ঢাকা শুক্রবার, ২৭ মার্চ, ২০২৬

কয়রায় ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে চলছে পোস্ট অফিসের কার্যক্রম, নেই সীমানা প্রাচীর


সম্রাট, কয়রা photo সম্রাট, কয়রা
প্রকাশিত: ২১-১১-২০২১ দুপুর ৩:৫৫

বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে খুলনার কয়রা উপজেলার পোস্ট অফিসের সকল কার্যক্রম চলছে বহু বছরের পুরনো জীর্ণশীর্ণ ঝু‍ঁকিপূর্ণ ভবনে। সেবা নিতে আসা মানুষ ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের গায়ে খসে পড়ছে পলেস্তারা। নেই কোনো সীমানা প্রাচীর। একাধিকবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে ভবন মেরামত ও সংস্কারের আবেদন করেও কোনো সাড়া মেলেনি বলে জানিয়েছেন উপজেলা পোস্ট মাস্টার মাহবুবুল আলম। 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কয়রা  উপজেলার পোস্ট অফিসের ভবন ১৯৮৫ সালে নির্মাণ করা হলেও বর্তমানে ভবনটি অনেক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। অতিরিক্ত বৃষ্টি হলে ভবনের ছাদ দিয়ে পানি ঢুকে গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এমনকি ভঙ্গুর আসবাবপত্র এবং আসবাবপত্রের অভাবে কক্ষের ভেতরের অনেক গুরুত্বপূর্ণ নথি সংরক্ষণ কঠিন হয়ে পড়েছে। এসব নথি ইঁদুর ও তেলাপোকায় খাচ্ছে। 

এদিকে বাংলাদেশ ডাক বিভাগের আওতাধীন উপজেলার ইউনিয়ন গ্রামীণ ১৭টি পোস্ট অফিসের দায়িত্বে থাকা ৫৫ জন ব্রাঞ্চ পোস্ট মাস্টার দেখভাল করছেন। ডাক বিভাগের পক্ষ থেকে তাদের সম্মানি ভাতা দেয়া হলেও গ্রামীণ পোস্ট অফিসের পোস্ট মাস্টাদের কার্যক্রম পরিচালনায় এসব অফিসেও আধুনিকতার ছোঁয়া লাগোনি। 

আরিফুজ্জামান নামে এক ব্যক্তি জানান, ঢাকায় একটি চিঠি পাঠাব। তাই উপজেলা পোস্ট অফিসে এসে দেখি ডাক বিভাগের কার্যক্রম অনেক পিছিয়ে রয়েছে। ভবনের অবস্থাও ভঙ্গুর। সনাতন পদ্ধতিতে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সেবা দিচ্ছেন। ডিজিটালের ছোঁয়া এখানে নেই বললে চলে। এতে অনেকেই হয়রানির শিকার হচ্ছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পোস্ট মাস্টার বলেন, প্রতি সপ্তাহে সাধারণ ও রেজিস্ট্রি ৪০০ থেকে ৫০০ চিঠি রিসিভ বা বিতরণ করতে হয়। ডাক বিভাগের সকল কার্যক্রম বাসা কিংবা দোকান থেকেই পরিচালনা করতে হয়। যদি প্রত্যেকটি গ্রামীণ পোস্ট অফিসের জন্য একটি করে ভবন নির্মাণ হয় তাহলে বাংলাদেশ ডাক বিভাগের সকল সেবা সহজে মানুষের মাঝে পৌঁছে দেয়া যাবে। 

উপজেলা পোস্ট অফিসের আরেক কর্মকর্তা জানান, উপজেলার ১৭টি গ্রামীণ পোস্ট অফিসসহ সকল কার্যক্রম উপজেলা পোস্ট অফিস থেকে পরিচালনা করা হয়। উপজেলা পোস্ট অফিসের মধ্যেমে প্রতিদিন সরকারের অনেক রাজস্ব আদায় হচ্ছে। ভবন ও আসবাবপত্রের অবস্থা খুবই নাজুক হয়ে গেছে।

কয়রা উপজেলা পোস্ট অফিসের পোস্ট মাস্টার মাহবুবুল আলম বলেন, কয়রা পোস্ট অফিসের কার্যক্রম ডিজিটাইজ না হওয়ায় অনেক সময় সেবা দেয়া যাচ্ছে না। যে ভবনে কার্যক্রম চলছে সেটিও ধসে ধসে পড়ছে। অনেক পুরাতন হওয়ায় ভবনের অনেকাংশশ ভেঙে গেছে। উপজেলা পোস্ট অফিসের নতুন ভবন ও সীমানা প্রাচীর অত্যন্ত জরুরি।   

খুলনা (দক্ষিণাঞ্চল) অতিরিক্ত পোস্ট মাস্টার জেনারেল মো. আবু তালেব বলেন, উপজেলা পোস্ট অফিসের ভবনের ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। অতিদ্রুত ভবন ও সীমানা প্রাচীরের কাজ শুরু করা হবে। সরকার পোস্ট অফিসের কার্যক্রমকে গতিশীল করতে নানা পদক্ষেপ নিয়েছে। সে অনুযায়ী উপজেলা ও গ্রামীণ পোস্ট অফিসের কার্যক্রম ডিজিটাল ও আধুনিকায়নের কাজ প্রক্রিয়াধীন।

এমএসএম / জামান

তারাগঞ্জে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন

২ জনের মরদেহ উদ্ধার, ১১ জন জীবিত উদ্ধার, বাসে ছিল ৪৫ জন

রূপগঞ্জে জামদানী ভিলেজ প্রকল্প পরিদর্শনে বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম

ঈদ উপলক্ষে ঘুরতে গিয়ে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের তিনজন নিহত

ব্রিজ ভেঙে নদীতে পড়ল শতাধিক মানুষ, দুই সহোদরসহ ৪ শিশু নিহত

চাঁদপুরে শুটিং করতে গিয়ে সন্ত্রাসী হামলার শিকার শুটিং ইউনিট!

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ২০ কিলোমিটার যানবাহনের ধীরগতি

নবীগঞ্জে দারুল কিরাত মজিদিয়া ফুলতলী ট্রাস্টের পুরস্কার বিতরণ ও ইফতার মাহফিল

সান্তাহারে হাজারো যাত্রী নিয়ে দুর্ঘটনার কবলে নীলসাগর এক্সপ্রেস

বগুড়ার শেরপুরে মাইক্রোবাস দুর্ঘটনায় ৩ জন নিহত

নড়াইলে গরীব, দুস্থদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহারের নগদ অর্থ বিতরণ

ঈদে সাময়িক দর্শক বাড়লেও সারা বছর লোকসান টিকে থাকার লড়াইয়ে শ্রীমঙ্গলের সিনেমা হল

বগুড়ায় মাংস সমিতি’র ৭৭ লাখ টাকা নিয়ে জামায়াত নেতা উধাও