ঢাকা শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬

নিয়ামতপুরে মসজিদের জমি আত্মসাৎ ও মিথ্যা মামলা দিয়ে গ্রামবাসীকে হয়রানির অভিযোগ


নিয়ামতপুর প্রতিনিধি  photo নিয়ামতপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৩-৭-২০২১ বিকাল ৬:২৯

মসজিদকে জমি দান করে পূর্বপুরুষ, ওই জমি এসএস ও আরএস রেকর্ডভুক্তও হয় মসজিদের নামে। অথচ তারই ওয়ারিশরা এখন ওই জমি আত্মসাৎ করার চেষ্টা করছে। মিথ্যা মামলা দিয়ে পুরো গ্রামবাসীকে হয়রানি করা হচ্ছে। এমনটাই অভিযোগ পাওয়া গেছে উপজেলার হাজীনগর ইউনিয়নের কুন্তইল গ্রামে।

সরেজমিন জানা যায়, কুন্তইল জামে মসজিদের নামে নন্দীগ্রাম, পাঁচপুকুরিয়া ও চিনড়া মৌজায় ৮১, ১৭ এবং ৫০ নম্বর খতিয়ানে ৫ একর ২৩ শতাংশ অর্থাৎ প্রায় সাড়ে ১৭ বিঘা জমি এসএ এবং আরএস রেকর্ডভুক্ত হয়। জিম্মাদার হিসেবে দায়িত্বে থাকেন মৃত হাজী মাবুদ বক্স ও তার স্ত্রী কছিরণ। মসজিদটি ১৯৩৫ সালে নির্মাণ করা হয়। সেই থেকে ২০২১ সালের মে মাস পর্যন্ত প্রথমে মাবুদ বক্স, পরবর্তীতে তার ছেলে আ. জব্বার, আকবর আলী, সামাদ মণ্ডল ও ইসমাইল মসজিদের দায়িত্ব পালন করেন। এরপর আকবর আলীর ছেলে সালাম ও ইসমাইল হোসেনের ছেলে জালাল ২০০৪ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৪ সাল থেকে ২০২১ সালের মে মাস পর্যন্ত  সামাদ মণ্ডলের ছেলে আসাদুজ্জামান স্টার সভাপতি ও আব্দুর জব্বারের ছেলে প্রভাষক মিজানুর রহমান বাবু সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। অর্থাৎ মসজিদ সৃষ্টি হতে ২০২১ সালের মে মাস পর্যন্ত জমি দাতা মাবুদ বক্সের ছেলে ও নাতিরাই মসজিদ পরিচালনা করে আসছিলেন।

সেই সুযোগে তারা প্রথম জমি দখলের জন্য রেকর্ড সংশোধনীর মামলা আদালতে করলে তা খারিজ হয়ে যায়। পরবর্তীতে ২০০৮ সালে ২৬৭, ২৬৮, ২৬৯ নামে তিনটি মামলা হয়। মামলার পরিপ্রেক্ষিতে ২০১০, ২০১১ এবং ২০১৪ সালে সভাপতি আসাদুজ্জামান স্টার ও সম্পাদক মিজানুর রহমান বাবু থাকা সত্ত্বেও তারা বিভিন্ন প্রন্থা অবলম্বন করে নিজেরাই বাদী এবং বিবাদী সেজে ভুয়া সোলেনামা করে আদালতে একতরফা ডিক্রী নেন।

এ বিষয়ে বর্তমান মসজিদ কমিটির সভাপতি মৃত আব্দুল খালেকের ছেলে তাইজুল ইসলাম বলেন, গ্রামবাসী আসাদুজ্জামান স্টার ও মিজানুর রহমান বাবুর কাছ থেকে বিগত এক বছর যাবৎ মসজিদের হিসাব চাইলে তারা টালবাহানা করেন। এতে গ্রামবাসী ক্ষিপ্ত হয়ে তাদের বাদ দিয়ে আমাকে সভাপতি ও আব্দুল হান্নানকে সম্পাদক করে নতুন কমিটি গঠন করে। আমরা দায়িত্ব পাওয়ার পর মসজিদের জমির সন্ধান করতে গেলে এসব অনিয়ম ধরা পড়ে। তারা মসজিদের বেশকিছু জমি বিভিন্নভাবে বিক্রি করে দেন। বিক্রীত জমির ওপর তারা বসতবাড়ি পর্যন্ত নির্মাণ করেছে। আমরা জমির কাগজপত্র সংগ্রহ করি এবং মসজিদ কমিটির পক্ষ হতে জমিতে ধান রোপণ করি। এত গ্রামবাসীকে হয়রানি ‍এবং সাম্প্রদায়িক পরিস্থিতি সৃষ্টি করার জন্য এক হিন্দু ব্যক্তিকে দিয়ে ৩৭ জনকে আসামি করে লুটপাট ও টাকা ছিনতাইয়ের একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করে। আমাদের একজনকে পুলিশ ১১ জুলাই রাতে আটক করলে আমরা গ্রামবাসী সবাই রাতে থানায় গিয়ে হাজির হই এবং স্বেচ্ছায় কারাবরণ করতে চাই। পরবর্তীতে পরিবেশ বুঝে আমরা বাড়ি ফিরে আসি এবং পরদিন ১২ জুলাই আদালতে হাজির হয়ে জামিন নেই।

মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান বাবু বলেন, মসজিদটি আমাদের পূর্বপুরুষরা তৈরি করেছেন। মাবুদ বক্স ও তার স্ত্রী কছিরণের সম্পত্তি ভূলবশত মসজিদের নামে রেকর্ড হয়, যা পরবর্তীতে সোলেনামার মাধ্যমে আমরা ডিক্রী পাই। সম্পত্তি আগেও আমাদের দখলে ছিল, এখনো আছে। মসজিদ কখনই এ সম্পত্তি ভোগদখল করেনি।

এমএসএম / জামান

নন্দীগ্রামে দিগন্ত শিক্ষা ফাউন্ডেশন আয়োজিত বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ ও পুরস্কার বিতরণ

চৌগাছায় বিনামূল্যে সার ও বীজ বিতরণ

পাবনা থেকে কাজের সন্ধানে এসে মাগুরায় বজ্রপাতে শ্রমিকের মৃত্যু

মনোহরদীতে গাঁজা সেবনের দায়ে তিনজনকে কারাদণ্ড

অবৈধ তেল মজুদে গোপালগঞ্জে জরিমানা

দাউদকান্দিতে আগাম সরগরম ভাইস চেয়ারম্যান পদ: বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে তৃণমূলে চুলচেরা বিশ্লেষণ

সীতাকুণ্ডে অগ্নিকাণ্ডে ২৪ টি গরু-ছাগল পুড়ে ছাই, ক্ষতি অর্ধকোটি টাকা

শান্তিগঞ্জে সোনাই মিয়ার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

রৌমারীতে বিএনপি নেতার গোয়ালঘরে পেট্রোল মজুদ

সন্দ্বীপ পৌরসভা ৩ নং ওয়ার্ডের মা গঙ্গা পূজা ও মহোৎসব অনুষ্ঠিত

শরণখোলায় রিয়া মনি হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন: গ্রেপ্তার ৩

ভূরুঙ্গামারীতে ইয়াবা ও গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক

মোহনগঞ্জে মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে মডেল মসজিদে মুসল্লিদের সাথে ওসির মতবিনিময়