ঢাকা সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬

খ্যাতিমান কৃষিবিদ ইয়াসিন আলীর ১৬তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ


আবু সাহেব, হাবিপ্রবি photo আবু সাহেব, হাবিপ্রবি
প্রকাশিত: ১০-৪-২০২২ দুপুর ১:৫০
খ্যাতিমান কৃষিবিদ ইয়াসিন আলীর ১৬তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবনের অধিকারী এ কৃষিবিদ ২০০৬ সালের ১০ এপ্রিল ইন্তেকাল করেন। তিনি বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএসআরআই) পরিচালক ছিলেন। তিনি দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ কৃষি কলেজের (বর্তমানে হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়) অধ্যক্ষ হিসেবে কর্মরত ছিলেন। 
 
১৯৪০ সালের ২৩ অক্টোবর ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার বালিয়াখুড়ী গ্রামে কৃষিবিদ ইয়াসিন আলীর জন্ম। তার পিতার নাম মো. মনসুর আলী। তিনি ১৯৫৬ সালে দিনাজপুর জিলা স্কুল থেকে প্রথম বিভাগে মেট্রিকুলেশন পাস করেন। পরবর্তীতে তিনি ১৯৫৮ সালে এস এন কলেজ, দিনাজপুর থেকে এইচএসসি এবং ১৯৬১ ও ১৯৬৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে বাংলাদেশ কৃষি ইনস্টিটিউট থেকে যথাক্রমে বিএজি ও কৃষিতত্ত্ব বিষয়ে এম.এজি পাস করেন। তিনি ১৯৬৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মৃত্তিকা বিজ্ঞানে এমএস ডিগ্রী অর্জন করেন।
 
ইয়াসিন আলী ১৯৬৭ সালে বাংলাদেশ আণবিক শক্তি কমিশনে বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হিসেবে তার কর্মজীবন শুরু করেন। এরপর ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশনে ডেপুটি এগ্রোনমিস্ট হিসেবে যোগদান করেন। ১৯৮৪ সালের ডিসেম্বর মাসে ইক্ষু গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের (বর্তমানে বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট) পরিচালক হিসেবে যোগদান করে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত কর্মরত ছিলেন। কিছু সময়ের জন্য তিনি হাজী মোহাম্মদ দানেশ কৃষি কলেজে (বর্তমানে হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়) অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন। তিনি তার কর্মময় জীবনে দেশ-বিদেশে উচ্চশিক্ষা ও প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। 
 
বাংলাদেশে কৃষি উন্নয়নে কৃষিবিদ ইয়াসিন আলী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। বিশেষ করে বাংলাদেশ আখ ফসলকে একটি খাদ্যশস্য হিসেবে স্বীকৃতি আদায়ে তিনি অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন। দেশকে চিনি ও গুড়ে স্বয়ংসম্পূর্ণ করার জন্য তিনি আমরণ প্রচেষ্টা চালিয়েছেন। একজন ইক্ষু বিজ্ঞানী হিসেবে তার অবদান এ দেশের কৃষকরা চিরদিন কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করবেন।
 
আখের ফলন ও চিনি আহরণের হার বৃদ্ধিকল্পে বিভিন্ন প্রযুক্তি উদ্ভাবনের সাথে মাঠপর্যায়ে বিস্তারের মাধ্যমে আখ আবাদকে লাভজনক করার জন্য তিনি সর্বদা সচেষ্ট ছিলেন। তিনি আখকে লাভজনক ফসল হিসেবে প্রতিষ্ঠার জন্য যুগান্তকারী প্রযুক্তি রোপা আখ চাষ (STP) এবং জোড়া সারি আখের সাথে একাধিক সাথী ফসল চাষের প্রযুক্তি উদ্ভাবনে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিলেন। গুড় ও চিনি শিল্প বিস্তারে তিনি সব সময় সচেষ্ট ছিলেন। তিনি বাংলাদেশের কৃষিবিদদের প্রথম সংগঠন ওল্ড বয়েজ অ্যাসোসিয়েশন এবং কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন। কৃষিবিদদের প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তা হিসেবে উন্নীতকরণে তার অগ্রণী ভূমিকা ছিল।  
 
২০০৬ সালে ১০ এপ্রিল সোমবার দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৬৫ বছর ৫ মাস বয়সে তিনি ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক পুত্র, তিন কন্যা ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। 
 
বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক (চলতি দায়িত্ব) ড. মো. আমজাদ হোসেন বলেন, তিনি আমাদের প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ছিলেন। কর্মজীবনে কৃষি গবেষণা তথা ইক্ষু গবেষণায় নিবেদিতপ্রাণ ছিলেন। বাংলাদেশের সকল কৃষি গবেষণা ও কৃষি উন্নয়নের ক্ষেত্রে তার আন্তরিক প্রচেষ্টা অনস্বীকার্য। 
 
মহাপরিচালক আরো জানান, আমরা তার অবদানের স্মরণে ‘কৃষিবিদ ইয়াসিন আলী প্রশিক্ষণ ভবন’ নামকরণ করেছি। ঠাকুরগাঁয়েও একটি কনফারেন্স রুম রয়েছে। আমি নিজে তার পরিচালক থাকারসময়ে সায়েন্টেফিক অফিসার পদে যোগদান করি। দীর্ঘদিন তার সাথে কাজ করার সুযোগ হয়েছিল আমার। 

এমএসএম / জামান

অর্পিত দায়িত্ব নিষ্ঠার সাথে পালনের প্রত্যয় পবিপ্রবির নবনিযুক্ত উপাচার্যের

নতুন বাজেটে কুবি শিক্ষার্থীদের মাথাপিছু বরাদ্দ ১ লাখ ২৩ হাজার টাকা

এইচএসসি-আলিম পরীক্ষার চূড়ান্ত কেন্দ্র তালিকা প্রকাশ

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন বাজেট পাবিপ্রবির

বিশ্বকাপ মিশন শুরুর আগেই উল্লাস, আকাশি-সাদায় মাতল কুবি ক্যাম্পাস

গবিতে শিক্ষার্থীদের দাবিতে পেছালো সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা

ঈদের ছুটি শেষে চিরচেনা রূপে ফিরছে কুবি, শূন্য ক্যাম্পাস পাচ্ছে পূর্ণতা

গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে মৌসুমি ফল উৎসব ও বৃক্ষরোপণ

পবিপ্রবিতে সুশাসন ও জবাবদিহিতার ওপর গুরুত্বারোপ উপাচার্যের

বিশ্ব পরিবেশ দিবসে বাকৃবিতে পরিবেশ সচেতনতা র‍্যালি

বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাকৃবিতে বিশ্ব দুগ্ধ দিবস উদযাপন

পবিপ্রবির নতুন ভিসি অধ্যাপক ড. এস এম হেমায়েত জাহানের যোগদান

বাকৃবিতে সামুদ্রিক ভূ-দুর্যোগ ও আধুনিক পর্যবেক্ষণ প্রযুক্তি বিষয়ক কর্মশালা