টিকটকের উত্থানে বড় আর্থিক ক্ষতিতে ফেসবুক
টিকটক ও এ ধরনের বিভিন্ন অ্যাপসের কারণে ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জুকারবার্গের কপালে চিন্তার ভাজ পড়েছে। প্রতিদ্বন্দ্বী এসব সামাজিক মাধ্যমের কারণে ফেসবুকের বাজার মূল্য কমেছে এক-পঞ্চমাংশ। মার্ক জুকারবার্গ এর জন্য বিনিয়োগ ও পরিবর্তনশীল অনলাইন বিজ্ঞাপনকে দায়ী করেছেন। বৃহস্পতিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) নিক্কেই এশিয়ার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
সম্প্রতি মার্ক জুকারবার্গ তার কোম্পানির নাম পরিবর্তন করে রেখেছেন মেটা। বুধবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এটি জানায়, গত বছরের চতুর্থ প্রান্তিকে কোম্পানিটির আয় প্রত্যাশার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কারণ এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলে এটির ব্যবহারকারীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। যা শুরু থেকেই তাদের বড় বাজার হিসেবে বিবেচিত। তাছাড়া অন্যান্য অঞ্চলেও এটির ব্যবহারকারী কমেছে।
গত বছরের প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটির আয় ছিল দুই হাজার নয়শ কোটি ডলার যা এর আগের পূর্বাভাসকে অতিক্রম করতে সক্ষম হয়। এরপরেই মেটার শেয়ার দর ২০ শতাংশ কমে যায়। ফলে বাজার থেকে তাদের ১৭ হাজার ৫০০ কোটি ডলার হারিয়ে যায়।
জুকারবার্গ বলেন, এখন অনেক বিকল্প ব্যবস্থা চালু রয়েছে। মানুষ টিকটকের মতো অ্যাপসগুলো ব্যবহার করছে। এসব অ্যাপসের দ্রুত উত্থান হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
জানা গেছে, গত বছরের শেষ প্রান্তিকে কোম্পানিটির আয় হয় তিন হাজার তিনশ কোটি ডলারের বেশি। যা বছরের তুলনায় ২০ শতাংশ বেশি। তবে এ সময়ে নেট আয় আট শতাংশ কমে দাঁড়ায় এক হাজার ৩০ কোটি ডলারে।
কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রতিযোগিতা বাড়ায় শেষ প্রান্তিকটি ধাক্কা খেয়েছে তারা। তাছাড়া অ্যাপলের প্রাইভেসি নীতির পরিবর্তন ও নতুন বিনিয়োগ ব্যয়ও এর জন্য দায়ী বলে জানানো হয়।
মেটার প্রধান সামাজিক নেটওয়ার্ক ফেসবুকে চতুর্থ প্রান্তকে প্রায় দুইশ কোটি স্বক্রিয় গ্রাহক ছিল। যা আগের প্রান্তিকের চেয়ে ১০ লাখ কম।
শাফিন / শাফিন
ওই বিমানের ক্যাপ্টেনকে কুড়াল দিয়ে আঘাত করেন কো-পাইলট
গাজায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত ৫
নেতানিয়াহু বলেছে পাইপ মিস্ত্রি বিমানকে রক্ষা করেছে, সত্যি কি না জানি না
ছয়টিরও বেশি দেশ মক্কা জোটে যোগ দিতে চায়
হঠাৎ ‘অস্বাভাবিক’ গোপন বৈঠক ট্রাম্পের প্রভাবশালী কর্মকর্তাদের
ভারতের সীমান্তরক্ষীর গুলিতে দুই পাকিস্তানি নিহত
পাত্রীদের নিকাব পরার শর্ত দিয়েছিলাম, কেউ রাজি হয়নি, পাইলট শুনে সবাই রাজি
মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে বিষাক্ত ইনজেকশন, হাসপাতালে এখন লড়ছেন মৃত্যুর সঙ্গে
ভারতীয় পাইলটকে মেরে রক্তাক্ত করা কো-পাইলটের পরিচয় প্রকাশ
মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে বিষাক্ত ইনজেকশনেও মৃত্যু হয়নি, এখন কী হবে এ নারীর?
৫ বছরে ২০ ভাগ বরফ হারিয়েছে সুইজারল্যান্ড
শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে উত্তাল ফ্রান্স, পুলিশের সঙ্গে ব্যাপক সংঘর্ষ