ঢাকা বৃহষ্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬

ফরিদপুরে পরিকল্পিতভাবে যুবকের চোখ অন্ধ করে দেয়ার অভিযোগ


এহসান রানা, ফরিদপুর photo এহসান রানা, ফরিদপুর
প্রকাশিত: ৩-১-২০২২ দুপুর ৩:৫

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার আজিমনগর ইউনিয়নের তারাইল গ্রামের যুবক আবু বকর মাতুব্বরের (২৫) চোখ পরিকল্পিতভাবে নষ্ট করে দেয়ার অভিযোগ করেছেন ওই যুবক।

ওই যুবকের দাবী, ২০০৭ সালের প্রথম দিকে প্রতিবেশী ও চাচাতো ভাই নান্নু মাতুব্বর কৌশলে আমগাছে আম পাড়ার কথা বলে জোরপূর্বক উঠতে বাধ্য করে। একপর্যায়ে নিচ থেকে প্রায় ৩০ ফুট লম্বা একটি চিকন (নলী) বাঁশের অংশ ছুড়ে মারলে তা সরাসরি গিয়ে চোখে আঘাত করলে গাছ থেকে পড়ে গিয়ে গুরুত্বর আহত হন তিনি।

তিনি (আবু বকর মাতুব্বর) জানান, তার বাবা গাজীপুর এলাকায় ক্ষুদ্র ব্যবসা করায় তাৎক্ষণিক উন্নত চিকিৎসা না দেয়ায় ডান চোখ নষ্ট হয়ে যায় তার। তিনি দাবি করেন, এ ঘটনার ছয় থেকে সাত মাস পর বাম চোখও আক্রান্ত হয় এবং ধীরে ধীরে বাম চোখের দৃষ্টিশক্তিও কমতে থাকে। বর্তমানে বাম চোখেও কিছুই দেখা যায় না, শতভাগ অন্ধ বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি আরো দাবি জানান, জমি দখল করার উদ্দেশ্যে চাচাতো ভাই নান্নু মাতুব্বর, আব্দুল হাই মুন্সী ওরফে নসু মাতুব্বর, সেন্টু মাতুব্বরসহ তাদের স্ত্রীরা পরিকল্পিতভাবে এ ঘটনা ঘটিয়েছে। 

আবু বকর মাতুব্বরের মা নুরুন্নাহান খাতুন জানান, তার স্বামীর আপন চাচাতো ভাই মজিদ মাতুব্বর ও আপন ভাই মোতালেব মাতুব্বরের পরিবারের সাথে দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এরই ধারাবাহিতকতায় তাদের তিন ছেলে আমার একমাত্র ছেলে আবু বকর মাতুব্বরকে হত্যার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এ ঘটনা ঘটিয়েছে। 

তিনি জানান, ঢাকাসহ ভারতের চেন্নাইয়ের বিভিন্ন হাসপাতালে প্রায় ১৫ বছর ধরে অসুস্থ সন্তানের চিকিৎসায় সর্বস্ব খুইয়েছেন তিনি। ৪০ লক্ষাধিক টাকা ব্যয় করে চিকিৎসা করাতে গিয়ে সহায়-সম্পত্তি বিক্রি করতে হয়েছে, ধার-দেনা করতে হয়েছে মানুষের কাছ থেকে।   

তিনি দাবি করেন, এ ঘটনায় ফরিদপুর জেলা জজ আদালতের লিগ্যাল এইড শাখায় দুই কোটি টাকা ক্ষতিপীরণ দাবি করে মৃত মজিদ মাতুব্বরের ছেলে নান্নু মাতুব্বর ও আব্দুল হাই মুন্সী ওরফে নসু মাতুব্বর এবং মৃত মোতালেব মাতুব্বরের ছেলে সেন্টু মাতুব্বর ও তাদের তিনজনের স্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দেয়া হয়েছে। বিচার চাওয়ায় প্রতিপক্ষের লোকজন হুমকি-ধমকি দিচ্ছে। তারা যে কোনো সময় বড় ধরনের ক্ষতিসাধন করতে পারে বলেও দাবি করেন তিনি। এ ঘটনায় আবু বকর মাতুব্বর ও তার মা নুরুন্নাহার খাতুন দ্রুত ন্যায়বিচার ও ক্ষতিপ‍ূরণ দাবি করছেন। 

এ প্রসঙ্গে প্রবাসী নান্নু মাতুব্বরের স্ত্রী হামিদা বেগম জানান, আবু বকর নিজেই গাছে উঠেছিল। কেউ জোর করে গাছে উঠতে বাধ্য করেনি এবং আম পাড়ার সময় নিজেই কোটা চায়, যেটি চেলে দেয়ার সময় চোখে আঘাত লাগে।

তিনি জানান, আবু বকরদের পারিবারিক অবস্থা দুর্বল হওয়ায় তিন বছর চিকিৎসার খরচ বহন করি। ২০২১ সালে স্থানীয়রা বসে মীমাংসা করে দেন। এখন আবার কেন ক্ষতিপূরণ দাবি করছে তা আমাদের জানা নেই। 

শাফিন / জামান

তেঁতুলিয়ায় পুলিশের মাথা ফাটিয়ে পলাল গরু চোর

কটিয়াদীতে অবৈধ জ্বালানি তেল মজুদে এক ব্যক্তিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা

পাম্পে তেল না দেওয়ায় ক্ষোভ, ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ

চাঁদার দাবিতে কৃষকদল নেতার পা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ, ছাত্রদল নেতাসহ ৬ জনের নামে মামলা

ঠাকুরগাঁওয়ে নানা আয়োজনে স্কাউট দিবস পালিত

পেকুয়ায় জমি জবরদখল চেষ্টার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

ঠাকুরগাঁওয়ে প্রতিবন্ধী গৃহবধূকে ধর্ষণ চেষ্টার বিষয়ে মামলা

টুঙ্গিপাড়ায় মাদক সেবনের দায়ে দুইজনের কারাদণ্ড

লাকসাম পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ২০২৬ সালের এস.এস.সি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

চাঁদপুরে আগুনে পুড়েছে ৬ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান

হাতিয়ায় ৩ হাজার লিটার অবৈধ জ্বালানি তেল জব্দ করেছে কোস্টগার্ড

ভারতীয় শিশু উদ্ধার,পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ফেরত পাঠালো পুলিশ

বিদেশে পাঠানোর প্রলোভনে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