ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক্স কোম্পানি চট্টগ্রামে কর্মচারীদের হয়রানি ও নির্যাতনের অভিযোগ
ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক্স কোং (আকাই ব্রান্ড) লি. এ অধীনস্থ ইলেকট্রনিক্স সিটি শোরুমে এ দীর্ঘ ১৮ বৎসর চাকুরী করে ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত, আর্থিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে সর্বস্ব হারিয়ে উল্টো কোম্পানী কর্তৃক জোর পূর্বক চাকুরীচ্যুত, মিথ্যা মামলা ও হয়রানির শিকার থেকে রেহাই ও ন্যায্য পাওনা ফিরে পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের এস. রহমান হলে ১৬ আগস্ট সকাল ১১টায় সংবাদ সম্মেলন করেছেন ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক্স কোং (আকাই ব্রান্ড) লি: দ্বারা নির্যাতিত ও আর্থিক ক্ষতিগ্রস্ত কর্মচারী ঐক্য পরিষদ। তাদের দাবী আদায় সহ কোম্পানী কর্তৃক হয়রানী থেকে রক্ষার দাবীতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মো: তসলিম উদ্দীন ব্রাঞ্চ ম্যানেজার, মৌলভী পুকুর পাড়। এতে উপস্থতি ছিলেন ক্ষতিগ্রস্ত ভুক্তভোগীগণ মিসেস ইয়াসমিন আক্তার, ব্রাঞ্চ ম্যানেজার, এফডিবি ব্রাঞ্চ, দাগনভূঁইয়া, ফেনী; আবু জর প্রকাশ আবদুল গাফ্ফার, ব্রাঞ্চ ম্যানেজার, সিটি গেইট শাখা, পাহাড়তলী; রনি বড়ুয়া, ব্রাঞ্চ ম্যানেজার বহদ্দারহাট ব্রাঞ্চ; মো. বোরহান উদ্দিন, ব্রাঞ্চ ম্যানেজার, চকরিয়া, কক্সবাজার; মো. রিয়াদ উদ্দিন রকি, ব্রাঞ্চ ম্যানেজার, চৌমুহনী, নোয়াখালী; আপেল মাহমুদ, ব্রাঞ্চ ম্যানেজার, রায়পুর, লক্ষ্মীপুর শাখা। এসময়ে লিখিত বক্তব্যে ভুক্তভোগীরা বলেন, ইনচার্জগণ ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক্স কোং (আকাই ব্রান্ড) লি:-এর প্রায় ব্যবসায়িক যাত্রার শুরুর দিকে বিগত ২০০৪ থেকে ২০০৫ সালের মধ্য বিশ^স্ত সূত্রে খবর পেয়ে অত্র কোম্পানিতে চাকরিতে যোগদান করি। নিয়োগ পত্রের শর্ত অনুযায়ী প্রতি জন ব্রাঞ্চ ম্যানেজার ৩, ৫ ও ৮ লাখ টাকা করে জামানত প্রদান করেন এবং ব্লাঙ্ক চেক ও ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প নেন কোম্পানি। উক্ত টাকা কোম্পানি কর্তৃক লভাংশসহ অবশ্যই ফেরত প্রদানের আশ^াস দেওয়া হয়েছিল। ধারাবাহিকভাবে এই কোম্পানি কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল। উল্লেখ্য কোম্পানিটি বিগত ২০০৪ সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত প্রায় ৫০০ কোটি টাকার ব্যবসা করে সারাদেশে এবং যথারীতি বিক্রয় লব্দ টাকা কোম্পানির তিনটি ব্যাংক হিসাবে জমা করা হয়। কোম্পানি নীতি থেকে সরে এসে অতি মুনাফার লোভে নিম্নমানের ও অচল, নকল ইলেকট্টনিক্সসামগ্রী বাজারজাত করতে শুরু করে। এতে আমরা প্রতিবাদ জানালেও কর্তৃপক্ষ কোন ধরনের কর্ণপাত করেনি। বরং চাকরিচ্যুত করার হুমকি দিতে থাকে। চাকরি হারানোর ভয়ে আমরা মুখ বুঝে সহ্য করি। এর প্রেক্ষিতে মার্কেটে দুর্নাম ছড়ায় ও গ্রাহক ঠকেছে বুঝতে পেরে কিস্তির টাকা বন্ধ করে দেয় ও পণ্য ফেরত নিয়ে আসে। এরই প্রেক্ষিতে ২০১৭ সাল থেকে কোম্পানির একজন সাধারণ কর্মকর্তা তারিকুল ইসলামকে দিয়ে বিভিন্ন ডিপো ও শাখাসমূহ মনগড়া অডিট করায়। প্রকৃতপক্ষে সে (তারিকুল ইসলাম) কোন চার্টার্ড একাউন্ট নয় এবং অডিট বিষয়ে তার ন্যূনতম ধারণা নেই। যেহেতু কোম্পানীর পলিসি অনুযায়ী প্রতিটি শাখায় ক্যাশ-বাকি ও কিস্থিতে পণ্য