পাবনায় প্রধান শিক্ষকের হাতে সিনিয়র শিক্ষক লাঞ্ছিত জীবননাশের হুমকি
পাবনা সদর উপজেলায় দুবলিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে তার স্কুলের সিনিয়র শিক্ষক আবদুল হককে লাঞ্ছিত করাসহ জীবননাশের হুমকি দেয়ার অভিযোগ উঠেছে । প্রতিকার চেয়ে ভুক্তভোগী শিক্ষক জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দিয়েছেন।
লাঞ্ছিত শিক্ষক এর প্রতিকার চেয়ে বৃহস্পতিবার (২৭ অক্টোবর) পাবনা জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস ও আতাইকুলা থানা পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগপত্রে ভুক্তভোগী শিক্ষকের পক্ষে স্বাক্ষর দিয়েছেন বিদ্যালয়র ১২ জন শিক্ষক।বিভিন্ন দপ্তরে দেয়া লিখিত অভিযোগে আব্দুল হক জানান, গত ২০ অক্টোবর বিকেল পৌনে ৪টার দিকে স্কুল প্রাঙ্গণে প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসেন তাকে অকথ্য ভাসায় গালি-গালাজ করতে থাকে। এসময় তিনি নিষেধ করলে আনোয়ার হোসেন তার শার্টের কলার ধরে ধাক্কা মেরে অফিস রুমের ফ্লোরে ফেলে দিয়ে বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করেন। এছাড়াও তাকে স্কুলের আসার পথে বড় ধরনের ক্ষতি করারও হুমকি দেয়া হয়।
এবিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষক বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের বেতন ও ফিস্সহ বিভিন্ন কালেকশনের অর্থ শিক্ষকদের মাঝে বিতরণের জন্য সিনিয়র শিক্ষক আব্দুল হকের নেতৃতে একটি ‘অর্থ কমিটি’ গঠন করা হয়। কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী স্কুলের কালেকশনকৃত অর্থ শিক্ষক আব্দুল হক অন্যান্য শিক্ষকদের মধ্যে বিতরণ করেন। কিন্তু প্রধান শিক্ষক এর বিরোধিতা করেন। পরে প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসেন সিনিয়র শিক্ষক আব্দুল হককে তার রুমে তলব করে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এক পর্যায়ে তার কাছে থাকা টাকা পয়সা ছিনিয়ে নেন এবং লাঞ্ছিত করেন। পরে অন্যান্য শিক্ষকরা এগিয়ে আসলে তাদের সঙ্গে প্রধান শিক্ষকের হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।’
তারা আরও বলেন, ‘এই ঘটনার দু’দিন পরে সব শিক্ষককে ডেকে নিয়ে স্কুলের রুমে আটকে রাখার হুমকি দেয়া হয়। বিষয়টি যাতে প্রশাসন ও গণমাধ্যমের কেউ না জানে এই মর্মে মুচলেখা নেয়া হয়। এছাড়াও বিষয়টি নিয়ে বিদ্যালয়ের সভাপতির দ্বারস্থ হন শিক্ষকরা। তার সঙ্গে দেখা কওে ফেরার পরও আরেক শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা কেড়ে নেন প্রধান শিক্ষক। ’
এবিষয়ে পাবনা সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার হাফিজুর রহমান বলেন, ‘শিক্ষকদের মধ্যে হাতাহাতি-লাঞ্ছিত করার কোনও অভিযোগ পাইনি। তবে কয়েকদিন আগের প্রধান শিক্ষক আমাকে জানিয়েছিলেন যে-ওই স্কুলের শিক্ষকরা স্কুলের কালেকশনের টাকা ব্যাংকে জমা না দিয়ে তারা নিজেরা ভাগাভাগি করে নিচ্ছেন। এর বাহিরে আমি কিছু জানি না।’
এবিষয়ে মুখ খুলতে নারাজ প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসেন। তিনি বলেন, ‘বিষয়টি সম্পর্ক ডিসি স্যার, জেলা শিক্ষা অফিস, ম্যানেজিং কমিটির সভাপতিসহ সবাই জানেন। আমি এই বিষয়ে কিছু বলতে চাচ্ছি না। ওরা যা ইচ্ছে করুক। আমি কিছু বলবো না।’
এবিষয়ে পাবনা জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রুস্তম আলী হেলালী বলেন, ‘এখনও পর্যন্ত অভিযোগ পাইনি। যদি আজ/কালের মধ্যে দিয়ে থাকেন তাহলে হয়তো রোববার নাগাদ হাতে পেতে পারি। অভিযোগ হাতে পেলে অভিযোগের ধরন বুঝে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
এবিষয়ে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও পাবনা সদর উপজেলার চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন বলেন,‘ প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষকদের মাঝে একটা ঝামেলা হয়েছিল এটা সত্য। বিষয়টি সমাধান করার চেষ্টা করব।’
বিষয়টি তদন্তের দায়িত্বে থাকা দুবলিয়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আবুল কালাম আজাদ বলেন, বিষয়টি আমি তদন্ত করছি।
এমএসএম / এমএসএম
বরগুনায় অধ্যক্ষর প্রতারণার ফাঁদে দাখিল পরীক্ষার্থী
খোদা বকস মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন কর্তৃক শিক্ষার্থীদের শিক্ষা বৃত্তি প্রদান
কালিয়ায় স্কুল ঘরে গাছ পড়ে ২ শিক্ষার্থী আহত
বিরামপুরে পুলিশ বক্সের সামনেই ১৮ লাখ টাকার সোনা লুট, গ্রেফতার-৪
সালেকের ঘটনায় ক্ষুব্ধ সাংবাদিক সমাজ, কাউনিয়ায় মানববন্ধন
কুড়িগ্রামে কালবৈশাখী ঝড়ের তান্ডব, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি
স্কুলছাত্রী অদিতা হত্যা: গৃহশিক্ষক রনির ফাঁসির আদেশ
ধামইরহাটে কৃষকের ৭৫ শতক জমিতে রাসায়নিক স্প্রে করে ফসল নষ্টের অভিযোগ
রাজনৈতিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে মিথ্যা ভিত্তিহীন অপ-প্রচারের অভিযোগ
ভোলাহাটে জ্বালানি তেল পাচারকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন
একাধিক পদে চাকরিরত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে মাউশির শোকজ
রাঙ্গামাটি পাল্পউড চেটেপুটে খাচ্ছেন সদর রেঞ্জ কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম দেওয়ান