ঢাকা শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী, ২০২৬

চট্টগ্রামে নিম্নমানের ভোজ্য তেলে বাজার সয়লাব


এসএম পিন্টু, চট্টগ্রাম ব্যুরো photo এসএম পিন্টু, চট্টগ্রাম ব্যুরো
প্রকাশিত: ২৯-৫-২০২৩ দুপুর ২:৫৩

চট্টগ্রামের জেলা ও নগরীর অলিগলিতে যত্রতত্র সহজেই মিলছে ভেজাল ভোজ্য তেল। এর ফলে একদিকে যেমন সরকার হারাচ্ছে বিপুল পরিমান রাজস্ব, ঠকছে ক্রেতা সাধারণ। অন্যদিকে নানা জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে সর্বসান্ত হচ্ছে ভোক্তা, এমনকি অকালে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছে অনেকে। এসব তেলের মধ্যে রয়েছে, সয়াবিন, পাম অয়েল, সুপার পাম ও সরিষার তেল। ভোজ্য তেল নিত্য প্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের তালিকার প্রথম দিকে থাকলেও একশ্রেণির অতিলোভী ব্যবসায়ীরা নিজেদেও খেয়াল খুশিমত এসব পণ্যে ভেজাল করে যাচ্ছে।

জানা যায়, মানুষের জীবিকা নির্বাহে ভোজ্য তেলের চাহিদার কথা বিবেচনা করে, চাহিদার সাথে পাল্লা দিয়ে শহর এবং জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠেছে খোলা তেলের প্যকেজিং কারখানা। ভুঁইফোড় এসব তেলের কারখানাগুলো নামিদামি ব্য্যান্ডের মোড়কে চোখ ধাঁধানো বাহারি রংয়ের লেবেল লাগিয়ে খোলা তেল বেপরোয়া ভাবে বোতলজাত করে বাজারে বিক্রি করছে। চাকতাই খাতুনগঞ্জের পাইকারি  বাজার থেকে ড্রামে ড্রামে খোলা সয়বিন সংগ্রহ করে নির্ভয়ে বোতলজাত করে আসছে এক শ্রেণির অসাধু মুনাফা লোভী প্রতারক চক্র। বিএসটিআইয়ের অনুমোদন ছাড়াই তাদের  মনোগ্রাম শিলমোহর বোতলের লেবেলেও লাগিয়ে দিচ্ছে এই চক্রটি।

নিবন্ধনকৃত তেল প্রস্তুতকারক কোম্পানিগুলো, বিশুদ্ধ তেলের প্যাকেট এবং তা বাজারজাত করতে সরকারের সকল প্রকার নিয়মকানুন অনুসরণ করার কথা থাকলেও সংশ্লিষ্ট সরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে কোন ছাড়পত্র ছাড়াই অবৈধভাবে খোলা তেলে বোতলজাত করে আসছে এই অসাধু চক্রটি। এতে জনস্বাস্থ্য মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে পড়ছে।  

জানা গেছে সয়াবিন তেল প্যাকেজিং করতে বেশকিছু সরকারি সনদের প্রয়োজন হয়। যার মাধ্যমে সরকার ভ্যাট ট্যাক্স সংগ্রহ করে থাকেন। বিশেষ করে ট্রেড লাইসেন্স, ইন্ডাস্ট্রি এলাকার লোকেশনপত্র, তেল পরিশোধনের অটো মেশিন, তেলের মান নিয়ন্ত্রণকারী ল্যাব্রটারি, ভিটামিন এ মিক্সচারের জন্য ডোজিং মেশিন থাকা আবশ্যক। এছাড়া অগ্নি নির্বাপক লাইসেন্স ও ব্যবস্থাপনা সামগ্রী, পরিবেশের সনদ, প্রিমিসেস সার্টিফিকেট (চসিক) স্থানীয় কাউন্সিলর / চেয়ারম্যান কর্তৃক প্রত্যয়ন পত্র, নবায়নযোগ্য আয়কর সার্টিফিকেট, কৃষি সনদ, শ্রম অধিদপ্তর থেকে কলকারখানার সনদ, বাংলাদেশ সাইন্স ল্যাব কর্তৃক ক্যলিব্রিশন সনদ (ওজন মাপা), ফুড গ্রেট সনদ, বিএসটিআই কর্তৃক থার্মোমিটার ই,আর,সি এবং আই,আর,সি সনদ, এনবিআর'র আপডেট কাগজপত্রের অবশ্যই প্রয়োজন হয়।

সরকারি অনুমোদিত সকল প্রকার বৈধ কাগজপত্র সংগ্রহ করতে হলে ভ্যাট ট্যাক্স ফি বাবদ কিছু টাকা পয়সা সরকারের সংশ্লিষ্ট রাজস্ব খাতে জমা দিয়ে বৈধ কাগজপত্র সংগ্রহ করতে হয়। 

