ঢাকা বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬

শেরপুরে বাঁশ ও বেত শিল্পীদের দুর্দিন


শেরপুর প্রতিনিধি   photo শেরপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২১-৫-২০২৩ দুপুর ১:১৬
বাঁশ ও বেতশিল্প বাঙালি সংস্কৃতির  একটি বড় অংশ। বাঁশ দিয়ে ঘরের কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন জিনিসপত্র তৈরি করা হতো। আর এসব জিনিসপত্রের কদরও ছিল ভালো। অপ্রতুলতা ও পৃষ্ঠপোষকতার অভাব এবং পরিকল্পিত উদ্যোগের অভাবে বিলুপ্ত হতে চলেছে বগুড়ার শেরপুরের বাঁশ ও বেত শিল্প। দুর্দিন যাচ্ছে এই শিল্পের সঙ্গে জড়িত শিল্পীদের।  
 
বর্তমান বাজারে প্লাস্টিক পণ্য সামগ্রীর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে টিকে থাকতে না পেরে মুখ থুবড়ে পড়েছে এককালের ঐতিহ্যবাহী এই শিল্প। প্রান্তিক পর্যায়ে বিদ্যুৎ সুবিধা যেমন হাত পাখার চাহিদা কমিয়েছে তেমনি মৎস্য শিকার, চাষাবাদ, ঘরের যাবতীয় আসবাবপত্র সকল ক্ষেত্রেই কমেছে বাঁশ আর বেত জাতীয় হস্তশিল্পের কদর। প্রকৃতপক্ষে বাঁশ বেতের স্থান অনেকটাই প্লাস্টিক সামগ্রী দখল করে নিয়েছে। তাছাড়া এখন বাঁশ ও বেতের উৎপাদন কমে যাওয়ায় এর দামও বেড়ে গেছে। ফলে বাঁশ ও বেতের সামগ্রীর ব্যয়ও বেশি হচ্ছে। সৌখিন মানুষ ঘরে বাঙালির ঐতিহ্য প্রদর্শনের জন্য বাঁশ বেতের সামগ্রী বেশি দাম দিয়ে কিনলেও মূলত ব্যবহারকারীরা বেশি দাম দিতে চান না। অপরদিকে উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য না পাওয়ায় অভাব-অনটনের মধ্যে দিনযাপন করছেন বাঁশ শিল্পের সাথে সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলো। পরিবার পরিজন নিয়ে বেঁচে থাকতে অনেকেই এ পেশাকে ছেড়ে অন্য পেশায় ঢুকে পড়ছেন। ঐতিহ্যবাহী শিল্পকর্মটি বিলুপ্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
 
উপজেলার, মাঝিপাড়া, জোঁড়গাছা, তালপট্টি, বিনোদপুর, চকসাদী, কাশিয়াবালা গ্রাম এবং সুঘাট ও সীমাবাড়ী ইউনিয়নের বেশ কটি গ্রাম এক সময় বাঁশ ও বেত শিল্পের জন্য প্রসিদ্ধ ছিলো। এসব এলাকায় একসময় ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত গ্রামীণ পল্লিতে বাঁশের চটা দিয়ে চাটাই, কুলা, ডালা, টুকরি, টোপা, বুক সেলফ,  চালুনি, মাছ রাখার খালই, ঝুঁড়ি ও হাঁস-মুরগির খাঁচাসহ বিভিন্ন গৃহস্থালি  জিনিস তৈরি করা হতো। পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও এ কাজে সামিল হতো। আর হাটবারে স্থানীয় বাজারে এমনকি বাড়ি বাড়ি ফেরি করে এসব বাঁশ-বেতের পণ্য বিক্রি হতো। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে এ প্লাস্টিক পণ্যের আধিক্য এবং এ শিল্পের মূল উপকরণ বাঁশের মূল্য বৃদ্ধিতে বাঁশ-বেতের কারিগররা তাদের পেশা ধরে রাখতে হিমশিম খাচ্ছে। ফলে বেকার হয়ে পড়েছে গ্রামীণ কারিগররা। অনেকেই আবার এ পেশা ছেড়ে চলে যাচ্ছে অন্য পেশায়।
 
সচেতনমহল মনে করেন, এ শিল্পটি ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্পের অন্তর্ভুক্ত হলেও সরকারি কিংবা বেসরকারি কোনো সংস্থাই এ শিল্পকে টিকিয়ে রাখার ভূমিকা নিচ্ছে না। বাঁশ শিল্পকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা, পরিকল্পনা ও আধুনিক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা দরকার। সে সঙ্গে পেশায় জড়িতদের তালিকা করে সহজ শর্তে ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থা করা উচিত। এ বিষয়ে শেরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সানজিদা সুলতানা বলেন, শিল্পটি আমাদের বাঙালি সংস্কৃতিরই অংশ। আমরা চেষ্টা করব এদেরকে সার্বিক সহায়তা দিয়ে এ শিল্পকে সর্বত্র ছড়িয়ে দিতে।

এমএসএম / এমএসএম

ঘিওরে নৌকার হাট জমজমাট ব্যস্ত নৌকা শিল্পে সাথে জড়িত কারিগররা

লাকসামে তিন -শিশুকে যৌন নিপীড়ন অভিযুক্ত মকবুল গ্রেফতার

নওগাঁ-৬ আসনের এমপি রেজুর নিজস্ব অর্থায়নে আত্রাই ও রানীনগরে নির্মিত হচ্ছে পুলিশ বক্স

লাকসামে রেলওয়ে শ্রমিক ও কর্মচারীদল সম্মেলন ২০২৬ অনুষ্ঠিত

সিংড়ায় ১৯৮১ সালে খননকৃত গ্যাসকুপ, রাতারাতি বন্ধ, হাজারো প্রশ্ন!

মহারশি নদীর বন্যার স্থায়ী সমাধানে তিন মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হবেঃ ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

জাল দলিলে নামজারির অভিযোগ থাকা ভূমি কর্মকর্তা পুরস্কৃত, মদনে সচেতন মহলে ক্ষোভ

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৩ বিজিবির অভিযানে ৯৪ বোতল ভারতীয় এস্কাফ সিরাপ জব্দ

মোহনগঞ্জে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষক পদ শূন্য

বিশ্ব বাঘ দিবস আজ: সুন্দরবনে বাঘের সংখ্যা বেড়ে ১২৫, প্রযুক্তিনির্ভর সুরক্ষায় আশার আলো

আশুলিয়ার বেশিরভাগ সড়ক-মহাসড়ক গিলে ফেলেছে ব্যাটারিচালিত রিকশা

ভূরুঙ্গামারীতে যৌথ বাহিনীর অভিযানে গাঁজাগাছসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার

ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জন্য ১০০ কোটি টাকার ফান্ড গঠন করলেন প্রধানমন্ত্রী