ঢাকা বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬

শেষ বয়সে এসে পরিক্ষা দিতে হবে, মানুষিক চাপে শিক্ষিকার মৃত্যু নিয়ে ধুম্রজাল

কুমিল্লায় ১৩ হাজার প্রাথমিক শিক্ষকদের ঘুম হারাম


এইচ এম মহিউদ্দিন, স্টাফ রিপোর্টার photo এইচ এম মহিউদ্দিন, স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: ৮-১১-২০২২ দুপুর ৪:৪

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের কোনো নির্দেশনা ছাড়াই পাঠদানে দক্ষতা যাচাইয়ের নামে কুমিল্লার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৩ হাজার শিক্ষককে পরীক্ষার টেবিলে বসাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ডিপিইও) মো. আব্দুল মান্নানের বিরুদ্ধে। 

তিনি সকল উপজেলা শিক্ষা অফিসারদের নিয়ে রেজুলেশন করে কিন্ডার গার্টেন শিক্ষকদের নিয়ে পরিক্ষার টেবিলে বসাচ্ছেন প্রাথমিক শিক্ষকদের। লজ্জা ও আর মানুষিক চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে কুমিল্লা বিভিন্ন উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকনেতা ও শিক্ষকদের মাঝে। 

চাকুরীর মাত্র মেয়াদ আছে অল্প কয়েক মাস, অবসরে যাবেন ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার ডগ্রাপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা সানজিদা আক্তার, এরই মধ্যে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার এমন সিদ্ধান্তে পরিক্ষা নিয়ে মানুষিক চাপে ভোগছেন কয়েকদিন। কিন্ডার গার্টেনের শিক্ষক দ্বারা শেষ বয়সে এসে পরিক্ষা দিতে হবে এমন মানুষিক চাপে সোমবার (৮ নভেম্বর) রাতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি, পরে হসপিটালে নেয়ার পথে মৃত্যুবরণ করেন ওই শিক্ষিকা। এ নিয়ে কুমিল্লায় শিক্ষাঙ্গনে চলছে বেশ আলোচনা ঝড়। অভিযোগের তীর জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আবদুল মান্নানের দিকে, তার ব্যক্তি সিদ্ধান্তের কারনে ১৩ হাজার শিক্ষকদের ঘুম হারাম, তাই শিক্ষকরা মানুষিক চাপে ভোগছে, যার ফলাফল মানুষিক চাপে সহকারী শিক্ষক সানজিদার মৃত্যু।

বিষয়টি অভিযুক্ত আবদুল মান্নান মুঠোফোনে জানান, সানজিদার মৃত্যুর খবর শুনে আমি উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে পাঠিয়েছি, তার নাম্বারে ফোন দিয়েছি পরিবারের কেহ রিসিভ করেছে। আমি যতটুকু জানি ফজরের নামাজ পড়তে উঠে পড়ে গেছে, তবে বলতে পারবো না, হার্ড এ্যাটাক নাকি স্টোক। তবে তার মৃত্যুতে আমি শোকাহত। আমি আশা করিনি সানজিদা এভাবে আমাদের মাঝ থেকে চলে যাবে। 

প্রাথমিক শিক্ষার মূল্যায়ন নিয়ে তিনি জানান, এটা আসলে মূল্যায়ন পরিক্ষা না, এটা হল যে যেই সাবজেক্ট টা সে পড়ায়, সে সেই সাবজেক্টে কতটুকু বুঝে, তার উপর তার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান বা নিজেরাই পরিক্ষা নিয়ে দেখবে, সে কতটুকু পারফেক্ট। এছাড়া হেড টিচারও নিতে পারে, এতে বাছাই করার পর যে সকল শিক্ষক দূর্বল, তাদেরকে আমরা ট্রেনিং দিয়ে আরো একটু প্রশিক্ষিত করার উদ্যোগ নেই। এটা কোন পরিক্ষা না। এটা দূর্বল শিক্ষক যাছাই বাছাইয়ের জন্য আমরা একটা রেজুলেশন নিয়ে শিক্ষার মান উন্নোয়নের পরিকল্পনা করি। 

তিনি আরো জানান, আমি কুমিল্লায় দির্ঘ্য ৩ বছর সততার সহিত দায়িত্ব পালন করছি, কুমিল্লায় কিছু রাঘব শিক্ষকরা আছেন যারা বিভিন্ন তদবীর ও দূর্নীতি করার সুযোগ পায় না। তাই তারা বিভিন্ন ভাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও পত্র পত্রিকায় ভূল তথ্য দিয়ে আমার বিরুদ্ধে লেখা লেখি করছে। 

বিষয়টি নিয়ে প্রাথমিক শিক্ষকরা জানান, চাকরির শেষ বয়সে এসে অনেক জ্যেষ্ঠ শিক্ষককে তাঁর মেধার মান যাচাই করতে পরীক্ষায় বসতে হবে, এটা তাঁরা মেনে নিতে পারছেন না। এ পরীক্ষার মাধ্যমে ডিপিইও তাঁদের অপমান করার উদ্যোগ নিয়েছেন বলেও মত দিয়েছেন অধিকাংশ শিক্ষক। শিক্ষকরা বলছেন, তাঁরা সরকারের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে মেধার লড়াইয়ে উত্তীর্ণ হয়েই নিয়োগ পেয়েছেন। চাকরিতে আসার পর ১৮ মাস সিইনএড ও ডিপিএড প্রশিক্ষণ কোর্স শেষ করেছেন। অনেকে এই পরীক্ষা আয়োজনকে ডিপিইওর হঠকারী সিদ্ধান্ত বলেও উল্ল্যেখ করেন। তবে চাকরির ভয়ে কুমিল্লার শিক্ষকরা নাম প্রকাশ করতে অপারগতা প্রকাশ করেন।

 

এমএসএম / এমএসএম

প্রকল্পে ঘুষ চাওয়ার অভিযোগ ভিত্তিহীন: রামেবি উপাচার্য

তালায় সাংবাদিকদের উপর হামলার ঘটনায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

রায়গঞ্জে পুকুর দখল নিয়ে সংঘর্ষে দুই বিএনপি কর্মী নিহত, মামলা ও গ্রেপ্তার ৫

বাঁশখালীতে মাটির মসজিদ মাদরাসার ইফতার ও কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

বড়লেখায় মোটরসাইকেল বিক্রিকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও ছাত্রলীগ সংঘর্ষ, আহত ১০

নালিতাবাড়ীতে আকস্মিক হাসপাতাল পরিদর্শনে সংসদ সদস্য ফাহিম চৌধুরী

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রীর সাথে ডিআইজি সালমা বেগমের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ভূরুঙ্গামারীতে গণশুনানি অনুষ্ঠিত নানান ধরনের সমস্যা তুলে ধরলেন সাধারণ মানুষ

অপরাধ জগতের লাগামহীন সম্রাট 'স্টিভ' পর্নোগ্রাফি মামলায় ঢাকা থেকে গ্রেফতার

আদমদীঘিতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় যুবক নিহত

শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য আমৃত্যু পাশে থাকবো: এস এম জিলানী

পার্বত্য চট্টগ্রামে দুর্নীতির ক্ষেত্রে কোন ছাড় দেয়া হবেনা- পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান

সাংবাদিকদের সুরক্ষা আইন পাশ করতে সরকারের প্রতি অনুরোধ