ঢাকা বৃহষ্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬

বান্দরবানের লামা উপজেলায় নিরাপত্তা চৌকির জমি দখলের চেষ্টা


ইসমাইল হোসেন, লামা photo ইসমাইল হোসেন, লামা
প্রকাশিত: ১৯-১১-২০২১ দুপুর ৩:৩৩
বান্দরবানের লামা উপলজেলার দুর্গম এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিরাপত্তা চৌকির নির্ধারিত স্থান দখলের চেষ্টা করেছে  দুর্বৃত্তরা। লামার ফাসিয়াখালী ইউনিয়নের দুর্গম গয়ালমারা গ্রামে গত ১২ নভেম্বর এ ঘটনা ঘটে। দখলের সময় নিরাপত্তা বাহিনীর কোনো টিম সেখানে উপস্থিত ছিলো না। ওই সময় স্থানীয়রা বিষয়টি লামার ত্রি-ডেবা বিজিবি ক্যাম্পে অবগত করলে বিজিবি সদস্যরা সেখানে দ্রুত উপস্থিত হলে বহিরাগত সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়।
 
গ্রামবাসী জানায়, লামায় পাহাড়ের গহীনে দুর্গম জনবিচ্ছিন্ন এলাকায় অবস্থিত হওয়ায় গলায়মারা গ্রাম একটা সময় বিভিন্ন সন্ত্রাসীগ্রুপগুলোর আস্তানায় পরিণত হয়েছিলো। কিন্তু সেখানে নিরাপত্তা বাহিনীর নিজস্ব কোন পাহারা চৌকি ছিলনা,ফলে নিরাপত্তা বাহিনী সেখানে বেশি সময় অবস্থান করতে পারত না। পরিস্থিতি বিবেচনায় গ্রামের জননিরাপত্তার স্বার্থে স্থানীয় মুহম্মদীয়া জামিয়া শরীফ মাদ্রাসা তাদের নিজস্ব ক্রয়কৃত জমিতে ২০১৫ সালে একটি ঘর নির্মাণ করে দেয়। ওই ঘরে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা বছরের বিভিন্ন সময় ক্যাম্প স্থাপন করে। বছরে ২-৩ বার ১০-১২ দিন সেখানে অবস্থান করে গ্রামবাসীর নিরাপত্তার বিষয়টি দেখাশোনা করে। নিরাপত্তা বাহিনী নিজ উদ্যোগে ওই বাড়িতে ‘নিরাপত্তা বাহিনীর জন্য নির্ধারিত স্থান’ লিখিত একটি সাইনবোর্ডও লাগায়।
 
এছাড়া এর পাশেই রয়েছে সেনাবাহিনীর তৎকালীন জোন কমান্ডার সাঙ্গু দুর্বার মৈত্রী প্রাথমিক বিদ্যালয় নামক একটি স্কুলপ্রতিষ্ঠা করে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অস্থায়ী ক্যাম্প ও স্কুল স্থাপনের পর ওই এলাকায় সন্ত্রাসীদের দৌরাত্ম্য হ্রাস পায় এবং এলাকায় শান্তিশৃঙ্খলা ফিরে আসে। সেখানে নিরাপত্তা বাহিনীর অস্থায়ী চৌকি ও স্কুল নির্মাণের বিষয়টি স্থানীয় ও বহিরাগত সন্ত্রাসী অপরাধী চক্রগুলো ভালোভাবে মেনে নেয়নি। বহিরাগত দুর্বৃত্তরা বিভিন্ন সময় ওই স্থানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অবস্থান ও আসা-যাওয়াকে বাধাগ্রস্ত করার ষড়যন্ত্রমূলক চেষ্টা করেছে, যার অংশ হিসেবে গত শুক্রবারের ঘটনাটি ঘটে।
 
গয়ালমারা গ্রামে সরেজমিন গিয়ে ঘটনার সত্যতা পান সংবাদকর্মীরা। গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা মুহম্মদ নুরুল আজিম ও মুহম্মদ রিদুওয়ান জানান, গত ১২ নভেম্বর সন্ধা নামার পর বহিরাগত সন্ত্রাসী ও ভূমি দস্যুদের নেতা জিন্নাত আলী কুতুবী ওরফে আলু গোলা ৪০-৫০ জন সশস্ত্র অপরিচিত লোক নিয়ে গ্রামের প্রবেশ করে।সন্ত্রাসীরা নিরাপত্তা বাহিনীর নির্ধারিত চৌকি ওই ঘরটি দখল করে নেয়।
 
দীর্ঘদিন ধরে কুতুবদিয়ার এই সন্ত্রাসী চক্রটি প্রতারক, ভূমিদস্যু, মিথ্যা আইনজীবী, ডাক্তার, রাজনৈতিক নেতা ইত্যাদি পরিচয়দানকারী জিন্নাত আলীর অত্যাচার থেকে রেহাই প্রার্থনা করছেন দুর্গম অঞ্চলের বাসিন্দারা। বিষয়টির প্রতি লামা উপজেলা ও বান্দরবান জেলা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর দেয়া উচিত বলে জানান স্থানীয়রা।

এমএসএম / জামান

নেছারাবাদে একই রাতে তিন পরিবারে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, নগদ অর্থ ও ১১ ভরি স্বর্ণালংকার লুট

ধামরাই রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি আদনান, সাধারণ সম্পাদক আরটিভির পলাশ

হাতিয়ায় জোয়ারের পানি-ভারী বর্ষণে বিপর্যস্ত উপকূল

টঙ্গীতে দুই পক্ষের সংঘর্ষে গ্রিন ইউনিভার্সিটির ছাত্র নিহত: হত্যা মামলার প্রধান আসামিসহ আটক ৬

হাটিকুমরুলে বাস চাপায় অটোরিকশা যাত্রী মা-ছেলে নিহত

মির্জাগঞ্জে গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ, ট্রাইব্যুনালে মামলা

পটিয়ায় বৃষ্টির তাণ্ডব: ধসে গেল মাটির ঘর, প্রাণে রক্ষা পেলেন এক বৃদ্ধা

সুন্দরবনের আলোচিত 'বড় জাহাঙ্গীর বাহিনী'র ৩ বনদস্যু অস্ত্র গুলিসহ আত্মসমর্পণ

কাপ্তাইয়ে পাহাড় ধসে ৪ জন আহত, ঝুঁকিতে শত শত পরিবার

বঙ্গোপসাগরে অবৈধ ট্রলিং বন্ধ ও মৎস্য কর্মকর্তার অপসারণের দাবিতে কলাপাড়ায় জেলেদের বিক্ষোভ

টঙ্গীতে জলবায়ু সচেতনতায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন, পরিবেশ রক্ষায় সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান

হাটিকুমরুলে বাসের ধাক্কায় অটোরিকশার যাত্রী মা-ছেলের মৃত্যু

নেত্রকোণা জেলার সেরা বিদ্যালয়-তবু ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে চলছে পাঠদান