পাটপণ্যে বৈচিত্র আনছে জুটেক্স
আখতারুজ্জামান তুষার
নির্বাহী পরিচালক
জুটেক্স
আখতারুজ্জামান তুষার নিজে বিশ্বাস করেন ‘একটি ভাল উদ্যোগ, একজন মানুষকে সফল উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে’। সে বিশ্বাস থেকে পাট নিয়ে ভিন্ন কিছু করার চেষ্টা করছেন তিনি। এর ফলশ্রুতিতে ইকো শপিং ব্যাগ, পরিবেশ বান্ধব পাটের কাপড় তৈরি করছেন। এসব কাপড় ব্যাবহার করে এবং পরিধেয় বস্ত্র তৈরি করে নতুন উদ্যোক্তা তৈরি হচ্ছে। নারীদের কর্মসংস্থানের লক্ষ্য পাট শিল্পকে গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলে নিয়ে যেতে চেষ্টা করছেন তিনি। এরই মধ্যে মধুপুর, পীরগাছা, করটিয়া, টাংগাইলে বহু নারী প্রশিক্ষণের মাধ্যম স্বাবলম্বী হয়েছেন। তাঁর লক্ষ্য- মেশিন ছাড়া গ্রামের মহিলাদের হাতে কলমে কাজ শেখানো ও ঘর সংসার ঠিক রেখে, উপার্জনে অবদান রাখার মতো কর্মী তৈরি করা।
পাট ও পাটজাত পণ্য নিয়ে তিনি ব্যবসা শুরু করেছিলেন ২০১২ সালে। বায়িং হাউজে কাজের সময় একটি পাটের ব্যাগ তৈরির অর্ডার নিয়ে কাজ করতে গিয়ে বিজেআরআই এর সাথে যোগাযোগ হয়। বাংলাদেশের পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট এর পরিচালক ড. কামাল হোসেন এর অনুপ্রেরণায় পাট নিয়ে কাজ করতে আগ্রহ বাড়ে তাঁর। এরপর থেকে পাট নিয়ে কাজ শুরু করেন। বর্তমানে পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট এর সাথে চুক্তি ভিত্তিক কাজ করছেন। তিনি নতুন কিছু করতে পছন্দ করেন। গতানুগতিক ধারা থেকে একটু আলাদা ভাবে পাট ও পাটজাত পণ্যক বিকশিত করার জন্য কাজ করছেন তিনি। তিনি বলেন- ‘আমাদের দেশে পাট অনেক ভালো জন্মে। এ পাটের চাহিদা আছে বিশ্বজুড়ে। যে কারনে পাটজাত পণ্য নিয়ে কাজ করার মাঝে লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে অনেক বেশি। ভিন্ন কিছু করার তাড়নায় কারখানায় তৈরি করছি বৈচিত্রময় সব কাপড়। মূলত পাটজাত পণ্যকে আধুনিকায়ন করার চেষ্টা করছি। তৈরি করছি পাটের হ্যানলুম কাপড়। এই কাপড় বিদেশে রপ্তানি হচ্ছে। এছাড়াও নতুন ভাবে পাটের শাড়ি তৈরি করছি যা ইতিমধ্যে অনেক সাড়া পড়েছে দেশ ও দেশের বাহিরে।’
পাট পণ্যের চাহিদা দেশের বাজারের তুলনায় ইউরোপে বাজারে বেশি। আখতারুজ্জামান তুষারের কারখানায় তৈরি কাপড় এর মান ও ডিজাইনের ভিন্নতার কারণে উদ্যোক্তাদের কাছে ভিন্ন মাত্রায় পৌঁছেছে। তিনি জানান- ‘আমাদের দেশে জুট মিলগুলো কিছু নির্দিষ্ট ডিজাইনের পণ্য তৈরি করে, যা যুগের পরিবর্তন এর সাথে চাহিদা ভিত্তিক যোগান দিতে পারছে না। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে নিয়ে জুট কটন বেইজ কাপড় তৈরি করছি। আর ক্রেতারা তাদের চাহিদা অনুযায়ী সংগ্রহ করতে পারছে। জুটেক্স এর পণ্য সামগ্রি সবসময় মিরপুর এর নিজস্ব অফিসে পাওয়া যায়। এছাড়া পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয় এর সেল সেন্টার জেডিপিসি, মতিঝিল করিম চেম্বার, লালমাটিয়ার অফিস, জয়িতার আউটলেট, চ্যানেল আই এর ঐক্য স্টোর এবং টাংগাইলের কারখানার সামনে শোরুম থেকে সংগ্রহ করা যাবে জুটেক্স এর পণ্য। সারাদেশে বিভিন্ন সময় এসএমই মেলা, জেডিপিসি ও বিসিক এর সরকারী মেলায় অংশগ্রহণ করেন তিনি। বর্তমানে জুটেক্সে ৮ জন স্থায়ী ও কিছু অস্থায়ী কর্মী রয়েছে। পাটজাত পণ্য নিয়ে কাজ করার পাশাপাশি আমার একটি রেস্টুরেন্টের ব্যবসা রয়েছে। টাংগাইল শহরের প্রাণকেন্দ্রে মোমো হাট ফাস্ট ফুড নামে পরিচিত।
Sunny / Sunny
বাংলাদেশ ট্যুরিস্ট পুলিশে চাকরি
বাংলাদেশ হোন্ডার নিয়োগ
আড়ংয়ে সেলস অ্যাসোসিয়েট পদে চাকরি
ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সে নিয়োগ
সিটি ব্যাংক ৬ জেলায় নিয়োগ
বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংকে স্নাতক পাসে নিয়োগ
মাভাবিপ্রবিতে শিক্ষক নিয়োগ
ইউনাইটেড ফাইন্যান্স অফিসার পদে নিয়োগ
বিকাশের নিয়োগ
প্রিমিয়ার ব্যাংকে নিয়োগ, ৪৫ বছরেও আবেদনের সুযোগ
মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় নেবে ১৬ জন
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬ থেকে ২০ গ্রেডে চাকরি, পদ ১০০