ঢাকা মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬

বাউফলের আলোচিত চেয়ারম্যান শাহিন হাওলাদার সাময়িক বরখাস্ত


বাউফল প্রতিনিধি  photo বাউফল প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২৯-৬-২০২১ বিকাল ৭:২২
পটুয়াখালীর বাউফলে প্রেমের সম্পর্কের ঘটনার সালিশ বৈঠকে অসহায় পরিবারের কিশোরীকে জোরপূর্বক বিয়ে করার অপরাধে উপজেলার কনকদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহিন হাওলাদারকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। গতকাল সোমবার (২৮ জুন) রাতে স্থানীয় সরকার বিভাগের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
 
এতে বলা হয়, পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার ৬ নং কনকদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো: শাহিন হাওলাদার সালিশ করতে গিয়ে ক্ষমতার অপব্যবহার করে মোসা. নাজনিন আক্তার নামে এক অপ্রাপ্ত বয়স্ক (১৪ বছর ২মাস ১৪দিন) কিশোরীকে বিয়ে করায় স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন ২০০৯ এর ৩৪ (৪)(ঘ) ধারার অপরাধ সংঘটিত করায় তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। কেন তাকে চূড়ান্তভাবে অপসারন করা হবে না তা পত্র প্রাপ্তির ১০ কার্যদিবসের মধ্যে তার জবাব সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার বিভাগে প্রেরণের  নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
 
উল্লেখ্য, প্রেমের সম্পর্কের ঘটনার সালিশ বৈঠকে ওই আলোচিত ইউপি চেয়ারম্যান শাহিন হাওলাদার কিশোরীকে জোরপূর্বক বিয়ে করা, তালাক নেয়া নিয়ে এলাকায় ব্যাপক তোলপাড় শুরু হলে পারিবারিক ও সামাজিক কারনে বিয়ের একদিন পর গত শনিবার সন্ধায় কাজী ডেকে নাজনিনের কাছ থেকে তালাকনামা রাখেন এবং পরের দিন রবিবার নাজনিনের প্রেমিক রমজানের সাথে একই কাজী দিয়ে বিবাহ দেওয়া হয়।এ বিষয় বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন নজরে নিয়ে গত রবিবার (২৭জুন) বিচারপতি ফারাহ মাহাবুব ও বিচারপতি এস এম মনিরুজ্জামানের ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ জেলা প্রশাসক ও পিবিআইকে তদন্ত করে রিপোট দেয়ার জন্য রুলসহ একটি আদেশ জারি করেন।
 
বাউফল উপজেলা কর্মকর্তা জাকির হোসেনের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, এ বিষয়ে কোনো কাগজপত্র হাতে পাননি। গত সোমবার (২৮ জুন) সকালে প্রেমিক যুবক রমজান হাওলাদারের বড় ভাই হাফেজ মো. আল ইমরান বাদী হয়ে তালাক নেয়া এবং প্রেমিক যুবককে মারধরের ঘটনায় অভিযুক্ত কনকদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহিন হাওলাদারসহ আরও ৬ জনের নাম উল্লেখ করে পটুয়াখালী সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দ্বিতীয় আমলী আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। 
 
মামলার আইনজীবী অ্যাড. মো. আল আমিন সাংবাদিকদের জানান, অভিযুক্ত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তার ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন। প্রথমত তিনি কন্যা নাবালিকা জেনেও জোরপূর্বক তাকে বিয়ে করেন এবং রমজান হাওলাদারকে হত্যার উদ্দেশ্যে মারধর করে এবং বিষ খাইয়ে হত্যার চেষ্টা চালান। এসব ঘটনা বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়ার পর কৌশলে চেয়ারম্যান তালাক নামা সৃষ্টি করেন। মামলায় চেয়ারম্যান সহ তার ৫ সহযোগী এবং নিকাহ রেজিষ্ট্রার মাওলানা মো. আইয়ুবকে আসামি করা হয়েছে। আদালতে কিশোরী কন্যা নাজমিন আক্তারের (১৫) জন্ম সনদ এবং রমজান হাওলাদারের চিকিৎসা সংক্রান্ত কাগজপত্র উপস্থাপন করা হয়েছে।  
 
তিনি আরো বলেন, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট দ্বিতীয় আমলী আদালতের বিচারক মো. জামাল হোসেনের আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে জেলা পিবিআই প্রধানকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নির্দেশ দিয়েছে। 

এমএসএম / জামান

সুন্নী ওলামা মাশায়েখ পরিষদের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও শাহাদাতে কারবালার তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভা

নানা আয়োজনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

জয়পুরহাটে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা

টাঙ্গাইল পৌরসভার উদ্যোগে ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশক নিধন অভিযান

মাদ্রাসা ছাত্রী ধর্ষণের দায়ে ধর্ষকের মৃত্যুদণ্ড

নেত্রকোণায় তিন উপজেলা ও তিন পৌর শাখার ছাত্রদলের নতুন আংশিক কমিটি অনুমোদন

বাগেরহাটের মোল্লহাটে তুচ্ছ ঘটনায় ছুরিকাঘাতে কৃষক নিহত

অভয়নগরে প্রথম জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপন

বিলাইছড়িতে জনপ্রতিনিধি ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করলেন ইউএনও মো. জাকির হোসেন

মোহনগঞ্জে পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপন

শালিখায় জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপিত

মান্দায় জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত

রাজনগরে স্ত্রীকে হত্যা করে মাটিতে পুঁতে রাখার অভিযোগে স্বামী গ্রেফতার