পাবনায় হিযবুত তওহীদের সাথে এলাকাবাসীর সংঘর্ষে নিহত ১ আহত ১৫
পাবনা সদর উপজেলায় হিযবুত তওহীদের সাথে এলাকাবাসীর সংঘর্ষে একজন নিহত ও অন্তত: ১৫ জন আহত হয়েছে।
আহত সুজন হোসেন (৩০) নামে এক হিযবুত তওহীদ সদস্য ২০ ঘন্টা পর রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বুধবার(২৪ আগস্ট) সকালে মারা গেছেন।
নিহত সুজন পাবনা সদর উপজেলা হেমায়েতপুর ইউনিয়নের চর ঘোষপুর গ্রামের মধ্যপড়া এলাকার মৃত আনিছুর রহমান মন্ডলের ছেলে। তিনি হিযবুত তওহীদ পাবনা জেলা শাখার সদস্য এবং পেশায় ওয়ার্কশপ মিস্ত্রী ছিলেন। তার ঘরে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী রয়েছে।
এর আগে মঙ্গলবার (২৩ আগস্ট) রাতে উপজেলার চর ঘোষপুর নফসারের মোড়ের হিজবুত তাওহীদের কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানান, নফসারের মোড়ে কার্যালয়ে তারা হিজবুত তাওহীদের কার্যক্রম চালাচ্ছিলেন। তাদের মতাদর্শ নিয়ে এলাকাবাসীদের সঙ্গে বিরোধ চলছিল। মঙ্গলবার ৮টার দিকে ওই তাদের কার্যালয় সংলগ্ন একটি সেলুনের দোকানে হিযবুত তওহীদের এক সদস্যের চুল-দাঁড়ি কাটা নিয়ে তর্কবিতর্ক হয়। একপর্যায়ে কিছুক্ষণ পর তারা স্থানীয় লোকজনের সাথে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এসময় ধারালো অস্ত্রের আঘাত ও লাঠি পেটায় অন্তত: ১৬ জন আহত হয়। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে সুজনকে স্থানীয় হাসপাতাল থেকে রামেক হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত সুজনের স্ত্রী শাহানা খাতুন ও ভাই মোমেনুল ইসলাম এ প্রসঙ্গে বলেন,‘হিযবুত তওহীদের মতাদর্শ নিয়ে এলাকাবাসীর সঙ্গে সুজনের দ্বন্দ্ব চলছিল। আমরা তাকে অনেক বুঝানোর পরেও সে শোনেনি। মঙ্গলবার রাতে চুল-দাঁড়ি কাটা নিয়ে এলাকাবাসীর সঙ্গে তর্ক হয়। এসময় স্থানীয় লোকজনের সাথে হিযবুত তওহীদের কার্যালয়ে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষেয় সময় সুজন গুরুতর আহত হয়। পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান সুজন।
এবিষয়ে হিযবুত তওহীদের পাবনা জেলা শাখার আমির সেলিম শেখ বলেন,‘ঘোষপুর ইউনিট কার্যালয়ে দলের সদস্যদের নিয়ে আমি দৈনন্দিন কার্যক্রম চালাচ্ছিলাম। এসময হঠাৎ করে বিপুল সংখ্যক লোক আমাদের কার্যালয়ের সামনে এসে চিৎকার করে বলে-‘ওরা খ্রিস্টান-কাফের, ওদের ধর আর মার’। এসময় আমরা কার্যালয়ের ভেতর থেকে সামনে দাঁড়ালেই কোপানো শুরু হয়।’ এতে কমপক্ষে ১ জন নিহত ও অন্তÍত: ১৫ জন আহত হয়।
পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মাসুদ আলম বলেন, ‘হিযবুত তাওহীদের সদস্যদের সাথে এলাকাবাসীর বিরোধ ছিল। সম্ভবত চুল-দাঁড়ি কাটা নিয়ে হিযবুত তাওহীদের একজন সদস্য একজন এলাকাবাসীকে থাপ্পর মারে। পরে স্থানীয় কিছু লোক দলবদ্ধ হয়ে তাদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ায়। এতে হতাহতের ঘটনা ঘটে।’
পুলিশ সন্দেহজনক ৬ জনকে আটক করেছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
বিকেল ৪টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কোন মামলা হয়নি বলে পাবনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম জানান।
এমএসএম / এমএসএম
নবীনগরে মাদক ব্যবসার প্রতিবাদে ইউপি সদস্য রক্তাক্ত, শিশুকে অবরুদ্ধ করার অভিযোগ
বালাগঞ্জে ইযুথ গ্রুপের সম্প্রীতি সমাবেশ
কালকিনিতে জুয়া খেলার সময় ৯ জন আটক, নগদ ৬২ হাজার টাকা উদ্ধার
রায়গঞ্জে দুই অটোরিকশা চালক হত্যায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন
৩৫ বছর পার হলেও আনোয়ারার অরক্ষিত উপকূলীয় বেড়িবাঁধের কাজ এখনো চলমান
তজুমদ্দিনে কালবৈশাখীর ঝড়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ঘর লন্ডভন্ড
বোয়ালমারীতে অন্যের জমি দখল করে ব্যাক্তিগত রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ
মেহেরপুরে আন্তর্জাতিক শব্দ সচেতনতা দিবস উপলক্ষে র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
কুমিল্লায় হাঁটু পানিতে এসএসসি পরীক্ষা, বেঞ্চে পা তুলে লিখছে শিক্ষার্থীরা
কুড়িগ্রামে ট্রাক-মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে বাবা মেয়েসহ নিহত ৫, আহত-১১
লোহাগড়ায় ব্যতিক্রমী উদ্যোগ: নরমাল ডেলিভারিতে মা ও নবজাতকের পাশে উপজেলা প্রশাসন
বিদ্যুতের অভাবে অন্ধকার হাসপাতাল, মোবাইলের আলোয় চলছে চিকিৎসা