ডিএমই-ঠিকাদার সিন্ডিকেট গিলে খাচ্ছে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের উন্নয়ন
বাংলাদেশ রেলওয়ে পুর্বাঞ্চলের চট্টগ্রাম বিভাগের দায়িত্বে নিয়োজিত ডিভিশনাল মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার/লোকো (ডিএমই) মো. ওয়াহিদুর রহমান নিজ কার্যালয়ে পছন্দের ঠিকাদারদের নিয়ে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট গঠন করে এলটিএম পদ্ধতিতে রেলের মালামাল সরবরাহে কমিশনের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বাজারের সবচেয়ে উচ্চ মুল্য দিয়ে কেনা হয় নিম্নমানের মালামাল যা ধরা পরার ভয়ে ল্যাবে পরীক্ষা ছাড়াই ব্যবহার করা হয়। তার এই সিন্ডিকেটের ফলে প্রতি বছরই মোটা অংকের টাকা গচ্ছা যাচ্ছে সরকারি এই সেবামুলক প্রতিষ্ঠানটির। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এমন অভিযোগ তুলছেন সংশ্লিষ্ট দফতরেরই একাধিক ব্যক্তি। তবে সিন্ডিকেট এবং কমিশন বাণিজ্যটা একটা সিস্টেমআমি চাইলেও এটা বন্ধ করতে পারবনা। কোন দফতরে অনিয়ম নেই জানতে পাল্টা প্রশ্ন করেন ডিএমই।
ডিএমই অফিসের বিশ্বস্ত একটি সুত্রে জানা গেছে এখানে যারা মালামাল সরবরাহ করে থাকেন তাদের মধ্যে শক্তিশালী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে এই সিন্ডিকেটের বাইরে এখানে কেউ ব্যবসা করতে পারেনা। ঠিকাদারদের এই সিন্ডিকেটের সদস্যদের মাঝে রয়েছে গণি, মোর্শেদ, বাচ্চু, সুভাষ, মাহফুজ, মোস্তফা, জাহাঙ্গীর ও হালিম। সম্প্রতি ওই দফতরের ১ বছরের একটি কাজের তালিকা এই প্রতিবেদকের হাতে এসে পৌছেছে। যেখানে দেখা গেছে পুরো বছরের চাহিদার মালামালগুলো সরবরাহের জন্য উল্লেখিত ঠিকাদারদের একেজনকে ২০ থেকে ২৫ টি আইটেম সরবরাহের জন্য আদেশ দেওয়া হয়েছে। তবে কোন মালামালই ল্যাবে পরীক্ষা করা হয়নি বলে অপর একটি বিশ্বস্ত সুত্র জানিয়েছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই দফতরের একাধিক ঠিকাদার জানান, মালামাল সরবরাহ করতে হলে ১০ খেকে ১৫ শতাংশ কমিশন দিতে হয় আবার বিল নেওয়ার সময়ও আরেক দফা ঘুষ প্রদান করতে হয় তার উপর ভ্যাট ট্যাক্স। অফিসারদের চাহিদা মোতাবেক কমিশনের টাকা না দিয়ে ব্যবসা করার সুযোগ নাই আবার কমিশন দেওয়ার পর ভাল মানের মালামাল দিয়ে লাভতো দুরের কথা গুনতে হবে লোকসান। তাই যারা মোটা অংকের কমিশন দিতে পারবে তারাই ব্যবসা করতে পারবে বাজারের নিকৃষ্টমানের মালামাল সরবরাহ করবে। ভাল মানের মাল কিনলে যেখানে ৫/১০ বছর টিকবে সেখানে তারা নিম্নমানের মাল দিলে বছর না যেতেই তা আবার কিনতে হয় এর ফলে কমিশন খেকোদের সাময়িক লাভ হলেও পথে বসছে সেবামুলক এই সরকারি প্রতিষ্ঠানটি।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে চট্টগ্রামের বিভাগীয় যন্ত্র প্রকৌশলী / লোকো (ডিএমই) মো. ওয়াহিদুর রহমান বলেন, সিন্ডিকেট এবং কমিশন বাণিজ্যটা একটা সিস্টেম, আমি চাইলেও এটা পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব নয় তবে আমি চেষ্টা করছি অনিয়ম আস্তে আস্তে কমিয়ে আনার জন্য। আপনি আমার সম্পর্কে খবর নিয়ে দেখতে পারেন আমার অনিয়ম তুলনামুলকভাবে অনেক কম। সিন্ডিকেট আগে আরো স্ট্রং ছিল আমি কিছু সংযোজন বিয়োজন করেছি। আমার উপর বিভিন্ন চাপ আছে আমি চাইলেও সমস্ত অনিয়ম বন্ধ করতে পারবনা।
এ ব্যাপারে রেলওয়ে পুর্বাঞ্চলের প্রধান যন্ত্র প্রকৌশলী মো. বোরহান উদ্দীন বলেন, আমিতো এসেছি কিছুদিন হলো বিষয়টি একটু খোজ নিয়ে দেখি যদি এমনটি হয়ে থাকে তবে সত্যিই দুঃখজনক। তবে আমি যতদিন আছি এসব ব্যপারে সজাগ থাকব। অপরাধ করলে অবশ্যই শাস্তি পেতে হবে।
শাফিন / জামান
জেলা বিএনপির সদস্য ফারুক আহমেদের সঙ্গে চেয়ারম্যান প্রার্থী শিপনের সৌজন্য সাক্ষাৎ
সাভারে চাঁদা না পেয়ে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা
মুকসুদপুরে স্বামীর হাতে স্ত্রী খুনের অভিযোগ
চাঁদপুরে শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ, শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ও ক্লাস বর্জন
অপরাধ দমনে কঠোর ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনকে রেল প্রতিমন্ত্রীর কড়া নির্দেশ
আদমদীঘিতে ৬টি পুকুরে ২৮৬ কেজি মাছ অবমুক্ত করলেন এমপি মহিত তালুকদার
বাকৃবিতে জলবায়ু-সহনশীল কৃষি ও এগ্রিবিজনেস শিক্ষা উন্নয়নে আন্তর্জাতিক প্রকল্প
তিস্তা সমবায় সমিতির অনিয়ম প্রকাশে মামলা: মামলা প্রত্যাহার ও হয়রানি বন্ধের দাবিতে লালমনিরহাটে সাংবাদিকদের মানববন্ধন
দুমকীতে কলেজ মাঠ থেকে মেশিনগানের কার্তুজ উদ্ধার, তদন্তে পুলিশ
ঢাবি’র নবীন শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু
বিএনপির ওয়ার্ড সভাপতির বিরুদ্ধে দলীয় কর্মীকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দেওয়ার পরামর্শ দেওয়ার অভিযোগ, ভিডিও ভাইরাল
গোদাগাড়ীতে সীমানা পিলার উপড়ে বসতভিটা দখলের চেষ্টা, থানায় জিডি
পুলিশ সদস্যদের সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও নিয়ম-শৃঙ্খলা বজায় রেখে দায়িত্ব পালনের আহ্বান রংপুর রেঞ্জ ডিআইজির
Link Copied