সূত্র জানায়, লক্ষ লক্ষ টাকা আয়কর ফাঁকি দিয়ে সরকারকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে খোলা তেল প্যকেজিং এর মাধ্যমে রমরমা বাণিজ্য  চালিয়ে যাচ্ছে প্রভাবশালী চক্র। এতে বছরে কোটি কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার।

এছাড়া তেলের বাজারে অস্থিরতা মূল্য বৃদ্ধি  ওঠা নামার নেপথ্যে কলকাঠিও নাড়াচ্ছ এই চক্রটি। একসাথে ক'য়েক হাজার টন তেলের ডিউ কিনে কৃত্রিম সংকটের সৃষ্টি করে লিটার প্রতি ১০/২০ টাকা বাড়িয়ে দৈনিক লক্ষ লক্ষ লিটারে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বলে সূত্র জানায়। 

চট্টগ্রামে অবৈধ তেলের বাজার নিয়ন্ত্রণ চক্রের অন্যতম সদস্য বায়েজিদ থানাধীন নয়াহাটের জসিম স্টোরের পার্শ্বস্থ একটি ঘরে মো. আ. হালিম। তিনি এস,এস কর্পোরেশনের ব্যনারে ক্লাসিক ব্রান্ডের মোড়কে খোলা তেল বোতলজাত করছে। "নূর" সয়াবিন ব্রান্ডের মালিক মো. আরজু মিয়া। তারও বোতলজাতকৃত খোলাতেল বাজারে চলমান রয়েছে। বায়েজিদ থানাধীন টেনারি বটতল এলাকায় তার কারখানার সন্ধান পাওয়া গেছে। "রেসিপী" ব্র্যান্ডের মালিক মো. মিজান খোলাতেল বাতলজাত করছেন অক্রিজেন এলাকার ওয়াবদার গেইট তার কারখানা। 

 বায়েজিদ থানাধীন অক্সিজেন, ওয়াবদা গেইট সংলগ্ন রয়েছে তার কারখানা। আজমীর/কাশ্মীর মোড়কে তেল বাজারে দেখা যায়, তবে এর মালিক আবুল বশরের স্ত্রী রোজিনা বেগমের সাথে কথা হলে তিনি জানান, একমাস পূর্বে তার স্বামী আবুল বশর মারা গেছেন। এখন তাদের ব্যবসা বন্ধ। এর পূর্বে যেসব মাল বাজারে ছাড়া হয়েছে, সেগুলো হয়তো কোন কোন দোকানে থাকতে পারে। "এস,আমানত" ব্রান্ডের মালিক মো. হোসাইন, বর্তমানে তার আপন ভাই মো. আলমগীর তার ব্যবসা পরিচালনা করছে। শাহ্ আমানত সেতুর দক্ষিণ পাড় মইজ্জারটেক এস আলম অয়েল মিল সংলগ্ন তার কারখানা। "ফ্রেশলী" নামের আরেকটি ব্র্যান্ড যার মালিক মো. শফি, মইজ্জার টেক, কর্ণফুলী থানা এলাকায় তার কারখানার সন্ধান পাওয়া যায়। 
নূর-ত্রিবিনীঃ এস,এস, অয়েল ট্রেডিং এর মোড়কে খোলা তেল বোতলজাত করছেন মো. সেলিম হাওলাদার। অক্সিজেনস্থ নয়া হাটের উত্তরে একটু ভিতরে তার কাখানা। "রাইসা" ব্র্যান্ডের মালিক মো. জাহাঙ্গীর, বিবির হাট, ফটিকছড়ি চট্টগ্রাম। "আল নূর" ব্রান্ডের মালিক মো. রাশেদ, শান্তির হাট রাঙ্গুনিয়া, চট্টগ্রাম। 

বোয়ালখালী উপজেলার, ফুলতলা এলাকায় খোলা তেল আর খোলা ঘি একসাথেই প্যাকেজিং করছেন মো. এমদাদ নামের এক ব্যবসায়ী।

জানা গেছে, বিএসটিআই এবং ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এসব অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে একাধিকবার শাস্তি প্রদান করেও এদেরকে দমিয়ে রাখতে পারেনি। দন্ডপ্রাপ্ত অসাধু ব্যবসায়ীরা স্থান পরিবর্তন করে ভিন্ন স্থানে গিয়ে পুনরায় একই অপকর্মে লিপ্ত হয়।

সুত্র জানায় চাক্তাই খাতুনগঞ্জ এলাকা থেকে এস,আলম, সিটি গ্রুপ, টিকে, কর্ণফুলী গ্রুপের খোলা তেল পাইকারি হিসাবে ক্রয় করে, ১৮৬ কেজি ওজনের প্লাস্টিক ড্রামে ভর্তি করে নগর ও জেলার বিভিন্ন নির্জন নিরাপদ স্থানে নিয়ে প্লাস্টিক বোতলজাতের মাধ্যমে রমরমা বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে চক্রের সদস্যরা। 

জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ সুরক্ষার্থে খোলা তেল বাজারজাত করতে সরকারি যেসকল  নিয়ম কানুনের দরকার হয়! তার একটিও মানছেনা তারা।
 
ভিটামিন ‘এ’ সমৃদ্ধ ফর্টিফাইড সয়াবিন ও পাম অলিন তেল বিক্রি করার কথা থাকলেও ভোজ্য তেল বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠানগুলো এ নিয়মকানুন মোটেই তোয়াক্কা করছে না। বিশেষকরে ভোজ্য-তেল পরিশোধিত কারখানাগুলো জনস্বাস্থ্যের প্রতি নজর রেখে ভোজ্য তেলে পরিমিত ভিটামিন ও পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধি করে তা বাজারজাত করার নিয়ম থাকলেও  অসাধু ব্যবসায়ী চক্র তা মানছে না।

নগরীর বিভিন্ন অলিগলি ও জেলার প্রতিটি উপ-শহর গুলোতে খুদে ব্যবসায়ীদের দোকানে এসব নামসর্বস্ব ব্রান্ডের বোতলজাতের নিম্নমানের তেল বিক্রি হতে দেখা যায়।
বিএসটিআইয়ের সীলমোহর ব্যবহার করে জনসাধারণের সাথে প্রতারণা ও জালিয়াতি করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে চক্রটি। সুত্র জানায় চট্টগ্রাম মহানগর ও জেলার বিভিন্ন উপজেলায় অন্ততঃ ২৫ টি নামসর্বস্ব ব্রান্ডের সন্ধান পাওয়া গেছে। এরা বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে অধিকতর মুনাফা অর্জন করতে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। 

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায় যে, বছরে বিশ্বের প্রায় ৬০ কোটি মানুষ ভেজাল ও দূষিত খাদ্য গ্রহণের ফলে অসুস্থ হয়ে নিত্যনতুন অজানা রোগে আক্রান্ত হয়ে পরছে। ভেজাল খাদ্যের কারণে মারা যায় প্রায় ৪ লাখ ৪২ হাজার মানুষ। এছাড়া দূষিত খাদ্য গ্রহণের কারণে পাঁচ বছরের কম বয়সি ৪৩ শতাংশ শিশু নানাবিধ রোগে আক্রান্ত হয় বলে প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হয়। যাদের মধ্যে মারা যায় ১ লাখ ২৫ হাজার শিশু। 

বাংলাদেশ পরিবেশ বাঁচাও অন্দোলনের (পবা) এক গবেষণার প্রতিবেদন বলছে, শুধু ভেজাল খাদ্য গ্রহণের কারণে প্রতিবছর দেশে ৩ লাখ লোক ক্যানসারে, ২ লাখ লোক কিডনি রোগে, দেড় লাখ মানুষ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হয়। 
এছাড়া গর্ভবতী মায়েরা জন্মদান করেন প্রায় ১৫ লাখ বিকলাঙ্গ শিশু। ভেজাল খাদ্য গ্রহণের ফলে দেশে হেপাটাইটিস, কিডনি, লিভার ও ফুসফুস সংক্রমিত রোগীর সংখ্যাও বাড়ছে। 
ভেজাল সয়াবিন ও পাম অয়েল মানবদেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর বলছেন বিশেষজ্ঞরা। যা চোখে জ্বালা, নাকে শুষ্কতা ও প্রদাহ তৈরিসহ ফুসফুস ও লিভারের ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভেজাল ও মানহীন ভোজ্য তেলের নিয়মিত ব্যবহার জনসাধারণের স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে।

