ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডাক্তারের হাতে হকার নির্যাতনের অভিযোগ
ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মেডিসিন বিভাগের ডাক্তার খান মোহাম্মদ আরিফ এর হাতে বুধবার (৭ সেপ্টেম্বর) একজন হকার শারীরিকভাবে নির্যাতনের শিকার হয়েছে বলে জানা গেছে।বিষয়টি ছিল গতকালের ফরিদপুরের টক অফ দা টাউন। ফরিদপুর মেডিকেলে ডাক্তারের হাতে একজন কিশোর হকার নির্যাতনের শিকার এটাই প্রথম ঘটনা।
প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা যায়। হাসপাতালের প্রধান ফটকে ডিউটি করেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।তারা সবসময় হাসপাতালকে নিছিদ্র নিরাপত্তা মধ্যে রাখার চেষ্টা করেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ডিউটিতে কোথাও কোন গাফিলতির কথা এ পর্যন্ত শোনা যায়নি। তারপরও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নিয়ে প্রশ্ন তুললেন কিশোর হকারকে নির্যাতন করা ডাক্তার খান মোহাম্মদ আরিফ। প্রত্যক্ষদর্শী মোঃ হুমায়ন কবির, গনমমাধ্যম কে বলেন, মোঃ মামুন(১৪) পিতা মোঃ হায়দার সং নোয়াপাড়া থানা মধুখালী, ঝুরিভাজা নিয়ে হকারি করতে হাসপাতাল অভ্যন্তরে প্রবেশ করে।
এ সময় হাসপাতালের পুরাতন ভবনে দায়িত্বরত মেডিসিন বিভাগের ডাক্তার খান মোহাম্মদ আরিফ সাহেব, এসে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে প্রবেশের অপরাধে কিশোর হকার মামুনকে চড়-থাপ্পড় এবং লাথি মারে। ডাক্তারের লাথিতে কিশোর হকারের ঝুড়ি ভাজা ভেঙ্গে গুড়া- গুড়া হয়ে অনেকটা মাটিতে পড়ে যায়।এ বিষয়টি হকার মামুনও সাংবাদিকদের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। প্রধান ফটকে ডিউটিরত পুলিশ এবং প্রধান ফটকের আশপাশে দোকানদাররাও বিষয়টি প্রত্যক্ষ করেছেন। এবং ঘৃনাসহ ধিক্কার জানিয়েছেন।ঘটনাটি শুনে স্থানীয় হকার দোকানদারা গনমমাধ্যম কে অভিযোগ করে বলেন, গেটের গার্ডদের বকশিশ দিয়ে হকাররা হাসপাতালে ঢুকে তারা নিয়মিত হকারি করেন। এতে হকারদের দোষ কি?
ঘটনাটি তাৎক্ষণিক ছড়িয়ে পড়লে, স্হানীয়রা উত্তেজিত অবস্থার উপক্রম হলে,, দায়িত্বরত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর তাৎক্ষণিক নিয়ন্ত্রণে নেয়।উল্লেখ্য, হাসপাতালে তিনটি গেটে তিনজন দায়িত্বপ্রাপ্ত গার্ড থাকলেও তাদের বকশিস দিয়ে হকারা হাসপাতালে অভ্যান্তরে প্রত্যেক ওয়ার্ডেও বাদাম, চানাচুর, ঝালমুড়ি, শষা,ও ঝুড়ি ভাজা বিনা বাঁধায় বিকিনি করেন।হাসপাতালে ডাক্তার জনাব আরিফ সাহেব, বলেন, পুলিশ ঠিক মত দায়ীত্ব পালন করেন না, এমন অভিযোগ তুললেও তাহা প্রমানিত হয়নি। পুলিশের দায়ীত্ব পালনে এলাকাবাসী খুশী।উপরন্ত ডাক্তাররাই সকাল বেলা হাঁটতে এসে ডিজিটাল হাজিরায় আঙ্গুল লাগিয়ে,যান। এবং বহু ডাক্তার বেলা ১১ টায় হাসপাতালে প্রবেশ করেন, বেলা একটার কাউকেই হাসপাতালে খুঁজে পাওয়া না গেলেও ব্যাবসায়ীক ক্লিনিকে পাওয় যায়।
উল্লেখিত, বিষয় ডাক্তার খান মোহম্মদ আরিফের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।এই বিষয় কথা হয়, স্হানীয় জনপ্রিয় জনপ্রতিনিধি, কমিশনার মিজানুর রহমান মিনানের সাথে, তিনি প্রতিনিধি কে বললেন, একজন বিসিএস ক্যাডার ডাক্তার সাহেব, একটি কিশোর হকারকে লাথি মেরে ঝুড়ি ভাজার পুঁজিসহ রাস্তায় ফেলে দিতে পারেন এটা অত্যান্ত দুঃখজনক এবং সকল ডাক্তারদের একটি লজ্জার বিষয়।
বিষয়টি জানার জন্য হাসপাতালের, এডি সাহেবকে ফোন দিলে তিনি কোন তথ্য দিতে রাজি হননি। এবং সাহেবের পুরো নামটি জানতে চাইলে, তিনি প্রতিনিধিকে বলেন, যিনি নম্বর দিয়েছেন তার কাছ থেকে পুরো নাম যেনে নিন।
এমএসএম / এমএসএম
শিবগঞ্জে কন্যাশিশু দিবস উপলক্ষে র্যালি, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ
তারাগঞ্জে মাদক সেবনের দায়ে ৪ জনের কারাদণ্ড
মধুখালীতে কন্যা শিশু দিবস উপলক্ষে রেলি ও আলোচনা সভা
কুড়িগ্রামে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু, নিয়োজিত ১ হাজার ৭১ কর্মী
বকশীগঞ্জে নিখোঁজের ৩ দিন পর ঝোপে নারীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার
নরসিংদীতে সাত বছরের সাজাপ্রাপ্ত মাদক মামলার পলাতক আসামি গ্রেপ্তার
তেঁতুলিয়ায় ১০ কেজির বার্মিজ অজগর উদ্ধার
কামরুজ্জামান সিকদার কামালকে নিয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদ, তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে কথা বলার আহ্বান
জয়পুরহাটে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে জেলা বিএনপির মতবিনিময়
রাজারহাটে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের তথ্য সংগ্রহ অবহিতকরণ প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত
পেকুয়ায় ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি নিয়ে প্রেস কনফারেন্স
পিরোজপুরে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহে নিয়োগ কর্মী ৪৯২ জন, সুপারভাইজার ৪৯ জন
তেঁতুলিয়ায় ‘বাংলা টি’ ও ‘বিসমিল্লাহ টি’ কারখানা পরিদর্শন করলেন বাংলাদেশ চা বোর্ডের চেয়ারম্যান
Link Copied