ঢাকা শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬

চন্দনাইশে শীতের আগমনে কদর বাড়ছে ভাপা পিঠার


আমিনুল ইসলাম রুবেল, চন্দনাইশ  photo আমিনুল ইসলাম রুবেল, চন্দনাইশ
প্রকাশিত: ১৯-১২-২০২১ দুপুর ১২:১৩

চট্টগ্রাম চন্দনাইশে শীতের আগমনের সাথে সাথে সকালের কুয়াশা কিংবা সন্ধ্যার হিমেল বাতাসে কদর বেড়েছে ভাপা পিঠার। এই ভাপা পিঠার গরম আর সুগন্ধী ধোঁয়ায় মন আনচান করে ওঠে সবার। ইতোমধ্যে শীত আসার সাথে সাথে দক্ষিণ চট্টগ্রামে চন্দনাইশ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ভাপা পিঠা বিক্রির ধুম পড়ে গেছে।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকা যেমন- চন্দনাইশ পৌরসদর, গাছবাড়িয়া, খানহাট, দোহাজারী, রৌশনহাটসহ বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা যায়, শীত আসামাত্র এক শ্রেণির ব্যবসায়ীরা সকাল-বিকেল, এমনকি গভীর রাত পর্যন্ত এ ব্যবসায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে। এই পিঠার স্বাদে ক্রেতারা মুগ্ধ। শীতের সময় এখানকার নিম্ন আয়ের অনেক মানুষের উপার্জনের একমাত্র অবলম্বন ভাপা পিঠার ব্যবসা। একদিকে ভাপা পিঠার স্বাদ আর অন্যদিকে চুলার আগুন ও জলীয় বাষ্পের উত্তাপ যেন চাঙ্গা করে দেয় দেহমন। আবার অনেকেই পিঠার দোকানে চুলার পাশে বসেই গরম পিঠা খাচ্ছেন। কেউ কেউ আবার পরিবারের জন্য পিঠা কিনে বাড়িতে নিয়ে যাচ্ছেন।

সন্ধ্যার পর থেকে পিঠার দোকানে বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের মালিক, সরকারি অফিসার, দোকানের কর্মচারীসহ নানার পেশার মানুষ পিঠা খেতে খেতে আড্ডায় মেতে উঠেন। শুধু সরকারি চাকরিজীবী নয়, দিনমজুর,শ্রমজীবী, রিকশাচালক, ড্রাইভার, শ্রমিকসহ বড় বড় অভিজাত পরিবারের লোকজনের কাছে প্রিয় শীতের এই পিঠা। পিঠা তৈরির জন্য একটি মাটির চুলার খড়ি অথবা জ্বালানি গ্যাস দরকার হয়। যা দিয়ে আগুনে পুড়িয়ে সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত পিঠা তৈরি ও বিক্রি করেন ব্যবসায়ীরা।

চন্দনাইশ পৌরসভাস্থ এক পিঠা বিক্রেতা জানান, তিনি দীর্ঘ ৫-৬ বছর ধরে শীত এলে ভাপা পিঠার এ ব্যবসা চালু করেন। যদিও গরম কালে তিনি যখন যে কাজ পান তাই করে জীবিকা নির্বাহ করলেও শীতের মৌসুমে তিনি ভাপা পিঠা ও সিদ্ধ ডিম বিক্রি করে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সুখে-শান্তিতে দিনযাপন করছেন। তার হাতের তৈরি পিঠা ক্রেতারাও বেশ পছন্দ ও আগ্রহ সহকারে কিনছেন। সন্ধ্যার পর থেকে বন্ধু-বান্ধবসহ নানান শ্রেণি-পেশার অনেকেই মিলেমিশে তার দোকানে ভিড় করছেন। তার হাতের তৈরি পিঠার অল্প সময়ে চারদিকে বেশ সুনাম ছড়িয়ে পড়েছে।  প্রতি পিঠার মূল্য নিচ্ছেন ৫ টাকা করে, যা সকলের জন্য সুবিধাজনক মূল্য। তিনি প্রতিদিন প্রায় ৮০০-৯০০ টাকার পিঠা বিক্রি করেন।

অপরদিকে গাছবাড়িয়া খানহাটে এক পিঠা বিক্রেতা জানান, প্রতিদিন পিঠা বিক্রি করে আমি প্রায় ৯০০-১০০০  টাকার মতো আয় করি, যা দিয়ে সংসারের ৫ জন সদস্য জীবিকা নির্বর করে। তবে শীতের মৌসুম শেষ হলে তিনি এ পেশার পরিবর্তন আনেন বলে জানান।

পিঠা বিক্রেতারা জানান, ভাপা পিঠা তৈরির উপকরণ হচ্ছে চালের গুঁড়া, নারকেল ও খেজুরের গুড়। গোল আকারের পাতিলে কাপড় পেঁচিয়ে ঢাকনা দিয়ে পাতিলের ফুটন্ত পানিতে ভাপ দিয়ে তৈরি হয় ভাপা পিঠা। অন্যদিকে চালের গুঁড়া পানিতে মিশিয়ে মাটির সাচে বিশেষ উপায়ে তৈরি করা হয় চিতই পিঠা। এই পিঠা বিক্রি চলবে শীত মৌসুম পর্যন্ত।

এমএসএম / প্রীতি

পর্যটন ও পরিবেশ সুরক্ষায় কুয়াকাটায় তারুণ্যের উৎসব

পরনের কাপড় ছাড়া কিছুই নাই,চাল আসবাবপত্র সব পুড়ে ছাই

শারদীয় দুর্গাপূজা নির্বিঘ্ন করতে শালিখা থানা পুলিশের মোটরসাইকেল মহড়া

চাঁপাইনবাবগঞ্জে তিন উন্নয়ন প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত ভূমি মালিকদের অধিগ্রহণের চেক বিতরণ

এসি বাস চালু হতেই ফের বাধা, বাঁশখালীতে আটকে দেওয়া হলো এসআর পরিবহনের দুই এসি বাস

কুমিল্লা কবি পরিষদের দাউদকান্দি শাখার সভাপতি আমিনুল হক, সাধারণ সম্পাদক শাকিল সরকার

সুবর্ণচরে কৃতি শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান

গোপালগঞ্জে সাইফুর রহমান নান্টুর মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

কক্সবাজার জেলা ডিবেট অ্যাসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন

সুবর্ণচরে কৃতি শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান

নড়াইলে প্রেস কাউন্সিলের প্রশিক্ষণে নড়াগাতী রিপোর্টার্স ইউনিটির সাথে বৈষম্যের অভিযোগ

ঈমান আমল ছাড়া জান্নাত পাওয়া যায় না --মুফতি আরশাদ ইদ্রিস

দাশিয়ারছড়া সমন্বয় পাড়া উচ্চবিদ্যালয়: এক দশকেও কাটেনি সংকট, শিক্ষার পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন