ঢাকা মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬

কুমিল্লায় কৃষিজাতপন্য সংরক্ষনে হিমাগারের অভাবে কৃষকদের দূর্ভোগ


দেবব্রত পাল বাপ্পী, লাকসাম  photo দেবব্রত পাল বাপ্পী, লাকসাম
প্রকাশিত: ২২-১-২০২৩ দুপুর ১১:৩২

জেলার প্রধান কৃষি অঞ্চল হিসাবে দক্ষিনাঞ্চলের লাকসাম, বরুড়া, সদরদক্ষিণ, নাঙ্গলকোট, মনোহরগঞ্জ ও লালমাইসহ ৬টি উপজেলা বর্তমানে আমদানী ও রপ্তানী কারক এলাকা হিসাবে গড়ে উঠেছে ব্যাপক কৃষি পণ্যের হাটবাজার। এ অঞ্চলের বিভিন্ন উপজেলা ছোট বড় ও মাঝারী ধরনের শিল্প কল কারখানা গড়ে উঠেলেও বৃহত্তর দরিদ্র জনগোষ্টি কৃষকদের কল্যানে কেহই কোন শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেনি।  
 জেলা দক্ষিনাঞ্চলের একাধিক কৃষক জানায়, স্থানীয় শিল্পপতিদের বিশাল বহর এ অঞ্চলের বাসিন্দা হলেও তাদের একান্ত আন্তরিকতা ও উদ্যোগের অভাবে এ অঞ্চলে কৃষিপণ্য রক্ষনাবেক্ষনে হিমাগারের মত কৃষিপন্য সংরক্ষনে কোন প্রতিষ্ঠান স্থাপন না করায় ওইসব পন্য বাজারজাতকরনে এ অঞ্চলের কয়েক লাখ কৃষক পরিবার আর্থিক ক্ষেত্রে মারাত্বক ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। তবে জেলার লালমাই উপজেলায় ২টি হিমাগার থাকলেও অপর ৫টি উপজেলায় না থাকায় কৃষি পন্য মজুদে সমস্যার অন্তঃ নেই। কৃষিপন্যের বাজারে নানাহ সংকটে পড়ে চরম মার খাচ্ছে এ অঞ্চলের কৃষকরা।  
সূত্র গুলো আরও জানায়, এ অঞ্চলের কৃষক সমাজ বিভিন্ন ব্যবসা ক্ষেত্রে বর্তমান তথ্য প্রযুক্তির যুগে বহু দূর এগিয়ে গেলেও কৃষি শিল্প প্রসার লাভ করতে পারেনি। স্থানীয় কৃষকরা কৃষিপণ্য সংরক্ষনে হিমাগারের অভাবে শীতকালীন মৌসুমে কৃষিজাত পন্য নিয়ে অবর্ননীয় দুর্ভোগ পোহাতে হয়। বিভিন্ন মৌসুমে দেখা যায় এ অঞ্চলের কৃষকরা প্রচুর পরিমান বাড়তি কৃষি পন্য উৎপন্ন করলেও রক্ষানাবেক্ষনের অভাবে ঐসব পন্যগুলো নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়ে লাখ লাখ টাকা গচ্ছা দিতে হচ্ছে এবং উৎপাদিত খরচের চেয়ে বিক্রিতে কম দামে অনেক টাকা তাদেরকে লোকসানের হিসাব গুনতে হচ্ছে। সরকারী কিংবা বেসরকারী পর্যায়ে কৃষিপন্য রক্ষানাবেক্ষনের স্বার্থে হিমাগার স্থাপন করলে এ অঞ্চলের কৃষক সমাজ তাদের উৎপাদিত কৃষি পন্য বর্তমান বাজার দরে বিক্রি না করে উক্ত হিমাগারে মওজুত রেখে পরক্ষনে সুবিধা জনক সময়ে বিক্রি করলে অনেকটা লাভবান হতো এবং সরকারও বিপুল পরিমান রাজস্ব আয়ের পথ সুগম হতো।  
     জেলা দক্ষিনাঞ্চলের কৃষিপন্য ব্যবসায়ীদের আরেকটি সূত্র জানায়, উপজেলাগুলোর হাট-বাজার গুলোতে প্রায় সময় কৃষকদের উৎপাদিত কৃষি পন্য রক্ষনা বেক্ষনের অভাবে খোলা আকাশের নিছে স্তুপ দিয়ে বসে থাকতে হচ্ছে পাশাপাশি অনেক সময় প্রখর রোদও বৃষ্টিতে ভিজে কৃষি পন্য গুলো নষ্ট হয়ে গো-খাদ্য হিসাবে ব্যবহার হচ্ছে। কৃষিপন্য রক্ষনাবেক্ষনে এ অঞ্চলে একাধিক হিমাগার স্থাপন করা প্রয়োজন। কিন্তু সরকারী ভাবে এ প্রকল্পের নামে কোন অর্থ বরাদ্দ নেই। এ অঞ্চলের স্থানীয় বিত্তশালী ও শিল্পপতিরা এ প্রকল্পে বিনিয়োগ করলে নিজেদের ব্যবসায়িক লাভ ও কৃষকদের পন্য মজুদ রাখতে যথেষ্ট সফলতা বয়ে আনতো। বিশেষ করে গ্রামীণ অর্থনীতি আরো চাঙ্গা হয়ে উঠতো। 
     এ ব্যাপারে জেলা-উপজেলা কৃষি ও শিল্প দপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের একাধিক কর্মকর্তার মুঠোফোনে বার বার চেষ্টা করেও তাদের বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। 

এমএসএম / এমএসএম

গ্রাম আদালত বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে শালিখায় কর্মশালা অনুষ্ঠিত

নড়াগাতীতে শিশু ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়ের

চাঁদপুরে খাল দূষণ ও ভরাট করায় দুই রাইস মিল মালিকের জরিমানা

ভূরুঙ্গামারীতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের নতুন উদ্যমে ঘর নির্মাণের কাজ শুরু

মাদারীপুরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই বংশের সংঘর্ষ, আহত ১৪

তারাগঞ্জে দায়সারা ভাবে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত,কৃষকদের ক্ষোভ

চট্টগ্রাম ​কাস্টমস হাউসে ঘুষ বাণিজ্য, রাজস্ব ফাঁকির ধুম

মোহনগঞ্জে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ, যুবকের বিরুদ্ধে মামলা

কুড়িগ্রামে জেলা টাউন ক্লাবে আধুনিক ডিজিটাল প্রজেক্টর উদ্বোধন

গোদাগাড়ীতে ডাসকো ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে স্টুডেন্ট ফোরামের দ্বি-মাসিক স্টাডি সার্কেল অনুষ্ঠিত

এসিল্যান্ডের ড্রাইভার থেকে কোটি টাকার সাম্রাজ্য

কুমিল্লায় গোল্ডেন লাইফ ইনসুরেন্সের আল-ফালাহ্ ইসলামী জীবন বীমা প্রকল্পের উন্নয়ন সভা অনুষ্ঠিত

কুড়িগ্রামে প্রথমবারের মতো চালু হলো রেডি টু কুক ফিস