ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী, ২০২৬

শীত মৌসুমের প্রথম ধাক্কা সইতে পারছে না শিশু ও বয়স্করা


ফুলছড়ি প্রতিনিধি photo ফুলছড়ি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২৮-১১-২০২১ দুপুর ২:৩৪
অগ্রহায়ণের শেষভাগে এসে গাইবান্ধার ফুলছড়িতে দিন দিন বাড়ছে শীতের তীব্রতা। মধ্যরাত থেকে ভোর পর্যন্ত অনুভূত হচ্ছে হাড় কাঁপানো শীত। হিমেল হাওয়ায় ভেসে বেড়াচ্ছে ঘন কুয়াশা। সন্ধ্যা নামতেই সড়কে আলো জ্বালিয়ে চলছে গাড়ি। ঘরে-বাইরে উষ্ণতা পেতে শরীরে উঠেছে মোটা কাপড়।
 
আবহাওয়া অফিস বলছে, ডিসেম্বর থেকে শুরু হবে শৈত্যপ্রবাহ। এ সময় তাপমাত্রা কমতে থাকবে। বাড়বে শীতের তীব্রতা। ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই অঞ্চলে কয়েকটি শৈত্যপ্রবাহের সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়াও মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে।
 
এদিকে শীত মৌসুমের প্রথম ধাক্কা সইতে পারছে না শিশু ও বয়স্করা। হাসপাতাল ও ক্লিনিকে  শীতজনিত রোগে আক্রান্ত শিশু ও বয়স্ক রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। শহর থেকে একটু দূরে গ্রামে থাকা ছিন্নমূল, অসহায় ও দরিদ্র পরিবারের শিশু ও বৃদ্ধদের অবস্থা নাকাল। আগাম শীতের প্রকোপ মোকাবেলায় প্রস্তুতি না থাকায় অনেকেই কষ্টে আছেন। শনিবার (২৭ নভেম্বর) ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত  গাইবান্ধা  ও ফুলছড়ির বিভিন্ন গ্রামে ঘুরে এমন চিত্রই দেখা গেছে। সাতসকালে কাজের প্রয়োজন বের হওয়া সাধারণ মানুষ ছিল গরম কাপড়ে মোড়ানো। গাইবান্ধা সদর, ফুলছড়ি , সাঘাটা, উপজেলার নিভৃত গ্রামগুলোতেও শীত জেঁকে বসার তথ্য পাওয়া গেছে ।
 
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, হিমেল হাওয়ায় সঙ্গে ঝিরিঝিরি জলফোঁটায় ভিজে গেছে প্রকৃতির বুক। দিগন্ত জোড়া মাঠে প্রতিদিনের মতো কাজে ব্যস্ত কৃষাণ-কৃষাণী। শীতের সকালে সবুজের ক্ষেতবুননে তাদের কাছে লাপাত্তা শীত। ছিন্নমূল ও নিম্ন আয়ের মানুষের জীবনের পাশাপাশি গবাদি পশুপাখিও টের পাচ্ছে শীতের তীব্রতা। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কুয়াশাচ্ছন্ন আকাশ ভেদ করে সূর্যের আলো ছড়িয়ে পড়ায় স্বস্তি ফিরেছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রায়।
 
গাইবান্ধা সদর উপজেলার, খামার বোয়ালী গ্রামের  ভুট্টু মিয়া বলেন, ‘‌হামার  (আমার)মতো গরিব মাইনসের(মানুষের) মোটা কাপড় দরকার। ভোরবেলা খুব শীত পড়ে। সন্ধ্যা হইলে গাও (শরিল) কাঁপে। মাঘ মাস নাই আসতে যে শীতের তীব্রতা, তাতে গ্রামের কামলা(দিনমজুর দের) মাইনসের অবস্থা খুব খারাপ।’ফুলছড়ি উপজেলার উদাখালি ইউনিয়নের বুড়াইল গ্রামের কৃষক আব্দুল গণি বলেন, শীতের সময় আমাদের কষ্ট বেশি। কিন্তু উপায় নেই, কাজ তো করতেই হবে। কেউ কেউ সন্ধ্যার সময় খোলা জায়গায় খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করেন। কিন্তু মধ্যরাত থেকে লেপ-তোষক ছাড়া ঘুমানো মুশকিল।
 
এদিকে দিন দিন শীতের প্রকোপ বাড়তে থাকায় গাইবান্ধা সদর ও ফুলছড়ি উপজেলার  হাসপাতাল-ক্লিনিকগুলোতে বাড়ছে শীতজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্করা নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া ও অ্যাজমাসহ শীতজনিত নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।

এমএসএম / জামান

গ্লোবাল স্কলার্স অলিম্পিয়াডে স্বর্ণ ও রৌপ্য পদক পেলেন জুড়ীর ওয়ারিশা রাহমান

আওয়ামিলীগের সাথে কোন আপোষ নয় - মনিরুল হক চৌধুরী

প্রার্থিতা ফিরে পেতে হাইকোর্টে বিএনপির গফুর ভূঁইয়ার রিট

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের মাধ্যমে নির্বাচন ব্যবস্থা ধ্বংস করা হয়েছে: পিআইবি মহাপরিচালক

সাভারে উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের হ্যাঁ ভোটের প্রচারণা

আত্রাইয়ে ট্রেন-ট্রাক সংঘর্ষে অল্পের জন্য শত শত যাত্রী প্রাণে রক্ষা

আমার উপজেলা আমার দায়িত্ব—শিশুর জীবন হোক বাল্যবিবাহ মুক্ত

রূপগঞ্জে খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া

নেত্রকোনার মদনে লাহুত হত্যা মামলার আট মাসেও মিলেনি চার্জশীট

দেয়াল পত্রিকা ইভেন্টে জাতীয় পর্যায়ে প্রথম বড়লেখা সরকারি ডিগ্রি কলেজের লাবিবা

তানোরে ভাতের সাথে বিষ মিশিয়ে নির্বিচারে হাঁস মুরগী মেরে ফেলার অভিযোগ

বাংলাদেশ একটা আধুনিক রাষ্ট্র হতে হবে, সুপ্রদীপ চাকমা

ভূরুঙ্গামারীতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত