ঢাকা সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬

নাচোলে গ্রিনল্যান্ড শিশু পার্কে চার পায়ের মোরগ দেখতে দর্শনার্থীদের ভিড় 


চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি photo চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১-১-২০২৩ দুপুর ৪:২৬
গতকাল শনিবার দুপুরে নাচোলের গ্রীনল্যান্ড শিশু পার্কের ভেতর থেকে চার পায়ের মোরগের তোলা ছবি -সকালের সময়। 
গতকাল শনিবার দুপুরে নাচোলের গ্রীনল্যান্ড শিশু পার্কের ভেতর থেকে চার পায়ের মোরগের তোলা ছবি -সকালের সময়। 

সাধারণত মোরগ-মুরগি দুই পায়ের হয়ে থাকে। কিš এবার দেখা মিলেছে চার পায়ের মোরগের। অবিশ্বাস্য হলেও এমন মোরগের সন্ধান মিলেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলের গ্রিনল্যান্ড শিশু পার্কে।এ নিয়ে এলাকায় রীতিমতো হৈচৈ পড়ে গেছে। আশপাশের গ্রামের মানুষ মোরগটি এক নজর দেখতে পার্কে ভিড় জমাচ্ছে।

জানাগেছে, নাচোল উপজেলার পৌর এলাকার ইসলামপুর এলাকার বাসিন্দা শফিকুল ইসলাম মেশিনের মাধ্যমে হাঁস-মুরগির ডিম থেকে বাচ্চা ফোটানোর ব্যবসা করতেন। দশ মাস আগে ওই গ্রামের এক ব্যক্তি শফিকুল ইসলামকে বেশ কিছু দেশি মুরগির ডিম দেন বাচ্চা ফোটানোর জন্য। সবগুলো ডিমেই বাচ্চা ফোটে। খেয়াল করে দেখেন, এর মধ্যে একটি বাচ্চার চারটি পা। বিষয়টি ডিমের মালিক দেখতে পেয়ে সবগুলো বাচ্চা নিয়ে গেলেও ওই বাচ্চা রেখে যান। শফিকুলের বাড়িতেই বড় হতে থাকে বাচ্চাটি। একটু বড় হওয়ার পর বোঝা যায়, এটি মুরগি নয়, মোরগ। চার পায়ের এ মোরগের খবর ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের গ্রামে। 

জানতে পেরে তিন শ টাকা দিয়ে মোরগটি কিনে নেন নাচোলের গ্রিনল্যান্ড শিশুপার্কের মালিক মুকুল মাষ্টার। এর পর থেকে সেখানেই রয়েছে মোরগটি। মোরগটির ওজন এখন প্রায় দুই কেজি। পার্কে আসা দর্শনার্থীদের মূল আকর্ষণ এখন এই চার পায়ের মোরগ। দূরদূরান্ত থেকেও অনেকে আসে শুধু মোরগটি দেখার জন্য। আবার কেউ কেউ কিনে নিতে আগ্রহ প্রকাশ করছে। পার্ক কর্তৃপক্ষ বলছে, মোরগটির সর্বোচ্চ দাম উঠেছে ৫০ হাজার টাকা। গতকাল শনিবার সকালে নাচোলের গ্রিনল্যান্ড পার্কে গিয়ে দেখা যায়, বিনোদনের জন্য বেশ কিছু রাইড ও পশু-পাখি থাকলেও অনেকেই চার পায়ের মোরগটি দেখতে ব্যস্ত। কেউ কেউ ছবি ও সেলফি তুলছে। পার্কে ঘুরতে আসা নিয়ামতপুরের বাসিন্দা শামিম ও ফাহিমা বলেন,‘চার পায়ের মোরগটি দেখে অদ্ভুত লেগেছে। কিং মোরগটির রং খুব সুন্দর। দেখে ভালোই লাগল।’

পার্কের ম্যানেজার মিজানুর রহমান সকালের সময় কে বলেন,পার্কে মোরগটি নিয়ে আসার পর থেকেই দর্শনার্থীদের প্রধান আকর্ষণ যেন এটি। মোরগটি দেখার জন্যই বিভিন্ন স্থান থেকে লোকজন আসছে। শিশুরাও মোরগটি দেখে আনন্দ পাচ্ছে। এক কেজি ওজন হওয়ার পর থেকেই এটি কিনে নেওয়ার জন্য কয়েকজন ব্যক্তি যোগাযোগ করেছে। ১০ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা দাম উঠেছে মোরগটির। তবে আপাতত বিক্রির কোনো ইচ্ছা নেই।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন,চার পায়ের মোরগ বেঁচে আছে, এটি বিরল। সরাসরি গিয়ে দেখলে বুঝা যাবে মোরগটির অব কি।

 

প্রীতি / প্রীতি

সিদ্ধিরগঞ্জে ভ্যাট ফাঁকির তথ্য সংগ্রহ করায় সাংবাদিককে হুমকি, ৪ দিনেও ব্যবস্থা নেয়নি পুলিশ

হীরাঝিল আবাসিক এলাকা সমাজ কল্যাণ সমিতি নিয়ম বহির্ভূত কমিটি গঠনের অভিযোগ

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে লোহাগড়ায় দুই খাল পুনঃখনন উদ্বোধন, ১.১৩ কোটি টাকার প্রকল্প

আত্রাইয়ে গ্রামীণ সড়কের কোর রোড নেটওয়ার্ক ও সড়ক অগ্রাধিকার নির্ধারণ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

ঘোড়াঘাটে গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

নবীগঞ্জে দিনদুপুরে পিস্তল ও রামদা দেখিয়ে একই দিনে দুই শিক্ষিকার স্বর্ণালঙ্কার ছিনতাই

‎কুতুবদিয়ায় প্রেমিকের বাড়ির সামনে বিষপান: চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রেমিকার মৃত্যু

যশোরে ‘মামলাবাজ’ চক্রের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

মহেশখালীতে মাদকবিরোধী মোবাইল কোর্ট, যুবকের কারাদণ্ড

কুড়িগ্রামে ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ এবং বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত

পাঁচবিবিতে হয়রানিমূলক মামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

রাঙ্গামাটিতে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেল ৩৮ জন যাত্রী

গোপালগঞ্জে গ্রাম আদালত কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত