ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ঠ জুড়ীর জনজীবন
মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলায় তীব্র তাপপ্রবাহে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। রোদ আর ভ্যাপসা গরমে সাধারণ ও কর্মজীবী মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। এতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে শিশু ও বয়স্কদের। এ অবস্থায় জ্বর-সর্দি ও ডায়রিয়াসহ দেখা দিয়েছে বিভিন্ন রোগের প্রকোপ। ফলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ ডাক্তারদের চেম্বারে বেড়েছে রোগীদের ভিড়। শনিবার (১৬ জুলাই) বিকেল পর্যন্ত তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৬.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এই তাপমাত্রা আরও ২-৩ দিন অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়া অধিদপ্তর।
এ বছর জুড়ী উপজেলায় গত কয়েক দিন যাবৎ সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকায় তীব্র গরমে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জনজীবন। একটু প্রশান্তির জন্য লেবুর ঠাণ্ডা শরবত পান করছে সাধারণ মানুষ। গাছের ছায়া কিংবা শীতল কোনো স্থানে ছুটতে দেখা গেছে অনেককে।
রিকসাচালক গোলাপ মিয়া বলেন, বন্যার কারণে অনেক দিন রিকসা চালাতে পারিনি। এখন আবার তীব্র গরমে রিকশা নিয়ে বের হয়ে মহাবিপদে পড়েছি। যাত্রীও নাই ভাড়াও নাই। তাই একটু পর পর রিকসা বন্ধ করে ছায়ায় আশ্রয় নিচ্ছি।থ
পথচারী আবুল কালাম বলেন, ভ্যাপসা গরমে বাজার করতে এসে বাজার না করেই বাড়ি ফিরতে ইচ্ছে করছে। সূর্য উঠার পর থেকে রোদের তাপ অনেক বেড়ে গেছে। রোদের তাপে বের হওয়া বড়ই দুষ্কর।
এদিকে, তাপপ্রবাহ বেড়ে যাওয়ায় বেড়েছে ঠাণ্ড পানীয়র চাহিদা। ফুটপাথসহ বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করা লেবুর শরবত, আখের রস ও ফলমূল কিনে খাচ্ছেন অনেকে। একই সঙ্গে চাহিদা বেড়েছে ডাব ও কোমল পানীয়র।
উপজেলা চত্বরের কনফেকশনারি দোকানদার মিজানুর রহমান জানান, তীব্র গরমে আইসক্রিমসহ কোমল পানীয় চলছে দেদার। এছাড়া শহরের ইলেক্ট্রনিক্স দোকানগুলোতে পাখা বিক্রির ধুম পড়েছে।
আলাপকালে শরবত বিক্রেতা সেলিম মিয়া বলেন, তীব্র গরমে সারাদিন শরবত বানাতে ব্যস্ত থাকতে হয়। আগে প্রতিদিন ২০০-৩০০ গ্লাস বিক্রি হলেও অতিরিক্ত গরমের কারণে এখন প্রতিদিন ৫০০-৬০০ গ্লাস শরবত বিক্রি হয়। এতে প্রতিদিন ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা বিক্রি করতে পারি।
জানা যায়, আষাঢ় মাসে চলছে তাপপ্রবাহ। ভরা বর্ষা মৌসুমের মধ্যভাগে এসেও চৈত্র-বৈশাখের মতো ভ্যাপসা গরমে নাকাল মানুষ। এদিকে গত কয়েক দিন ধরে দেখা গেছে, দিন রাত-সমানতালে গরমের দাপট। তবে মাঝে মধ্যে সন্ধ্যায় পর হালকা বৃষ্টি হচ্ছে। অস্বাভাবিক তাপপ্রবাহের কারণে অধিকাংশ ঘরে জ্বর,সর্দি-কাশি, শ্বাসকষ্ট, চর্মরোগ, ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন রোগব্যাধি ছড়িয়ে পড়ছে। এতে ডাক্তারের চেম্বারে রোগি বাড়ার পাশাপাশি ফার্মেসি গুলোতে প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধের চাহিদা বেড়েছে কয়েক গুণ। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্ক লোকজন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে বেশি। হঠাৎ করে এ রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ায় লোকজন পড়েছেন মহা টেনশনে। এদিকে এমন অবস্থায় খেটে খাওয়া দিনমজুর লোকজন পড়েছেন বেকায়দায়। তারা কোনো কাজকর্ম করতে পারছেন না ঠিকমতো।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সমরজিৎ সিংহ বলেন, বন্যার পানি কমতে শুরু করায় এবং অতিরিক্ত গরমের কারণে চারদিকে নানা রোগের দেখা দিয়েছে। এতে হাসপাতালে বেড়েছে রোগির সংখ্যা। বিশেষ করে বর্তমানে ঘরে ঘরে জ্বর দেখা দিয়েছে। এতে আতংকিত হওয়ার কিছু নেই। শিশু এবং বয়স্কসহ সবাইকে প্রচুর পানি পান করতে হবে, কেউ আক্রান্ত হলে প্যারাসিটামল জাতিয় ঔষধ ৬/৮ ঘন্টা পর পর খাওয়া যেতে পারে। এতেও সুস্থ্য না হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া অফিসের সিনিয়র অবজারবেশন অফিসার আনিসুর রহমান জানান, গত ৩/৪ দিন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের উপরে। এসময় তিনি আরো বলেন, এই তাপমাত্রা আরও ২/৩ দিন অব্যাহত থাকবে।
জামান / জামান
ঘন কুয়াশা ও শৈত্যপ্রবাহে স্থবির কুড়িগ্রামের জনজীবন
রাষ্ট্রীয় শোক দিবস পালনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে সাভারে অবস্থিত ভিসন গ্রুপের ১লা জানুয়ারি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পালন
বারহাট্টার বাজারে শীতকালীন সবজি এলেও চড়া দামে হতাশ ক্রেতারা
দোহাজারী রেলস্টেশনে প্রান্তিক কৃষকদের কৃষিপণ্য পরিবহনে লাগেজ কোচ চলাচলের উদ্বোধন
কেশবপুরে কালিয়ারই এস.বি.এল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের নতুন বই বিতরণ
জনজীবন চরম দুর্ভোগ: তাপমাত্রা নেমেছে ৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে
তাড়াশে বেগম জিয়ার আত্মার শান্তি কামনা করে প্রার্থনা
তারাগঞ্জে আলহাজ্ব আতিয়ার রহমানের জানাজা অনুষ্ঠিত
কুতুবদিয়ায় গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা, ঘাতক আটক
বেগম খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিলেন বিএনপি ও জিয়া পরিষদ নেতা অধ্যাপক বি.এম নাগিব হোসেন
ভূরুঙ্গামারীতে বিএনপির উদ্যোগে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি
তানোর ও গোদাগাড়ীতে টমেটোর ফলন বিপর্যয়, কৃষকের মাথায় হাত