শীত মৌসুমের প্রথম ধাক্কা সইতে পারছে না শিশু ও বয়স্করা
অগ্রহায়ণের শেষভাগে এসে গাইবান্ধার ফুলছড়িতে দিন দিন বাড়ছে শীতের তীব্রতা। মধ্যরাত থেকে ভোর পর্যন্ত অনুভূত হচ্ছে হাড় কাঁপানো শীত। হিমেল হাওয়ায় ভেসে বেড়াচ্ছে ঘন কুয়াশা। সন্ধ্যা নামতেই সড়কে আলো জ্বালিয়ে চলছে গাড়ি। ঘরে-বাইরে উষ্ণতা পেতে শরীরে উঠেছে মোটা কাপড়।
আবহাওয়া অফিস বলছে, ডিসেম্বর থেকে শুরু হবে শৈত্যপ্রবাহ। এ সময় তাপমাত্রা কমতে থাকবে। বাড়বে শীতের তীব্রতা। ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই অঞ্চলে কয়েকটি শৈত্যপ্রবাহের সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়াও মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে।
এদিকে শীত মৌসুমের প্রথম ধাক্কা সইতে পারছে না শিশু ও বয়স্করা। হাসপাতাল ও ক্লিনিকে শীতজনিত রোগে আক্রান্ত শিশু ও বয়স্ক রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। শহর থেকে একটু দূরে গ্রামে থাকা ছিন্নমূল, অসহায় ও দরিদ্র পরিবারের শিশু ও বৃদ্ধদের অবস্থা নাকাল। আগাম শীতের প্রকোপ মোকাবেলায় প্রস্তুতি না থাকায় অনেকেই কষ্টে আছেন। শনিবার (২৭ নভেম্বর) ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত গাইবান্ধা ও ফুলছড়ির বিভিন্ন গ্রামে ঘুরে এমন চিত্রই দেখা গেছে। সাতসকালে কাজের প্রয়োজন বের হওয়া সাধারণ মানুষ ছিল গরম কাপড়ে মোড়ানো। গাইবান্ধা সদর, ফুলছড়ি , সাঘাটা, উপজেলার নিভৃত গ্রামগুলোতেও শীত জেঁকে বসার তথ্য পাওয়া গেছে ।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, হিমেল হাওয়ায় সঙ্গে ঝিরিঝিরি জলফোঁটায় ভিজে গেছে প্রকৃতির বুক। দিগন্ত জোড়া মাঠে প্রতিদিনের মতো কাজে ব্যস্ত কৃষাণ-কৃষাণী। শীতের সকালে সবুজের ক্ষেতবুননে তাদের কাছে লাপাত্তা শীত। ছিন্নমূল ও নিম্ন আয়ের মানুষের জীবনের পাশাপাশি গবাদি পশুপাখিও টের পাচ্ছে শীতের তীব্রতা। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কুয়াশাচ্ছন্ন আকাশ ভেদ করে সূর্যের আলো ছড়িয়ে পড়ায় স্বস্তি ফিরেছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রায়।
গাইবান্ধা সদর উপজেলার, খামার বোয়ালী গ্রামের ভুট্টু মিয়া বলেন, ‘হামার (আমার)মতো গরিব মাইনসের(মানুষের) মোটা কাপড় দরকার। ভোরবেলা খুব শীত পড়ে। সন্ধ্যা হইলে গাও (শরিল) কাঁপে। মাঘ মাস নাই আসতে যে শীতের তীব্রতা, তাতে গ্রামের কামলা(দিনমজুর দের) মাইনসের অবস্থা খুব খারাপ।’ফুলছড়ি উপজেলার উদাখালি ইউনিয়নের বুড়াইল গ্রামের কৃষক আব্দুল গণি বলেন, শীতের সময় আমাদের কষ্ট বেশি। কিন্তু উপায় নেই, কাজ তো করতেই হবে। কেউ কেউ সন্ধ্যার সময় খোলা জায়গায় খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করেন। কিন্তু মধ্যরাত থেকে লেপ-তোষক ছাড়া ঘুমানো মুশকিল।
এদিকে দিন দিন শীতের প্রকোপ বাড়তে থাকায় গাইবান্ধা সদর ও ফুলছড়ি উপজেলার হাসপাতাল-ক্লিনিকগুলোতে বাড়ছে শীতজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্করা নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া ও অ্যাজমাসহ শীতজনিত নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।
এমএসএম / জামান
সিদ্ধিরগঞ্জে ভ্যাট ফাঁকির তথ্য সংগ্রহ করায় সাংবাদিককে হুমকি, ৪ দিনেও ব্যবস্থা নেয়নি পুলিশ
হীরাঝিল আবাসিক এলাকা সমাজ কল্যাণ সমিতি নিয়ম বহির্ভূত কমিটি গঠনের অভিযোগ
প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে লোহাগড়ায় দুই খাল পুনঃখনন উদ্বোধন, ১.১৩ কোটি টাকার প্রকল্প
আত্রাইয়ে গ্রামীণ সড়কের কোর রোড নেটওয়ার্ক ও সড়ক অগ্রাধিকার নির্ধারণ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত
ঘোড়াঘাটে গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
নবীগঞ্জে দিনদুপুরে পিস্তল ও রামদা দেখিয়ে একই দিনে দুই শিক্ষিকার স্বর্ণালঙ্কার ছিনতাই
কুতুবদিয়ায় প্রেমিকের বাড়ির সামনে বিষপান: চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রেমিকার মৃত্যু
যশোরে ‘মামলাবাজ’ চক্রের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন
মহেশখালীতে মাদকবিরোধী মোবাইল কোর্ট, যুবকের কারাদণ্ড
কুড়িগ্রামে ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ এবং বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত
পাঁচবিবিতে হয়রানিমূলক মামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন
রাঙ্গামাটিতে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেল ৩৮ জন যাত্রী
গোপালগঞ্জে গ্রাম আদালত কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত
Link Copied