সলঙ্গায় রাস্তা নির্মানের ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ
সিরাজগঞ্জের সলঙ্গার হাটিকুমরুল হাইওয়ে সড়ক থেকে সলঙ্গা রাস্তাটি অতি গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক সড়কটি সংস্কারে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। রাস্তাটির সংস্কারের কাজ দীর্ঘদিন পরে শুরু হলেও কাজ নিয়ে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগের যেনো শেষ নেই। অভিযোগ পাওয়ার পরেও সংশ্লিষ্ট দপ্তর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন না করায় এলাকাবাসীর মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এলজিইডির নির্বাহী প্রকোশলীর দাবী নিম্নমানের উপকরণ অপসারণ না হওয়া পর্যন্ত কাজ বন্ধ রাখা হবে ।দীর্ঘদিন এই রাস্তাটি চলাচলের অনুপযোগী না হওয়ায় হাটিকুমরুল থেকে সলঙ্গা ৪কিলোমিটার রাস্তা পুনঃসংস্কারের জন্য দরপত্রের মাধ্যমে কাজের দায়িত্ব পান পিয়াস কনস্ট্রাকশনের মালিক আব্দুস সালাম। কাজের বরাদ্ধ ৩ কোটি ১৬ লক্ষ টাকা। পরবর্তীতে কাজটি করার জন্য আক্তার হোসেন ও আব্দুল মোতালেবসহ তিনজনকে কাজের সাব ঠিকাদার নিয়োগ করেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রায় তিন মাস পুর্বে সংস্কার কাজ শুরু হলেও প্রথম থেকে প্রতিটি কাজে নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার করা হয়।রাস্তা চওড়া করতে দুই পাশের খনন করলে খোয়া আর মিশ্রিত বালি দিয়ে বক্স না করেই নিম্নমানের রাবিশ দিয়ে নির্মান কাজ করা হচ্ছে রাস্তাটির।
কার্পেটিং কাজের জন্য আনা হয় নিম্নমধ্যম মানের উপকরণ। অভিযোগ রয়েছে,বিভিন্ন রাস্তার উঠানো কার্পেটিং ইটভাঙ্গা মেশিনে ছোট করা হয়। রাতের আধারে সেই ডাস্ট নিয়ে সলঙ্গা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে নিয়ে রাখা হয়।পরিত্যক্ত ডাস্ট নিচে রেখে নতুন পাথর দিয়ে ঢেকে ফেলা হয়। বিষয়টি এলাকাবাসী টেরপেয়ে বিভিন্ন দপ্তরকে মোখিক ভাবে অবহিত করে। গনমাধ্যমকর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে এর সত্যতা পায়। অনিয়মের বিষয়টি তাৎক্ষনিক উল্লাপাড়া উপজেলা প্রকৌশলীকে অবহিত করেন গণমাধ্যম কর্মীরা।
সাব ঠিকাদার আক্তার হোসেন নিম্নমানের উপকরণ নিয়ে আসার কথা স্বীকার করে বলেন,কয়েকগাড়ি ডাস্ট ভুলে গাড়ির ড্রাইভার তুলে এনেছে,খুব তাড়াতাড়ি সড়িয়ে নেয়া হবে। কিন্ত সাব ঠিকাদার তা না করে রাতের আধারে আরও কয়েকগাড়ী ভালো পাথর এনে ডাস্টগুলো ঢেকে ফেলে। রাস্তা সংস্কারের নানা অনিয়ম নিয়ে জানতে চাইলে সাব ঠিকাদার আব্দুল মোতালেব অনিয়মের সত্যতা স্বীকার করে বলেন,নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী খুব দ্রুতই সরিয়ে নিয়ে ভালো মানের নির্মান সামগ্রী নিয়ে আসা হবে।অনিয়মের কথা সাব ঠিকাদারগন স্বীকার করলেও উপজেলা প্রকৌশলীর তেমন কোন ভুমিকা দেখা যায়নি। অভিযোগ পেয়ে উপজেলা প্রকৌশলী এসে নিম্নমানের উপকরণ অপসারণ না করে পরে দেখা হবে জানিয়ে চলে যান। এলাকাবাসী ও স্থানীয়দের অভিযোগ অনিয়মের পরে কাজ বন্ধ রাখার অনুরোধ করা হলেও এখনো অনিয়মের মাধ্যমে কাজ করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন সাব ঠিকাদার আক্তার হোসেন ও আব্দুল মোতালেব। তাদের সহযোগীতা করছেন সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা এমন দাবী এলাকাবাসীর। উল্লাপাড়া উপজেলা প্রকৌশলী আবু সাইদ বলেন, পরিত্যক্ত ডাষ্ট আনা হয়েছে এমন অভিযোগ তার কাছে এসেছে। কাজ শুরু করার আগে এগুলো কাটিং করে মিশ্রন করা হবে। তখন নিম্নমানের উপকরণ থাকলে বাছাই করে কাজ করা হবে। এছাড়া আপাতত এখন আর কোন উপায় নেই। এমন আচরনে এলাকার মানুষের মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।সিরাজগঞ্জ জেলা এলজিডির নির্বাহী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি অবগত হয়েছি নিম্ন মানের উপকরন অপসারন করা না হলে কোনো প্রকার রাস্তার কাজ করতে দেওয়া হবেনা। যদি কেউ অনিয়ম করে কাজ করেন তার বিরুদ্ধে অধিদপ্তর ব্যবস্থা নেবে।
এমএসএম / এমএসএম
বারহাট্টা উপজেলা ছাত্রদলের আনন্দ মিছিল অনুষ্ঠিত
রৌমারীতে ভিটেমাটি ফিরে পেতে চায় উচ্ছেদ হওয়া, রাস্তায় দিনাতিপাত পরিবার
ধামইরহাটে দাতা সদস্যদের বঞ্চিত করে কমিটি গঠন ও প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন
সিংগাইরে জমে থাকা ময়লার ভাগাড় পরিষ্কারে নেমেছে একদল সেচ্ছাসেবক
চট্টগ্রাম দক্ষিণ সড়ক বিভাগ ঠিকাদার কল্যান সমিতির কমিটি গঠন
কালাই প্রেসক্লাবের নতুন নেতৃত্ব: সভাপতি ডলার, সম্পাদক পাভেল
হাজীগঞ্জে ৩ প্রতিষ্ঠানকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা
গাজীপুরে সাংবাদিকদের কর্মশালা: পেশাদারিত্ব ও আপসহীন সত্যের আহ্বান
চট্টগ্রাম প্রেস ও র্যাব-৭ এর মধ্যে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত
নওগাঁয় কাঁচা মরিচের ঝাঁজে দিশেহারা সাধারণ ক্রেতা
পটুয়াখালীতে প্রতি মাসে কোটি টাকার সাপের বিষের সম্ভাবনা, তবু সংকটে দেশের একমাত্র স্নেক ভেনম ফার্ম
নদী গর্ভে বসতভিটা বিলিন হওয়ার ভয়ে সঞ্চয়কৃত টাকায় জমি কিনে বিপাকে জেলে পরিবার
আদালতে আত্মসমর্পণের পর জামিন নামঞ্জুর: কারাগারে গেলেন ছাত্রলীগ নেতা তোহা
Link Copied