রাত পোহালেই ভোটযুদ্ধ, স্মরণকালের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভাঁড়ারায়
নানা শঙ্কা ও আতঙ্কের মধ্যেও সব প্রস্তুতি শেষ। এখন শুধু রাত পোহানোর অপেক্ষা। রাতটুকু পোহালেই দেশব্যাপী আলোচিত পাবনা সদর উপজেলার ভাঁড়ারা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হবে। আগামীকাল বুধবার (১৫ জুন) সকাল ৮টা থেকে ব্যালট পেপারে শুরু হবে ভোটগ্রহণ, বিরতিহীনভাবে চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।
গত ডিসেম্বরে প্রচারণাকালে এক চেয়ারম্যান প্রার্থী নিহতের ঘটনায় দেশব্যাপী আলোচনায় আসে ইউনিয়নটি। ফলে এবার ভাঁড়ারার দিকে তাকিয়ে পাবনাবাসীসহ গোটা দেশ। তাই অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দিতে প্রস্তুত নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসন। স্মরণকালের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে গোটা ভাঁড়ারা ইউনিয়নজুড়ে।
আতঙ্কের জনপদ খ্যাত এই ইউপিতে ৩৮ হাজার ২৫৭ জন ভোটারের মধ্যে নারী ভোটার ১৮ হাজার ২৯৩ জন এবং পুরুষ ভোটার ১৯ হাজার ৯৬৪ জন। চেয়ারম্যান পদে প্রতিদন্দ্বিতা করছেন দুজন প্রার্থী। ৯টি সাধারণ ও ৩টি সংরক্ষিত নারী সদস্যপদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৫৩ জন। এর মধ্য নারী সদস্য পদে ১৩ জন এবং পুরুষ সদস্য পদে ৪০ জন প্রার্থী। এই ইউনিয়নে ভোট কেন্দ্র রয়েছে ১৬টি, বুথ রয়েছে ১০৪টি। সবগুলো কেন্দ্রকেই ঝুঁকিপূর্ণ ধরে প্রতিটি কেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য নিয়োজিত থাকবেন ১৪ জন করে।
পাবনার পুলিশ সুপারের তদারকিতে শুধুমাত্র এই ইউনিয়নেই দায়িত্ব পালন করবে ৪ জন এডিশনাল এসপির নেতৃত্বে ৪টি সেক্টর টিম। ২ প্লাটুন বিজিবি, র্যাবের ২টি টিম, ফায়ার সার্ভিসের ২টি টিম, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ১১ জন, ১ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, মোবাইল টিম ১৬টি, স্ট্রাইকিং ফোর্স ৮টি, চেকপোস্ট ৪টা, সিটিইউটি টিম থাকবে ২টা। এছাড়াও ১২ জনের একটি রিজার্ভ টিম রাখা হয়েছে। সবমিলিয়ে ৫ শতাধিক আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্য এই নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করবেন।
পাবনা সদর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও দায়িত্বপপ্রাপ্ত রিটার্নিং কর্মকর্তা কায়সার আহমেদ বলেন, নির্বাচনটি শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু করতে আমরা ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছি। এর আগে একটি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের জন্য এতো নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়নি। বলতে গেলে ৩-৪টি ইউনিয়ন পরিষদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সাজানো হয়েছে শুধু এই ইউনিয়ন ঘিরে।
পাবনা পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ মহিবুল ইসলাম খান বলেন, নির্বাচন অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করতে আমরা সব ধরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। পুলিশের পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনকে সব ধরণে সহযোগিতা করা হবে। কেউ বিশৃঙ্খলার চেষ্টা করলে বিন্দুমাত্র ছাড় দেয়া হবে না। নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে শেষ করতে যা যা করণীয় তাই তাই করবে প্রশাসন।
উল্লেখ্য, গত বছরের ১১ ডিসেম্বর নির্বাচনী প্রচারণার সময় পাবনা সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী আবু সাঈদ খান (৫২) ওরফে সাঈদ চেয়ারম্যানের সঙ্গে সংঘর্ষে আরেক চেয়ারম্যান প্রার্থী ইয়াসিন আলম (৩৫) নিহত হন। এঘটনায় ওই বছরের ২৬ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিতব্য ভাঁড়ারা ইউনিয়ন পরিষদের সব ( চেয়ারম্যান, সংরক্ষিত ওয়ার্ড সদস্য, সাধারণ ওয়ার্ড সদস্য) পদের নির্বাচন স্থগিত করে নির্বাচন কমিশন। পরে গত ২৮ এপ্রিল নির্বাচন কমিশন থেকে ১৫ জুন ভোটগ্রণের তারিখ নির্ধারণ করে তফসিল ঘোষণা করা হয়।
এমএসএম / জামান
নোয়াখালীর কবিরহাটে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ
ঘোড়াঘাটে দাদী হত্যায় জড়িত নাতীসহ গ্রেফতার-৩
উল্লাপাড়ায় ১২’শ লিটার ডিজেল জব্দ
পটুয়াখালীতে কালেক্টেরেট স্কুল এন্ড কলেজের গেট ভেঙে পড়ে শিক্ষার্থী আহত
মাদারীপুরে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস উদযাপন
মধুখালীতে ছায়া সংসদে বিতর্ক উৎসবে বিজয়ী দল সরকারি আইনউদ্দীন কলেজ
ভূরুঙ্গামারীতে চিকিৎসকের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও রাহাজানি:সংবাদ সম্মেলনে প্রতিবাদ, থানায় অভিযোগ
কুমিল্লায় ভারী বৃষ্টিতে সড়কে হাঁটুপানি, ভোগান্তিতে নগরবাসী
গ্লোবাল অ্যাকশন সপ্তাহ উপলক্ষে আমঝুপিতে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ
নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে মেহেরপুরে ফ্যামিলি সমাবেশ অনুষ্ঠিত
বাঁশখালীতে লোকালয়ে ইটভাটা, আইন লংঘনের দায়ে ২ লাখ টাকা জরিমানা
টাঙ্গাইলে বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস উদযাপন