আক্কেলপুরে জয়িতাদের সফল হওয়ার গল্প
জীবনের সাথে সংগ্রাম করে, জীবনের কঠিণ বাস্তবতা মেনে নিয়ে, নিজে স্বাবলম্বী হওয়ার পাশাপাশি সমাজের জন্য যারা কল্যাণকর কিছু করেন তারাই জয়িতা। জয়পুরহাট জেলাধীন আক্কেলপুর উপজেলার এমনই ৪ জন জয়িতার জীবনযুদ্ধে জয়ের কিছু বাস্তব গল্প রয়েছে, যা অন্যদের প্রেরণার উৎস।
রোকেয়া বেগম : ১৯৭৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণের পর অতি অল্প বয়সে বিয়ে হয়। স্বামী রেলস্টেশনে পানি দেয়ার কাজ করতেন। পরবর্তীতে কাজ ছেড়ে বেকারত্ব দিন কাটাতেন। দুটি সন্তানের প্রম সন্তান প্রতিবন্ধী। স্বামীর বেকারত্বের কারণে সংসার চালানো দুরূহ হয়ে পড়ে। আর্থিক অনটনের কারণে অন্যের বাড়িতে কাজের পাশাপাশি কিস্তি উঠিয়ে স্বামীর জন্য দোকান করে দেন। পরবর্তীতে স্বামীর মৃত্যুর পর আবার নেমে আসে অভাব-অনটন, যে কারণে গ্রামে গ্রামে মুড়ি, মোয়া বিক্রি করতেন। বিক্রির উপার্জিত অর্থ থেকে ধান-চালের ব্যবসা শুরু করেন এবং পর্যায়ক্রমে ৪টি গরু ৩টি ছাগল কিনেন। অন্যের জমিতে নিজে ফসল রোপণ করে দিতেন ও তার গবাদিপশু বিক্রি করে আয়কৃত অর্থ দিয়ে সংসারকে অগ্রসর করে সন্তানের পড়ালেখাও চলমান রেখেছেন।
মোছা. মারুফা পারভীন : আক্কেলপুর পৌর এলাকার দরিদ্র ঘরে অভাব-অনটনে মানুষ হয়েছেন। পিতার জমি না থাকায় রাস্তার পাশে বসবাস। অনটনের কারণে ১৪ বছর বয়সে পরিবার থেকে বিয়ে দিলে এক সন্তান হওয়ার পর স্বামী তালাক দেয়ায় বাবার বাড়িতে ফিরে আসতে হয়। ফিরে আসার দুই মাস পরই সন্তান অসুস্থ হয়ে পড়ে। টাকার অভাবে চিকিৎসা করাতে না পারায় সন্তানটি মারা যায়। দরিদ্রতার কারণে অন্যের বাসায় কাজ করেন। এমন সময় হঠাৎ এক্রোমশিয়া রোগে আক্রান্ত হয়ে চোখ অন্ধ হয়ে যায়। দরিদ্র বাবা অন্যদের দারস্থ হয়ে চিকিৎসা করান। পরবর্তীতে ২-৩টি হাঁস-মুরগি থেকে আয় শুরু করে, অন্যের গরু-ছাগল লালন-পালন করেন এবং স্বামীর কাছ থেকে মোহরানা বাবদ প্রাপ্ত অর্থ দিয়ে খামার শুরূ করেন। এর মাধ্যমে স্বাবলম্বী হয়ে তিনি এখন ৫ শতাংশ জমি ও আধাপাকা ঘরের মালিক।
মোছা. জান্নাতুন ফেরদৌস : ১২ বছর বয়সে বিয়ে, ২০০৭ সালে স্বামীহারা। ৩ ছেলে-মেয়ে নিয়ে তার সংসার। অভাবের কারণে অনেকের কাছ থেকে সাহায্য নিয়ে ২ ছেলে-মেয়ের লেখাপড়া করিয়েছেন এবং ছোট ছেলের লেখাপড়া চলমান রয়েছে। অনেক কষ্টে ৪টি করে ২টি রুম ভাড়া দিয়ে সংসার খরচ চলছে। সেলাই মেশিনে কাজ শিখে উপার্জিত অর্থ দিয়ে তিনি এখন স্বাবলম্বী।
বন্দনা রানী বাগচী : গরিব ও অসহায় ব্রাহ্মণ পরিবারের মেয়ে ১৯৮৯ সারে বিয়ে হয়। এক সন্তান জন্মের পর ১৯৯৫ সালে স্বামী মারা যান। পরবর্তীতে বাবার বাড়িতে ফিরে এসে পশু-পাখি পালন করে সন্তানের লেখাপড়া চালিয়েছেন। পরবর্তীতে ডিসের টাকা আদায়সহ ব্র্যাকে কাজ করে এবং ঋণ নিয়ে সন্তানকে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান করে দিয়েছেন। এতে স্বাবলম্বী হয়েেএখন সমাজের জন্য বিভিন্ন কল্যাণমূলক কাজ করে যাচ্ছেন।
এমএসএম / জামান
সুবর্ণচর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি নব কমিটির পরিচিতি ও আলোচনা সভা
ভোলার গ্যাস বদলে দিতে পারে দেশের জ্বালানির ভবিষ্যৎ
মাছ ধরার ট্রলারে মিলল বিপুল পরিমাণ ভারতীয় শাড়ি-পাঞ্জাবি
পেকুয়ায় শহীদ ওয়াসিমের কবর জিয়ারত, রাশেদ খানের নানা প্রতিশ্রুতি
টঙ্গীতে অপরাধীদের আতঙ্ক ওসি মাকছুদুল আলম, ৪০ দিনে গ্রেপ্তার ৪১৯
ডামুড্যায় নিখোঁজের ৬ ঘণ্টা পর শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, বাড়িতে আগুন
অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ স্পেশালাইজড ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতাল বিষয়ে এক মতবিনিময় সভা
ফেনীতে এশিয়ান মেধা উন্নয়ন বৃত্তি ও সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠিত
রায়পুরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার: বিদ্রোহী প্রার্থীদের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি
রায়গঞ্জে চালকল নিয়ে শঙ্কা, বিপাকে মিল মালিক-শ্রমিক
মিরসরাইয়ে ভূমি জবর দখলের প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন
টঙ্গীতে প্রশাসক গোল্ডকাপ ২০২৬ অনুষ্ঠিত : হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে বাসনকে হারিয়ে টঙ্গীর জয়