জরিমানা করতে নয়, আপনাদের সুরক্ষায় আমরা বাইরে আছি : ইউএনও পরিমল সরকার
ভারতীয় ডেলটা ধরন ছড়িয়ে সারাদেশেই করোনা আক্রান্তের সঙ্গে ভয়াবহভাবে বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে জারি করা প্রজ্ঞাপনে ২১ দফা নির্দেশনা দিয়ে গত (০১ জুলাই) বৃহস্পতিবার ভোর ৬টা থেকে সারা দেশে কঠোর লকডাউন শুরু হয়েছে। পরিধি বাড়িয়ে যা চলবে ১৪ জুলাই মধ্যরাত পর্যন্ত।
করোনার বিস্তার রোধে সারাদেশের মতো দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলাতেও সরকার ঘোষিত কঠোর বিধিনিষেধ কার্যকর করতে প্রতিনিয়ত মাঠে সজাগ দৃষ্টি রেখেছে উপজেলা প্রশাসন। প্রতিদিন সকাল থেকেই এ উপজেলার প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে উপজেলা প্রশাসনের পাশাপাশি সেনাবাহিনী ও পুলিশের ব্যাপক তৎপরতা চলমান রয়েছে। প্রয়োজন ছাড়া হাটবাজার, দোকানপাট ও সড়কে উৎসুক মানুষের অহেতুক ঘোরাঘুরি বন্ধে টহল বাড়িয়েছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।
কঠোর লকডাউন পরিস্থিতিতে সরকারী নির্দেশনা বাস্তবায়নে মানুষের চলাচল নিয়ন্ত্রণের সাথে সাথে জরুরী পরিসেবার আওতায় থাকা (খাদ্য দ্রব্য, ওষুধ) ইত্যাদির দাম এবং মান ঠিক আছে কিনা সেদিকেও নজর রাখছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট পরিমল কুমার সরকার।
কঠোর বিধিনিষেধ কার্যকরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনায় ১২ জুলাই উপজেলার ঢাকামোড়ে বের হন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট পরিমল কুমার সরকার। এসময় তিনি গাড়ি থামিয়ে মুখে মাস্ক না থাকা এক মুরুব্বীকে জিজ্ঞেস করেন আপনার মাস্ক কোথায়? এসময় পুলিশের গাড়ি দেখে ভয় পেয়ে যান তিনি। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট পরিমল কুমার সরকার বলেন, ভয় পাবেন না। আমি আপনাদের জরিমানা করতে আসিনি। আমি এসেছি আপনারা যাতে সকলে কঠোর বিধিনিষেধ মেনে চলেন ও নিয়মিত মাস্ক ব্যবহার করেন এজন্য। এ সময় তিনি সেখানে মাস্ক বিতরণ করেন।
১৩ জুলাই (মঙ্গলবার) পৌর শহরের নতুন বাজার, পুরাতন বাজার (হাট) সহ বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে মাস্ক না পরা, অযথা বাহিরে ঘোরাঘুরি সহ বিভিন্ন অপরাধের দায়ে ৫ জনকে ২ হাজার ৪'শ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একইসাথে পুরাতন বাজারে অভিযান চালিয়ে প্রায় ২০ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করে ধ্বংস করার নির্দেশ দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট পরিমল কুমার সরকারের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়।
লকডাউন পরিস্থিতিতে সরকারী নির্দেশনা বাস্তবায়নে তাদের পদক্ষেপের বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট পরিমল কুমার সরকার বলেন, করোনা মোকাবেলায় সবাই ব্যস্ত। আমরা নিজেরাও চাই এমন পরিস্থিতিতে মানুষকে জরিমানার আওতায় না আনতে। তবে, মানুষের এতটা ভীতিহীন ভাব যে তাদের মৃত্যুর কাছে নিয়ে যাচ্ছে এটাও তাদের উপলব্ধি করা দরকার। আর এ উপজেলার মানুষদের সুরক্ষিত রাখতেই আমরা মাঠে। শুধু করোনা পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যবিধি মানানোই নয়; মুনাফাখোর, অসাধু ব্যবসায়ী, ভেজাল পণ্য বাজারজাতকারী, যেকোন ধরণের অন্যায়কারী চক্রকে ধরতেও সক্রিয় উপজেলা প্রশাসন।
এ প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসক খালেদ মোহাম্মদ জাকী মুঠো ফোনে বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে সরকারী নির্দেশনা বাস্তবায়নের পাশাপাশি সকল দিকেই নজর রাখা হচ্ছে। মানুষের জান মালের ক্ষতিসাধন হয় এমন যেকোন কর্মকান্ড পরিচালনাকারী চক্র যত বড়ই হোক না কেন তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে।
এমএসএম / এমএসএম
মধুখালীতে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত
রাণীশংকৈলে উত্তম কৃষি পদ্ধতির মাধ্যমে টেকসই, নিরাপদ ও মান-সম্মত খাদ্য উৎপাদন বিষয়ক কর্মশালা
সিংড়ায় ৪ হাজার কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে আউশ ধানের বীজ বিতরণ
সংবাদ প্রকাশের পর অসহায় ছবদের আকন্দের ঘরে ছুটে গেলেন ইউএনও আরিফ উল্লাহ নিজামী
মনোহরগঞ্জে ঘূর্ণিঝড়ে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন উপজেলার ১১ টি ইউনিয়নে ২৮ হাজার পরিবার
কালিয়ায় পার্টনার প্রোগ্রামের আওতায় ফিল্ড টেকনোলজি ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত
বাঘা থানার অভিযানে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক
নোয়াখালীতে মাইক বাজিয়ে আ.লীগের স্লোগান, পুলিশ দেখে পালালো যুবক
ভোলায় ইজিপিপি’র আওতায় খাল খনন কার্যক্রমের উদ্বোধন
হাতিয়ায় বজ্রপাতে এক যুবকের মৃত্যু
নড়াইলে সলতান স্মৃতি সংগ্রহশালা পরিদর্শন করলেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার
ভূরুঙ্গামারীতে “নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস কমিটি”র সভা অনুষ্ঠিত
ধামরাইয়ে ৬০০ লিটার ডিজেল জব্দ
Link Copied