চাহিদার তুলনায় গাজীপুরে কোরবানি পশু ঘাটতি প্রায় ১ লাখ
পবিত্র ঈদুল আজহা আগামী ২৯ জুন। আর মাত্র ৯ দিন বাকি আছে। ইতোমধ্যে কোরবানির জন্য পশু ক্রয়-বিক্রয় শুরু হয়েছে দেশের প্রায় সব স্থানে। এ বছর গাজীপুর জেলায় কোরবানির জন্য প্রস্তুত আছে ৮৫ হাজার ২৩৭টি পশু। তবে, তা চাহিদার তুলনায় ৯৩ হাজার ৫০৫টি কম বলে জানিয়েছে জেলা প্রাণিসম্পদ অফিস।
এদিকে, গাজীপুর জেলার ৭ হাজার ১৫২টি খামারে হৃষ্ট-পুষ্ট কোরবানির যোগ্য পশু তৈরি করা হয়েছে। এসব খামারের খামারিরা বলছেন, ভারত থেকে পশু দেশে প্রবেশ করতে না পরলে ভালো দাম পাবেন তারা।
জেলায় পশু বিক্রির জন্য হাট নির্ধারণ রয়েছে ৬৮টি। এসব হাটে বিক্রির জন্য আসা পশুগুলোর চিকিৎসার জন্য জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের ৬২টি মেডিকেল মনিটরিং টিম কাজ করবে।
গাজীপুর জেলা প্রাণিসম্পদ অফিস সূত্রে জানা গেছে, গাজীপুর জেলায় কোরবানির জন্য প্রস্তুত আছে ৮৫ হাজার ২৩৭টি বিভিন্ন প্রকারের পশু। এরমধ্যে ষাঁড় রয়েছে ৩৩ হাজার ৩৩১টি, বলদ ৪ হাজার ৮৫০টি, গাভি ১২ হাজার ৬১টি, মহিষ ১ হাজার ৬০টি, ছাগল ২৯ হাজার ৬৩৩টি, ভেড়া ৩ হাজার ৫৭০টি এবং অন্য পশু রয়েছে ২৬ টি। এবার জেলায় কোরবানির পশুর চাহিদা রয়েছে ১ লাখ ৭৮ হাজার ৭৪২ টি। ঘাটতি রয়েছে ৯৩ হাজার ৫০৫টি।
গাজীপুর সদরে পশু প্রস্তুত রয়েছে ৮,৬৪৭টি। এখানে কোরবানির জন্য চাহিদা রয়েছে ৫০ হাজার পশুর। ঘাটতি ৪১,৩৫৩টি। কালিয়াকৈরে প্রস্তুত রয়েছে ১২ হাজার ৪০৩ টি পশু। সেখানে চাহিদা রয়েছে ২৮ হাজার ৮২৮টি এবং ঘাটতি ১৬ হাজার ৪২৫টি পশুর। শ্রীপুরে প্রস্তুত ১৮ হাজার ৫৩৬টি পশু। সেখানে চাহিদা রয়েছে ৪৭ হাজার ৯০০ এবং ঘাটতি ২৯ হাজার ৩৬৪টি পশুর। কাপাসিয়ায় প্রস্তুত ২১ হাজার ২৯৪টি পশু। সেখানে চাহিদা রয়েছে ২২ হাজার ৫১৪টি এবং ঘাটতি ১ হাজার ২২০টি পশুর। এছাড়া কালীগঞ্জে প্রস্তুত ২৪ হাজার ৩৫৭টি কোরবানি যোগ্য পশু। সেখানে চাহিদা ২৯ হাজার ৫০০টি এবং ঘাটতি ৫ হাজার ১৪৩টি পশুর।
জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের তথ্য অনুযায়ী ২০২২ সালে গাজীপুরে ৮৯ হাজার পশু কোরবানি হয়েছিল।
অয়ন এগ্রো ফার্মের মালিক আকরাম হোসেন বলেন, ‘মায়ের শখ ছিল গরুর খামার করার। মায়ের ইচ্ছে পূরণ করতেই খামার করেছি। এখন এটা পেশা হিসেবে নিয়েছি। আমরা আশা করছি খামার থেকেই সব গরু বিক্রি করতে পারবো। আমরা প্রকৃতিক উপায়ে ঘাষ ও খড় খাওয়াই গরুদের। আমাদের খামারে রয়েছে সব দেশি গরু। তাই সবার উচিত খামার থেকেই পশু ক্রয় করা।’
তিনি আরও বলেন, ‘ভারত থেকে যে গরু আসে সেগুলো বোল্ডার। ভারতের গরু যদি অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ না করে তাহলে খামারিরা লাভবান হবেন।’
ব্যবসায়ী আলতাফ হোসেন বলেন, ‘গাজীপুরে খামারগুলোতে পশু প্রকৃতিক উপায়ে লালন পালন করা হয়। আমরা এসব খামার থেকেই কোরবানির জন্য গরু কিনে থাকি। বেশ কয়েকটি খামার ঘুরে পশু দেখে রেখেছি। এবারও কোরবানির পশু খামার থেকেই কিনবো।’
গাজীপুর জেলা অতিরিক্ত প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. লিপি রানী বসাক বলেন, আমাদের যে পাঁচটি উপজেলা রয়েছে সেখানে প্রত্যেকটি খামারিদের সঙ্গে কথা বলেছি যেন তারা পশু মোটাতাজাকরণের ওষুধ ব্যবহার না করেন। এছাড়াও কোরবানি উপলক্ষে যারা মাংস প্রস্তুত করেন তাদেরকেও প্রশিক্ষণ দিয়েছি। উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার, ভেটেনারি সার্জন নিয়মিত খামারিদের সঙ্গে কথা বলেছেন, মনিটরিং করেছেন।
এমএসএম / এমএসএম
হাতিয়ায় অস্ত্র দিয়ে ছাত্র দল নেতাকে ফাঁসানোর প্রতিবাদে কোস্টগার্ডের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত
বিএনপির প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিলের আপিল ঘিরে বিতর্ক, ভাইরাল অডিওতে তোলপাড় ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪
বোয়ালমারীতে ইউনাইটেড আরব আমিরাতের ত্রাণ ও কম্বল বিতরণ
দিয়ামনি ই কমিউনিকশনের আয়োজনে সাভারে স্টল ফ্রী মেলায় স্থান পেলো ২৫ জন উদ্যোক্তা
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি জামিরুল ইসলাম জামু গ্রেফতার
সরিষার হলুদে রঙিন ত্রিশাল : বাম্পার ফলনের আশা
গোপালগঞ্জে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পূর্ণ প্রস্তুতি
নাঙ্গলকোটে দু'জনকে গুলি করে হত্যা
মনপুরায় প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে আসা তরুণীকে গণধর্ষণের অভিযোগ
কুড়িগ্রামে এলপিজি সংকটে দাম দ্বিগুণ, তবু মিলছে না গ্যাস
কালো ধোঁয়ার দখলে রায়গঞ্জ, ঝুটে পুড়ছে চাতাল
কুমিল্লার মুরাদনগরে হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ি থেকে লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার
সিডিএ’র নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ
Link Copied