ভুয়া কাগজ তৈরি করে রেলের জমি আত্মসাতের চেষ্টা করে নিজেই দিলেন মিথ্যা অভিযোগ
ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে রেলওয়ে পুর্বাঞ্চলের জমি আত্মসাৎ করার চেষ্টা করেছে একটি সংঘবদ্ধ চক্র। এই চক্রের মুলহোতা নিজেই জালিয়াতির মাধ্যমে ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে রেলের সম্পত্তি আত্মসাৎ করার চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে রেলের কর্মকর্তাদের নামে কুৎসা রটাতে গত ৩ আগস্ট চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত দুর্নীতি দমন কমিশনের গণশুনানীতে নগরীর মৌসুমী আবাসিক এলাকার মৃত মহসিন মিয়ার পুত্র মো. ফয়েজ আহম্মদ মিয়ার একটি অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে এসব জালিয়াতির বিষয়গুলো ধরা পড়ে।
রেলওয়ে পুর্বাঞ্চলের ভূসম্পত্তি অফিসের তদন্ত প্রতিবেদন ও আদালতের মামলা সুত্রে জানা গেছে জৈনক মো. ফয়েজ আহম্মদ মিয়া বাংলাদেশ রেলওয়ের কোন বৈধ লীজ গ্রহিতা না হয়েও প্রতারণার মাধ্যমে বিভিন্ন লোকের কাছ থেকে রেলের কর্মকর্তা-কর্মচারীর নাম দিয়ে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন এই অর্থ হালাল করতে মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে তার দায় লেল কর্মচারীর উপর চাপাতে চেষ্টা করছেন। তার দাবী করা বৈধ বাণিজ্যিক লাইসেন্স নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করার কোন দালিলিক তথ্য লেলওয়ের ভূসম্পত্তি বিভাগে নেই। রেলের ২ জন ব্যক্তির যোগসাজশে বৈধ দোকানঘর ভাংচুর , লুটতরাজের মাধ্যমে তাঁকে সরিয়ে দিয়ে অন্য ব্যক্তিকে দখল দেওয়া, তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করে হয়রানি এবং তাঁকে বাংলাদেশ রেলওয়ের ভুয়া লীজের কাগজপত্র দিয়ে তাঁর কাছ থেকে ৭৫ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগটি সঠিক নয় বলে তদন্ত প্রতিবেদন দিয়েছে রেলেওয়ে পুর্বাঞ্চলের বিভাগীয় ভূসম্পত্তি কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান।
তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে নথি পর্যালোচনায় দেখা যায় , একই বিষয়ে ইতোপূর্বে কয়েকবার অভিযোগ হয়েছে । উত্থাপিত অভিযোগের সংলগ্নিতে দেওয়া ৩ টি লাইসেন্সের ছায়ালিপি ব্যবহৃত নথির নাম্বার এবং স্মারক এ কার্যালয়ের নথি এবং স্মারকের সাথে মিল নেই । এ কার্যালয়ের লাইসেন্স রেজিস্টার পর্যালোচনায় দেখা যায় , ইতোপূর্বে এ ধরনের কোন লাইসেন্স ইস্যু করা হয়নি। অর্থাৎ প্রাপ্ত তিনটি লাইসেন্সের ছায়ালিপি জাল। প্রকৃতপক্ষে ফয়েজ আহম্মদ মিয়া আগ্রাবাদ ডেবার পাড়ে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের কোয়ার্টারে (বাসা নং জে / ১২১ / এ) অবৈধভাবে বসবাস/দোকানঘর পরিচালনা করতেন। বন্দর কর্তৃপক্ষ কোয়ার্টারটি তাদের কর্মচারী