বিক্রয় হত তাই মার্কেটে সুনির্দিষ্ট কিছু পার্টির নিকট বকেয়া থেকে যায়। উল্লেখিত বকেয়া টাকাসমূহের বিপরীতে ও স্টক পণ্যের তালিকায় শাখা ইনচার্জের নিকট থেকে স্বাক্ষর আদায় করে। ২০২০ সালে কোম্পানির এমডি ও তার দোসরা নীলনকশা বাস্তবায়নের সুযোগ পায়। বৈশি^ক করোনা মহামারি তথা আমাদের দেশে করোনার প্রকোপ বাড়াতে দোকানপাট মার্কেটসমূহ বন্ধ থাকায় ও বেচাবিক্রি কম হওয়ার অজুহাতে শাখা ম্যানেজারদের বিনা নোটিশে ছাটাই শুরু করে দেয়। পুনরায় ওই তারিকুল ইসলামকে দিয়ে বিভিন্ন ডিপো ও শাখাসমূহ মনগড়া অডিট করায় এবং এতে সুনির্দিষ্টভাবে শাখা ম্যানেজারদের উপর দেনার দায় চাপায় ও শাখা ম্যানেজারদের চাকরিচ্যুত করে। এতে আমরা হতাশ, হতভম্ব ও বাকরুদ্ধ হই। কিন্ত চাকরিতে নিয়োগকালীন সময়ে জমা নেওয়া প্রতিজনের জামানতের টাকা ফেরত প্রদান না করে উল্টো কোম্পানির টাকা আত্মসাৎ করেছি মর্মে আমাদের নোটিশ প্রদান করে । এছাড়াও প্রত্যেকটি ম্যানেজারদের ব্যক্তিগত ইন্সুরেন্স করিয়ে দেয় কোম্পানি। উক্ত ইন্সুরেন্সে ম্যানেজার ইনসেন্টিভ বাবদ প্রাপ্য টাকা থেকে ২০০-৪০০ টাকা প্রতি মাসে ইন্সুরেন্সের কিস্তির জন্য কেটে নেয়া হতো। কিন্তু ঐ ইন্সুরেন্সে বর্তমানে ম্যানেজাররা কোন রকম বিমা দাবি করতে না পারে মত ভুয়া মামলার কপি দিয়ে ইন্সুরেন্সের দাবি আদায় বন্ধ করে দেয়। এক্ষেত্রে ব্রাঞ্চ ম্যানেজাররা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাতে আমাদের মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়ে। একপর্যায়ে আমরা আমাদরে ন্যায্য পাওনা ও জামানতসমূহ ফেরত চাইলে আমাদের নামে বিভিন্ন আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করে। একদিকে করোনাকালীন সময়ে আমরা বেকার হয়ে পড়ি অন্যদিকে মামলার হুলিয়া কাঁধে নিয়ে অসহায় নির্যাতিত অবস্থায় অতি কষ্টে পরিবার পরিজন নিয়ে দিন যাপন করি। আমাদের উপর মিথ্যা মামলার বোঝা চাপানো ও ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত করার বিষয়ে আইনি সহায়তা পেতে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন মহল ও সংশ্লিষ্ট মহলের নিকট আকুতি ও বিনীত আহ্বান জানাচ্ছি।
এমএসএম / এমএসএম
রাজস্থলীতে ভূমি অধিগ্রহনের খতিগ্রস্থ দের মাঝে ৬জনকে চেক বিতরণ
মাসুদ রানা দরিদ্রদের বিনামূল্যে দিলেন ৪০ টি ব্যাটারিচালিত অটোভ্যান
কুড়িপাড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ , নেতৃত্বে তহসিলদার মফিজুল
হাতিয়ায় একটি পরিবারে মা মানসিক রোগী ও ছেলে জন্মগত প্রতিবন্ধী হওয়ায় চলছে তাদের দুর্বিষহ জীবন
খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় কুমিল্লায় দোয়া মোনাজাত
বাংলাদেশ রেলওয়ে: ঘুষ ছাড়া স্বাক্ষর করেন না ডিআরএম
রাজস্থলীতে ভূমি অধিগ্রহনের খতিগ্রস্থ দের মাঝে ৬জনকে চেক বিতরণ
সোনাগাজীতে অবৈধভাবে ফসলি জমির মাটি কাটার অভিযোগে দুই ব্যাক্তির সাজা
কুমিল্লায় ধর্মরক্ষিত মহাথের’র ৫ম মৃত্যু বার্ষিকীতে স্মরণ সভা ও কনকস্তূপ বৌদ্ধ বিহার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন
অবৈধ কয়লা উৎপাদনের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান, গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ৭৪টি চুল্লি
শীতে কাঁপছে দেশ" বীজতলা নিয়ে শঙ্কায় কৃষক
বিএনপির প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিলের আবেদন করলেন দলের আরেক প্রার্থী!