ভেজালের ভিড়ে বিশুদ্ধ খাবারের ধারণা আমাদের মাঝ থেকে হারিয়ে যাচ্ছে বলে জানান সচেতন মহল। খাবারে ভেজালের কারণে নানারকম শারীরিক অসুস্থতা দেখা দেয়। তারপরও খাবার সংরক্ষণের নামে খাবারে বিষ মেশানোর মতো জঘন্য অপকর্ম থেমে নেই। দেশে ভেজালবিরোধী আইন রয়েছে। ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে খাদ্যে ভেজাল দেওয়া এবং ভেজাল খাদ্য বিক্রির সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধানও রয়েছে। রয়েছে ১৪ বছরের কারাদণ্ডেরও বিধান। সরকারের উদ্যোগে ভেজালবিরোধী অভিযানও পরিচালিত হচ্ছে। তবুও থামছেনা এ চক্রের অপকর্ম। সম্প্রতি বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) ২৬ প্রতিষ্ঠানের সন্ধান পেয়েছে, যারা নিম্নমানের ভোজ্য তেল বাজারজাত করে। আবার অনেক প্রতিষ্ঠানে লাইসেন্সের মেয়াদ পার হলেও তা নবায়ন না করে  বেপরোয়া ভাবে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। 
এবিষয়ে কনজ্যুমারস এসাসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সভাপতি এস.এম নাজের হোছাইন বলেন, খাদ্যে ভেজাল রোধে সরকারের নানামুখি উদ্যোগ থাকলেও মাঠ র্পায়ে দায়িত্বরত সরকারের লোকজনের দায়িত্বহীনতার কারনে সেটা সফল হচ্ছে না। সরকার সয়াবিন তেলে ভেজাল রোধে খোলা সয়াবিন বিক্রি নিষিদ্ধ ঘোষনা করেছে। কিন্তু অসাধু ব্যবসায়ীরা সরকারের এই সিদ্ধান্ত মানতে নারাজ। তারা পাম অয়েলে নানা কিছু মিশ্রণ করে বাজারজাত করতে আগ্রহী। আর সরকারের এই ভেজালরোধে দায়িত্বপ্রাপ্ত বিএসটিআই এসমস্ত অসাধু ব্যবসায়ীদের সাথে মাসিক চুক্তি ভিত্তিতে নিয়োজিত। তারা লোকবল ও ম্যাজিস্ট্রেট নাই বলে পুরানো গল্প নিয়ে এসমস্ত ব্যবসা প্রসারে কাজ করে নিজেরা আখের গোচাচ্ছেন। ফলে মানব দেহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ন এই সয়াবিন তেলের ভেজাল নিয়ে খুবই সংকটে আছি। ভোক্তারা এর পরিত্রাণ চাইলেও ব্যবসায়ীদের স্বার্থের কারনে এটা সম্ভব হচ্ছে না। আমরা  ভেজাল বিরোধী অভিযান আরো জোরদার করার দাবি জানাচ্ছি। কঠোর ব্যবস্থা জন্য প্রয়োজনে র‌্যাপিড এ্যাকশান ব্যাটালিয়ানের (র‌্যাবে) সহায়তা নিতে পারে। তবু আমার ভেজালমুক্ত খাবার সরবরাহের দাবি জানাই।

বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) সহকারি পরিচালক (সিএম) মো. মোস্তাক আহমদ বলেন, কিছু অনুমোদন বিহীন ভুঁইফোর প্রতিষ্ঠান আইনের চোখ ফাঁকি দিয়ে ভেজাল তেল ও খাদ্য সামগ্রী বাজারে সরবরাহ করছে এটা ঠিক। আমরা অভিযান চালিয়ে জরিমানা ও প্রতিষ্ঠান সিলগালাসহ আইনি পদক্ষেপ নিচ্ছি। তবু তারা বেপরোয়া, কিছুতেই থামানো যাচ্ছেনা। আবারও এসব ভেজালকারীর বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে প্রচলিত আইনে শাস্তির ব্যববস্থা করা হবে।

এমএসএম / এমএসএম

ঠিকাদারের গাফিলতিতে ধ্বসে গেছে মাদ্রাসা ভবন

আত্রাইয়ে সেই কারামুক্ত অসহায় বৃদ্ধা রাহেলার পাশে ইউএনও শেখ মো. আলাউল ইসলাম

আত্রাইয়ে বিএনপি মনোনীত এমপি প্রার্থী শেখ রেজাউল ইসলাম রেজুর গণসংযোগে নেতাকর্মীদের ঢল

বেনাপোল বন্দরে শুল্কফাঁকির পার্টসের চালান জব্দ

রাজস্থলীতে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সরস্বতী পূজা অনুষ্ঠিত

বীর মুক্তিযোদ্ধা এস এম ইমাম উদ্দিনের ২৭তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

কুড়িগ্রামে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচারনা শুরু

কুমিল্লায় নির্বাচনি প্রচারে মাঠে প্রার্থীরা

রাঙ্গামাটিতে সিএনজির উপর মালবাহী ট্রাক চাপায় এক নারী যাত্রী নিহত

শালিখায় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সরস্বতী পূজা অনুষ্ঠিত

মান্দায় গরীবের সম্বল কেড়ে নিলেন- এক ইউপি সদস্য

বাগেরহাটের ফকিরহাটে চুরি করতে এসে গৃহিণীকে হত্যার অভিযোগ

তারাগঞ্জে জামায়াতের নির্বাচনী স্বাগত মিছিল