মোতাহার হোসেনের নামে বরাদ্দ প্রদান করেছিল । তিনি মৃত্যুবরণ করায় বাসাটি বন্দর কর্তৃপক্ষের কর্মচারী মো. আবদুল ওয়াহাব নিবস এর নামে ১২ মে ২০১৬ খ্রিঃ তারিখ বরাদ্দ প্রদান করে। পরবর্তীতে এটি বন্দর বিভাগের কর্মচারী মনজুর মোর্শেদ লঙ্কর / হাউছার , বোট ৪ এর অনুকূলে ৩ জানুয়ারী ২০২১ তারিখে দপ্তরাদেশ নং ০৪/২০২০ মূলে বরাদ্দ প্রদান করা হয়। বর্তমানে পরিবার পরিজন নিয়ে তিনি উক্ত বাসায় বসবাস করছেন । কাজেই তাঁর বৈধ দোকানঘর ভাংচুর , লুটতরাজের মাধ্যমে তাঁকে সরিয়ে দিয়ে অন্য ব্যক্তিকে দখল দেওয়ার অভিযোগটি সঠিক নয়।
উদ্বুদ দ্বন্দ্বের জেরে নুরুল হক ভূঁইয়া বাদী হয়ে দন্ডবিধি ১৮৬০ এর ৪৬৮/৪৭১/৪০৬/৪২০/৩৪ ধারায় মো. জাহাঙ্গীর আলম, মো. হারুনুর রশদ ও মো. ফয়েজ আহম্মদ মিয়াকে বিবাদী করে সিএমএম আদালতে সিআর মামলা নং ২৯/২০১৯ দায়ের করেন। এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা লিটন দেওয়ান মামলার বিবাদীদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা আছে মর্মে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন।
তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে এই জাল কপিসমূহে ইস্যু তারিখ দেখানো হয়েছে ২০/০৩/২০০৬, ০৪/০৬/২০০৬ এবং ১৮/০৬/২০০৬ খ্রিঃ। ঐ সময়ে অভিযুক্ত দুই ব্যক্তির কেউই ওই দফতরে কর্মরত ছিলেন না। তাদের একজন যোগ দেন ৬ ডিসেম্বর ২০০৭ ও অন্যজন যোগদান করেন ৮ মে ২০১৩ তারিখে। কাজেই বাংলাদেশ রেলওয়ের ভুয়া লীজের কাগজপত্র প্রদান করে ৭৫ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগটি সঠিক নয়।
এমএসএম / এমএসএম
রাজস্থলীতে ভূমি অধিগ্রহনের খতিগ্রস্থ দের মাঝে ৬জনকে চেক বিতরণ
মাসুদ রানা দরিদ্রদের বিনামূল্যে দিলেন ৪০ টি ব্যাটারিচালিত অটোভ্যান
কুড়িপাড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ , নেতৃত্বে তহসিলদার মফিজুল
হাতিয়ায় একটি পরিবারে মা মানসিক রোগী ও ছেলে জন্মগত প্রতিবন্ধী হওয়ায় চলছে তাদের দুর্বিষহ জীবন
খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় কুমিল্লায় দোয়া মোনাজাত
বাংলাদেশ রেলওয়ে: ঘুষ ছাড়া স্বাক্ষর করেন না ডিআরএম
রাজস্থলীতে ভূমি অধিগ্রহনের খতিগ্রস্থ দের মাঝে ৬জনকে চেক বিতরণ
সোনাগাজীতে অবৈধভাবে ফসলি জমির মাটি কাটার অভিযোগে দুই ব্যাক্তির সাজা
কুমিল্লায় ধর্মরক্ষিত মহাথের’র ৫ম মৃত্যু বার্ষিকীতে স্মরণ সভা ও কনকস্তূপ বৌদ্ধ বিহার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন
অবৈধ কয়লা উৎপাদনের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান, গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ৭৪টি চুল্লি
শীতে কাঁপছে দেশ" বীজতলা নিয়ে শঙ্কায় কৃষক
বিএনপির প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিলের আবেদন করলেন দলের আরেক প্রার্থী!