বাজার মনিটরিংয়ের অভাবে ক্রেতারা ব্যবসায়ীদের কাছে জিম্মি
খুলনার পাইকগাছার বিভিন্ন হাট-বাজারে পবিত্র রমজান মাসে কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে তরমুজ। ব্যবসায়ীরা বিঘাপ্রতি ও পিস চুক্তিতে কিনে কেজি দরে বিক্রি করলেও বাজারে নেই কোনো তদারকি। ফলে ব্যবসায়ীরা অধিক মুনাফা লাভ করছে আর ক্রেতারা ঠকছেন নীরবে।
উপজেলার পাইকগাছা পৌর বাজার, জিরো পয়েন্ট, নতুন বাজার, গদাইপুর বাজার, আগড়ঘাটা বাজার, কপিলমুনি বাজার, বাঁকা বাজার, চাঁদখালী বাজার, গড়ইখালী বাজারসহ বিভিন্ন ছোট-বড় বাজারে কেজি দরে তরমুজ বিক্রি হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা তরমুজ ক্ষেতের মালিক বা চাষির কাছ থেকে বিঘা বা পিস চুক্তিতে তরমুজ ক্রয় করছেন। এছাড়া অনেক খুচরা ব্যবসায়ী আড়ত থেকে পিস হিসাবে তরমুজ ক্রয় করছেন। এতে প্রতি পিস ছোট তরমুজ ৩০ থেকে ৪০ টাকা আর বড় প্রতি পিস তরমুজ ৬০ থেকে ৯০ টাকা করে পড়ছে। সিন্ডিকেট করে ব্যবসায়ীরা ভালো মানের তরমুজ শুরুতে ৫০ টাকা কেজি বিক্রি করলেও এখন প্রতি কেজি ৩০-৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছেন।
উপজেলার কপিলমুনি বাজারের তরমুজ ব্যবসায়ী কানাইদিয়া গ্রামের টিটু জানান, তিনি মাগুরখালীতে ৩ বিঘা তরমুজের ক্ষেত ক্রয় করেছেন। ক্ষেত থেকে তরমুজ বাজারে এনে প্রতি কেজি ৩৫-৪০ টাকা দরে বিক্রি করছেন। পিস হিসেবে তরমুজ কিনে কেজি দরে বিক্রি করার কথা জানতে চাইলে তিনি বলেন, সবাই বিক্রি করছে তাই আমিও করছি।
কপিলমুনি বাজারের তরমুজ ব্যবসায়ী মো. সোহাগ জানান, তারা কয়রা থেকে তরমুজ ক্রয় করে এনেছেন। তারা ৩০ থেকে ৪০ টাকা কেজি দরে তরমুজ বিক্রি করছেন।
অন্য তরমুজ ব্যবসায়ীরা জানান, এ বছর বৃষ্টি না হওয়ায় তরমুজের দাম অনেক বেশি। ক্ষেত থেকে অনেক সময় মণ হিসাবে তরমুজ কিনতে হচ্ছে। তাই আমরা ওজনে তরমুজ বিক্রি করছি। সবাই পিস হিসাবে বিক্রি করলে আমিও করব।
কপিলমুনির ক্রেতা হোসেন আলী জানান, কয়েক বছর আগেও পিস হিসাবে তরমুজ ক্রয় করেছি। এখন ৬ কেজি ওজনের একটি তরমুজ ১৮০ টাকা দিয়ে ক্রয় করতে হচ্ছে, যা পিস হিসাবে ৮০-৯০ টাকায় ক্রয় করা যেত। ওজনে বিক্রি করায় তিনিসহ সকল ক্রেতা ঠকছেন বলে দাবি করেন হোসেন আলী।
গোপালপুর গ্রামের ভ্যানচালক বিশে গাজী জানান, তরমুজ ওজনে বিক্রি হওয়াতে একটি ছোট তরমুজ কিনতে ১০০-১৫০ টাকা লাগছে। তাই এ বছর এখনো তরমুজ কেনা হয়নি। ওজনে তরমুজ বিক্রি হওয়ায় আমাদের মতো ভ্যানচালকরা তরমুজ কিনতে পারছে না বলে তিনি জানান।
গরমের সুস্বাদু ফল তরমুজ খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে বিক্রি হচ্ছে। রমজান আর তাপদাহকে কাজে লাগিয়ে কিছু ব্যবসায়ী ক্রেতাদেরর সাথে প্রতারণা করে তরমুজ বিক্রি করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ভালো মানের একটি তরমুজ ২৫০ টাকা থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে।
সাধারণ মানুষের দাবি, যেসব ফলের ৪০ শতাংশ বাদ দিতে হয় যেমন, তরমুজ, কাঁঠাল, কলাসহ নানা ফল যেন কেজিতে বিক্রি না করে পিস হিসাবে বিক্রি করা হয়। তার জন্য পাইকগাছা উপজেলা বাজার মনিটরিং কমিটি ও উপজেলা প্রশাসনের বাজার তদারকি করার জন্য দাবি জানিয়েছে ভোক্তা ও সাধারণ ক্রেতারা। ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা কেজি দরে বিক্রি বন্ধসহ সহনীয় পর্যায়ে দাম রাখতে বাজার মনিটরিংয়ের দাবি জানিয়েছেন।
এমএসএম / জামান
সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের অভিযানে নানা ভাই বাহিনীর হাতে জিম্মি ৬ জেলে উদ্ধার
নন্দীগ্রামে গরীব অসহায় পরিবারের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক সহায়তা' শাড়ি থ্রি পিচ বিতরণ
আত্রাইয়ে স্থানীয় এমপি রেজাউল ইসলামকে সংবর্ধনা প্রদান ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত
সন্দ্বীপ টাউন ব্যবসায়ী সমিতির উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত
ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা ইউএনওর ঈদ সহায়তা বিতরণ
শিমুলবাকঁ গ্রামের যুবসমাজের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত
নির্মাণ কাজ শেষ না হওয়ায় চাঁদপুর লঞ্চঘাটে ঈদ ঘরমুখো যাত্রীদের দুর্ভোগ
ঈদে আবারও মুখর হবে পর্যটন নগরী মৌলভীবাজার
ডিজির নির্দেশে ঈশ্বরদীর ইক্ষু গবেষণাগারে গুড় উৎপাদন ও অনিয়মের অভিযোগ
বাগেরহাটে শ্রী শ্রী হরিচাদ ঠাকুরের জন্ম জয়ন্তী উপলক্ষে ৩ দিন ব্যাপী বাৎসরিক মেলা ও অনুষ্টান
শালিখায় পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে নগদ টাকা ও বস্ত্র উপহার প্রদান
হোমনায় সরকারি হাসপাতালে ক্যানোলা বসাতে না পারায় প্রাইভেটে অতিরিক্ত বিল আদায়
শেরপুরে ডপস এর উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
Link Copied