লাব গঠনের নির্দেশ
কুড়িগ্রামে জমিজমা নিয়ে সংঘর্ষ, স্বামী-স্ত্রীসহ আহত ৫
হানিট্রাপের অভিযোগ সেনাসদস্যের সম্মানহানি তদন্ত দাবি
চাঁদপুর যাত্রী টার্মিনাল প্রকল্প নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছে মায়ার লিমিটেড ও কবিরস সিন্ডিকেট জেভি
ভূরুঙ্গামারী থানা জেলার শ্রেষ্ঠ, সেরা সার্কেল এএসপি মুনতাসির ও ওসি আজিম
শাহরাস্তিতে সরকারি গাছ কাটার টাকা ফেরত দিলেন বিএনপি নেতা
মেহেরপুরে ৭০ মেধাবী শিক্ষার্থীকে জেলা পরিষদের বৃত্তি প্রদান