কাজে আসছে না রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের উচ্ছেদ অভিযান
প্রয়োজনীয় রক্ষণাবেক্ষণ ও কর্তৃপক্ষের অবহেলায় কাজে আসছেনা রেলওয়ের লাখ লাখ টাকা খরচ করে সম্পন্ন করা উচ্ছেদ অভিযান। একদিকে উচ্ছেদ সম্পন্ন হলেও তার কয়েক দিনের মাথায় সেই জমি পুণরায় দখলে নিয়ে যাচ্ছে ভূমিদস্যু সিন্ডিকেট। রেলওয়ের একাধিক দায়িত্বশীল কর্মকর্তার গাফিলতি ও প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ মদদেই এসব সাপ-লুডু খেলা চলছে বলে অভিযোগ উঠছে। তবে এবার এসব রক্ষা করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানালেন পুর্বাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী মো. আবু জাফর মিয়া।
জানা যায়, নানা নাটকীয়তার পর গত ২০ ও ২১ মার্চ নগরের কোতোয়ালী থানার গোয়ালপাড়া সংলগ্ন মাদকের হটস্পট খ্যাত তুলাতলি বস্তিতে অভিযান চালিয়ে প্রায় ৩ হাজার অবৈধ দখলদারকে উচ্ছেদ করে সাড়ে ৩ একর জায়গা উদ্ধার করেছে রেল কর্তৃপক্ষ। অভিযানে রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ২০ জন, কোতোয়ালী থানার অফিসার অপারেশনের নেতৃত্বে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের ১৪০ জন সদস্য সহযোগিতা করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের বিভাগীয় ভূ সম্পত্তি কর্মকর্তা মুহাম্মদ মাহাবুবুল করিম, বিভাগীয় বৈদ্যুতিক কর্মকর্তা শাকের আহমেদ, রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর কমান্ডেন্ট শফিকুর রহমান, সহকারী ভূ সম্পত্তি কর্মকর্তা মো. শহিদুজ্জামান প্রমুখ। কিন্তু উদ্ধার হওয়া এসব জায়গা পুণরায় দখলে নিতে ঘাপটি মেরে বসে আছেন একটি সিন্ডিকেট। যারা এখনো ওই জায়গার ওপর মালামাল রেখে অবস্থা বুঝার চেষ্টা করছেন। অনেকে আবার তাবু টাঙ্গিয়ে সামান্য দখলে নিয়েছেন পর্যায়ক্রমে পুরোটাই দখলে নেওয়ার পায়তারা করছেন বলে স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা জানান একটি প্রভাবশালী মাদক ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন যাবৎ জায়গাগুলো দখল করে বস্তি ঘর নির্মান করে ভাড়ায় লাগিয়ে ব্যবহার করত এবং এখানে একটি বিশাল মাদকের হাট গড়ে তুলেছিল। রেলের উচ্ছেদের পর অনেকেই তাদের জায়গা পাহাড়া দিয়ে আছেন পুণরায় ঘর নির্মাণ না করলেও মাদকের ব্যবসা চালাচ্ছেন ওপেন সিক্রেট ভাবেই। তবে তাদের হাবভাব দেখে মনে হয় যেকোন সময়ই তারা আবার দখলে যেতে চেষ্টা চালাচ্ছেন। এক্ষণি ফেন্সিং করে সংরক্ষিত এলাকা ঘোষণা পুর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিলে এসব জায়গা বেহাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
জানা যায়, নানা নাটকীয়তার পর গত ২০ ও ২১ মার্চ নগরের কোতোয়ালী থানার গোয়ালপাড়া সংলগ্ন মাদকের হটস্পট খ্যাত তুলাতলি বস্তিতে অভিযান চালিয়ে প্রায় ৩ হাজার অবৈধ দখলদারকে উচ্ছেদ করে সাড়ে ৩ একর জায়গা উদ্ধার করেছে রেল কর্তৃপক্ষ। অভিযানে রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ২০ জন, কোতোয়ালী থানার অফিসার অপারেশনের নেতৃত্বে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের ১৪০ জন সদস্য সহযোগিতা করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের বিভাগীয় ভূ সম্পত্তি কর্মকর্তা মুহাম্মদ মাহাবুবুল করিম, বিভাগীয় বৈদ্যুতিক কর্মকর্তা শাকের আহমেদ, রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর কমান্ডেন্ট শফিকুর রহমান, সহকারী ভূ সম্পত্তি কর্মকর্তা মো. শহিদুজ্জামান প্রমুখ। কিন্তু উদ্ধার হওয়া এসব জায়গা পুণরায় দখলে নিতে ঘাপটি মেরে বসে আছেন একটি সিন্ডিকেট। যারা এখনো ওই জায়গার ওপর মালামাল রেখে অবস্থা বুঝার চেষ্টা করছেন। অনেকে আবার তাবু টাঙ্গিয়ে সামান্য দখলে নিয়েছেন পর্যায়ক্রমে পুরোটাই দখলে নেওয়ার পায়তারা করছেন বলে স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা জানান একটি প্রভাবশালী মাদক ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন যাবৎ জায়গাগুলো দখল করে বস্তি ঘর নির্মান করে ভাড়ায় লাগিয়ে ব্যবহার করত এবং এখানে একটি বিশাল মাদকের হাট গড়ে তুলেছিল। রেলের উচ্ছেদের পর অনেকেই তাদের জায়গা পাহাড়া দিয়ে আছেন পুণরায় ঘর নির্মাণ না করলেও মাদকের ব্যবসা চালাচ্ছেন ওপেন সিক্রেট ভাবেই। তবে তাদের হাবভাব দেখে মনে হয় যেকোন সময়ই তারা আবার দখলে যেতে চেষ্টা চালাচ্ছেন। এক্ষণি ফেন্সিং করে সংরক্ষিত এলাকা ঘোষণা পুর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিলে এসব জায়গা বেহাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এর আগেও দফায় দফায় উচ্ছেদ করা হয়েছিল রাস্তার মাথা এলাকার জান আলী স্টেশনের বেশ কিছু দোকান- পাট কিন্তু উচ্ছেদ শেষ হতে না হতেই ওইসব জমি আবারো দখলে নিয়েছে সেই একই সিন্ডিকেট এমনকি দোকানের ওপর ভাড়া দেওয়া হইবে সাইনবোর্ড লাগিয়ে ভাড়ায় লগিয়ত করলেও কোন ব্যবস্থা নেয়নি কর্তৃপক্ষ। একইভাবে পাহাড়তলী এলাকায়ও অনেক জমি উচ্ছেদ করেছিল কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাও ধরে রাখতে পারেনি রেলওয়ে। স্থানীয় স্টেশন মাস্টার, আরএনবি সদস্য ও এস্টেট শাখার কতিপয় ব্যক্তি দখলদারের সাথে সখ্যতার অভিযোগ ওঠেছিল সেই সময়ে। যদিও পুবাঞ্চলের তৎকালীন প্রধান প্রকৌশলী সুবক্তগীণ সেই সময়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন বলে জানিয়েছিলেন কিন্তু কাজের কাজ কিছু হইনি।
রেলওয়ে পুর্বাঞ্চলের ভূসম্পত্তি অফিসের একটি সুত্র জানায় মূলত উচ্ছেদ পর্যন্তই এস্টেট শাখার দায়িত্ব তারা উচ্ছেদ করে প্রকৌশল বিভাগকে বুঝিয়ে দেয় পরবর্তী রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব প্রকৌশল বিভাগের।
উচ্ছেদ পরবর্তী রক্ষণাবেক্ষণের বিষয়টি স্বীকার করে রেলওয়ে পুর্বাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী মো. আবু জাফর মিয়া বলেন তুলাতলি বস্তিটি সম্প্রতি উচ্ছেদ করে আমাদের বুঝিয়ে দিয়েছে। এই জমিতে কোন প্রকল্প করার পরিকল্পনা আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন আপাতত এখানে কোন স্থাপনা করার পরিকল্পনা নেই তবে অবৈধ দখলদারদের অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে আমরা এটাকে ফেন্সিং করে সংরক্ষিত এলাকা ঘোষণা করাব যাতে এখানে কেউ প্রবেশ করতে না পারে। অবৈধ দখল ঠেকাতে যা করার দরকার তাই করা হবে। উচ্ছেদ হওয়ার পরে অন্যান্য এলাকায় পুণরায় দখল হওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন আমিতো নতুন এসেছি কোথায় কি সমস্যা আছে তা খোজ নিয়ে প্রয়োজনী ব্যবস্থা নিব।
এমএসএম / জামান
বাঘার নারায়নপুরে ইয়াবা-হিরোইনসহ যুবক গ্রেপ্তার, জামিনে বের হয়েই ফের মাদক ব্যবসা
শালিখায় ৫০টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ডাস্টবিন ও বৃক্ষচারা বিতরণ
লক্ষ্মীপুরে ভাড়া বাসায় ঢুকে মা ও দুই মেয়েকে কুপিয়ে হত্যা
বোদায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে অবহিতকরণ ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত
রৌমারীতে ১৫’শ কৃষকের মাঝে বিনামল্যে সার ও বীজ বিতরণ
পাঁচবিবি উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় এক সময়ের তুখোর ছাত্র নেতা আবু তাহের
মোহনগঞ্জ পৌরসভার বাজেট ঘোষণা
কুড়িগ্রামে ৩ লাখ ৩৩ হাজার শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যে সংবাদ সম্মেলন
দুই বছর ধরে পদ দখল করে আছে, চাকরি করেন টাঙ্গাইল বেতন তোলে রাণীনগর
কুড়িগ্রামে নদ নদীর পানি হ্রাস পেলেও শুরু হয়েছে নদী ভাঙ্গন
বাকেরগঞ্জে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, যৌতুকের দাবিতে বিষপান করিয়ে হত্যার অভিযোগ
বারহাট্টায় গাঁজা সেবনের দায়ে দুই যুবকের ১ মাসের কারাদণ্ড
আদালতের নির্দেশে দায়িত্বে ফিরলেন ইউপি চেয়ারম্যান সুজন
Link Copied