সিংগাইরের সীমান্তবর্তী এলাকায় মারুফ-শরীফ বাহিনীর অপরাধের স্বর্গরাজ্য : জিম্মি এলাকাবাসী
মানিকগঞ্জের সিংগাইরের সীমান্তবর্তী এলাকায় চলছে মারুফ-শরীফ বাহিনীর অপরাধের স্বর্গরাজ্য। তাদের নির্যাতনের ভয়ে জিম্মি হয়ে পড়েছেন এলাকাবাসী। নির্যাতনের ভয়ে তাদের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে নারাজ।
জানা গেছে, সিংগাইর উপজেলার ধল্লা ইউনিয়নের খাসেরচর-ভাটিরচরের সীমান্তবর্তী এলাকার মৃত রহম আলীর ছেলে শরীফ (৪৫) ও মারুফ (৪২) ওরফে মারফু। এছাড়াও আরেক ভাই নিয়ামত (৫০), ভাতিজা শহিদুল (২৫), কাশেম (২৫) ও হাশেমসহ (২৩) তাদের বাহিনীতে যোগ করেছে পার্শ্ববর্তী ধামরাই থানার কুখ্যাত মাদকসেবী ও গরু চোরাচালানের অন্যতম সদস্য শহিদ (৫০)। এ বাহিনী এলাকায় মাদক বেচাকেনা, গরু চোরাচালান, মাদক বেচাকেনায় সহযোগিতা, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধের স্বর্গরাজ্যে পরিণত করেছে এলাকাকে। প্রায় এক বছর আগে সিংগাইর থানা পুলিশ তাদের এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে চোলাই মদ ও মদ তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জামসহ মারুফ-শরীফ বাহিনীর অন্যতম সদস্য তাদের দুই ভাতিজা কাশেম ও হাশেমসহ মারুফের স্ত্রীকে (৩৫) আটক করে। তখন কৌশলে বাড়ি থেকে কেটে পড়ায় পুলিশের হাত থেকে রক্ষা পায় মারুফ।
ভাটিরচর গ্রামের গাঁজা সম্রাট-সম্রাজ্ঞী দুই ভাই-বোন লাল খা (৫০) ও সখিনা (৫৫)। এদের প্রধান পৃষ্ঠপোষক এ বাহিনী। সিংগাইর থানা পুলিশ এদের একাধিকবার ধরে আদালতে প্রেরণ করলেও জামিনে এসে পুনরায় আগের পেশায় নিয়োজিত হচ্ছে। ধ্বংস করছে এলাকার সমাজ ও যুবসমাজকে। এমনই সব তথ্য দেন ওই এলাকার ওয়ার্ড আ’লীগের সভাপতি আব্দুর রহমান মোল্লা, ফরিদ হোসেনসহ নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক অসংখ্য নর-নারী।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ভুক্তোভোগী অনেকেই জানান, করোনার প্রথম ছোবলের সময়ে খেয়েপরে জীবন-জীবিকা যখন দুর্বিষহ, তখন শরীফ আমাদের ওপর চাপিয়ে দেয় প্রত্যেকের বাড়ি হতে ১০ হাজার টাকা চাঁদার বোঝা। কোনো রকম হাত-পা ধরে ৪-৫ হাজার টাকা করে দিয়ে প্রত্যেকেই সে যাত্রায় পরিত্রাণ পায় বরিশালের ভোলা জেলা হতে আসা কয়েকটি নিরীহ পরিবার। চাঁদা দিতে রাজি না হওয়ায় সংখ্যালঘু এক হিন্দু ধর্মাবলম্বীকে মাথা ন্যাড়া করে দেয় এ বাহিনী। পরে অলিখিত একটি স্ট্যাম্পে সই নিয়ে ছেড়ে দেয় তাকে। অতঃপর এ ঘটনায় থানার দারস্থ হলে নির্যাতিত ওই ব্যক্তি ও মারুফ-শরীফ বাহিনীর মধ্যে আপস-মীমাংসা করে দেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ মুরব্বিগণ।
এ বিষয়ে জানতে গতকাল সোমবার দুপুর ১টার দিকে মারুফ-শরীফদের এলাকায় গেলে তাদের পাওয়া যায়নি।
স্থনীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আলামিন বলেন, ওরা আমার কথা শোনে না। অনেকবার বলেছি ভাল পথে চলতে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, প্রায় ৩ বছর আগে ওদের (মারুফ-শরীফ) এক ভাতিজাকে নিয়ে ঝামেলায় শালিস করেছিলাম। মারুফ চোলাই মদ বিক্রি করে এটা এলাকার সবাই জানে। তবে জেল খাটার পরে নাকি ও অনেকটা ভালোর দিকে শুনেছি।
এ বিষয়ে সহকারী পুলিশ সুপার (সিংগাইর-সদর সার্কেল) রেজাউল হক বলেন, আমাদের পক্ষ থেকে অপরাধীদের বিন্দুমাত্র ছাড় দেয়া হবে না। এ বিষয়ে তদন্তসাপেক্ষে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এমএসএম / জামান
আত্রাইয়ে গ্রামীণ সড়কের কোর রোড নেটওয়ার্ক ও সড়ক অগ্রাধিকার নির্ধারণ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত
ঘোড়াঘাটে গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
নবীগঞ্জে দিনদুপুরে পিস্তল ও রামদা দেখিয়ে একই দিনে দুই শিক্ষিকার স্বর্ণালঙ্কার ছিনতাই
কুতুবদিয়ায় প্রেমিকের বাড়ির সামনে বিষপান: চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রেমিকার মৃত্যু
যশোরে ‘মামলাবাজ’ চক্রের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন
মহেশখালীতে মাদকবিরোধী মোবাইল কোর্ট, যুবকের কারাদণ্ড
কুড়িগ্রামে ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ এবং বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত
পাঁচবিবিতে হয়রানিমূলক মামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন
রাঙ্গামাটিতে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেল ৩৮ জন যাত্রী
গোপালগঞ্জে গ্রাম আদালত কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত
কুতুবদিয়ায় একদিনেই পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু
পাঁচবিবিতে বোর ধান চাল সংগ্রহের উদ্বোধন