ঢাকা বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬

চন্দনাইশে শীতের আগমনে কদর বাড়ছে ভাপা পিঠার


আমিনুল ইসলাম রুবেল, চন্দনাইশ  photo আমিনুল ইসলাম রুবেল, চন্দনাইশ
প্রকাশিত: ১৯-১২-২০২১ দুপুর ১২:১৩

চট্টগ্রাম চন্দনাইশে শীতের আগমনের সাথে সাথে সকালের কুয়াশা কিংবা সন্ধ্যার হিমেল বাতাসে কদর বেড়েছে ভাপা পিঠার। এই ভাপা পিঠার গরম আর সুগন্ধী ধোঁয়ায় মন আনচান করে ওঠে সবার। ইতোমধ্যে শীত আসার সাথে সাথে দক্ষিণ চট্টগ্রামে চন্দনাইশ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ভাপা পিঠা বিক্রির ধুম পড়ে গেছে।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকা যেমন- চন্দনাইশ পৌরসদর, গাছবাড়িয়া, খানহাট, দোহাজারী, রৌশনহাটসহ বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা যায়, শীত আসামাত্র এক শ্রেণির ব্যবসায়ীরা সকাল-বিকেল, এমনকি গভীর রাত পর্যন্ত এ ব্যবসায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে। এই পিঠার স্বাদে ক্রেতারা মুগ্ধ। শীতের সময় এখানকার নিম্ন আয়ের অনেক মানুষের উপার্জনের একমাত্র অবলম্বন ভাপা পিঠার ব্যবসা। একদিকে ভাপা পিঠার স্বাদ আর অন্যদিকে চুলার আগুন ও জলীয় বাষ্পের উত্তাপ যেন চাঙ্গা করে দেয় দেহমন। আবার অনেকেই পিঠার দোকানে চুলার পাশে বসেই গরম পিঠা খাচ্ছেন। কেউ কেউ আবার পরিবারের জন্য পিঠা কিনে বাড়িতে নিয়ে যাচ্ছেন।

সন্ধ্যার পর থেকে পিঠার দোকানে বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের মালিক, সরকারি অফিসার, দোকানের কর্মচারীসহ নানার পেশার মানুষ পিঠা খেতে খেতে আড্ডায় মেতে উঠেন। শুধু সরকারি চাকরিজীবী নয়, দিনমজুর,শ্রমজীবী, রিকশাচালক, ড্রাইভার, শ্রমিকসহ বড় বড় অভিজাত পরিবারের লোকজনের কাছে প্রিয় শীতের এই পিঠা। পিঠা তৈরির জন্য একটি মাটির চুলার খড়ি অথবা জ্বালানি গ্যাস দরকার হয়। যা দিয়ে আগুনে পুড়িয়ে সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত পিঠা তৈরি ও বিক্রি করেন ব্যবসায়ীরা।

চন্দনাইশ পৌরসভাস্থ এক পিঠা বিক্রেতা জানান, তিনি দীর্ঘ ৫-৬ বছর ধরে শীত এলে ভাপা পিঠার এ ব্যবসা চালু করেন। যদিও গরম কালে তিনি যখন যে কাজ পান তাই করে জীবিকা নির্বাহ করলেও শীতের মৌসুমে তিনি ভাপা পিঠা ও সিদ্ধ ডিম বিক্রি করে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সুখে-শান্তিতে দিনযাপন করছেন। তার হাতের তৈরি পিঠা ক্রেতারাও বেশ পছন্দ ও আগ্রহ সহকারে কিনছেন। সন্ধ্যার পর থেকে বন্ধু-বান্ধবসহ নানান শ্রেণি-পেশার অনেকেই মিলেমিশে তার দোকানে ভিড় করছেন। তার হাতের তৈরি পিঠার অল্প সময়ে চারদিকে বেশ সুনাম ছড়িয়ে পড়েছে।  প্রতি পিঠার মূল্য নিচ্ছেন ৫ টাকা করে, যা সকলের জন্য সুবিধাজনক মূল্য। তিনি প্রতিদিন প্রায় ৮০০-৯০০ টাকার পিঠা বিক্রি করেন।

অপরদিকে গাছবাড়িয়া খানহাটে এক পিঠা বিক্রেতা জানান, প্রতিদিন পিঠা বিক্রি করে আমি প্রায় ৯০০-১০০০  টাকার মতো আয় করি, যা দিয়ে সংসারের ৫ জন সদস্য জীবিকা নির্বর করে। তবে শীতের মৌসুম শেষ হলে তিনি এ পেশার পরিবর্তন আনেন বলে জানান।

পিঠা বিক্রেতারা জানান, ভাপা পিঠা তৈরির উপকরণ হচ্ছে চালের গুঁড়া, নারকেল ও খেজুরের গুড়। গোল আকারের পাতিলে কাপড় পেঁচিয়ে ঢাকনা দিয়ে পাতিলের ফুটন্ত পানিতে ভাপ দিয়ে তৈরি হয় ভাপা পিঠা। অন্যদিকে চালের গুঁড়া পানিতে মিশিয়ে মাটির সাচে বিশেষ উপায়ে তৈরি করা হয় চিতই পিঠা। এই পিঠা বিক্রি চলবে শীত মৌসুম পর্যন্ত।

এমএসএম / প্রীতি

কুড়িগ্রামে গাঁজা ও প্রাইভেটকারসহ ২ জন গ্রেফতার

শেরপুরে নারীর প্রলোভনে ডেকে নিয়ে বন্ধুকে হত্যা: ৩ বছর পর রহস্য উদঘাটন

ঠাকুরগাঁওয়ের বিএনপির রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেনঃ মির্জা ফয়সল আমীন

বর্ণাঢ্য আয়োজনে পটুয়াখাালীতে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

রায়গঞ্জে এমপির সঙ্গে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার প্রতিবাদ ও মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

মানিকগঞ্জে স্কুল শিক্ষিকার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

রংপুর মেডিকেলে ইন্টার্ন ডক্টরস সোসাইটির নির্বাচনে ড্যাব-ছাত্রদল প্যানেলের বিপুল জয়: সভাপতি শাহনেওয়াজ ও সম্পাদক রিয়াদ

ধামরাইয়ে অবৈধ টায়ার পুড়িয়ে তেল তৈরির কারখানা গুঁড়িয়ে দিল পরিবেশ অধিদপ্তর

টঙ্গীতে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য র‌্যালি

পরীক্ষায় অংশ না নিয়েও কর্মকর্তার স্বজনদের নাম ফ্যামিলি কার্ড গণনাকারী নিয়োগের চূড়ান্ত তালিকায়

শিক্ষার জন্য কাজ করাই কি জাহাঙ্গীর আলমের অপরাধ?বাদ দেওয়া নিয়ে এলাকাবাসীর প্রশ্ন

গৌরনদীতে ব্র্যাকের যুব উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রকল্পের সমাপনী সভা অনুষ্ঠিত

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় ছাত্রদলের নতুন কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিল