ইউনিটেক্সের ফারহান আহমেদসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট
জোরপূর্বক বনভূমিতে অনুপ্রবেশ করে মাটি খনন, বাঁধ নির্মাণের চেষ্টা,সীমানা নিধারণ ও বন দখলের ঘটনায় সীতাকুণ্ডে ইউনিটেক্স গ্রুপের পরিচালক (লিগ্যাল অ্যান্ড এস্টেট) ফারহান আহমেদসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে বন আদালতে অভিযোগ করা হয়েছে। উপকূলীয় বন বিভাগের পক্ষ থেকে গত ২৫ জুনে চট্টগ্রাম বন আদালতে পিওআর (প্রসিকিউশন অফেন্স রিপোর্ট) দাখিল করা একটি মামলায় গত ৫ জুলাই ৬ আসামীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা (ওয়ারেন্ট) জারী করেছে আদালত। বিষয়টি নিশ্চিত করে চট্টগ্রাম বন আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এডভোকেট রবি শঙ্কর চৌধুরী জানান, পিওআর দাখিল করা অভিযোগের ভিত্তিতে ৬ আসামীর বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট জারী করেছে আদালত। এই আদেশের কপি সংশ্লিষ্ট সীতাকুণ্ড মডেল থানায় প্রেরণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, বনভূমি সরকারি সম্পত্তি। বনের জায়গায় বেআইনিভাবে প্রবেশও নিষিদ্ধ। সেখানে মাটি খনন, বাঁধ নির্মাণ ও অন্যান্য কাজ তো গুরুতর অপরাধ। আমরা আইনি লড়াই চালিয়ে যাব। সরকারি সম্পত্তি উদ্ধার ও রক্ষায় আমরা অনড়।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন- ইউনিটেক্সের এসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার (এস্টেট-ল্যান্ড) গোলাম মাওলা (৫০), বাড়বকুণ্ড ইউনিয়নের মিয়াজী পাড়ার সিরাজুল হকের ছেলে জাহেদুল করিম (৪৫), একই এলাকার ফসিউল আলমের ছেলে মেহেদী হাসান (৩০), দক্ষিণ মাহমুদাবাদের আমিনুল হকের ছেলে মো. মাসুদ (৪০) ও মো. খোকনের ছেলে মো. নয়ন (৩২)। এছাড়াও মামলায় আরও অজ্ঞাতনামা ১০-১২ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলায় ইউটেক্স গ্রুপের পরিচালক ফারহান আহমেদসহ আসামিদের বিরুদ্ধে ১৯২৭ সনের (২০০০ সালে সংশোধিত) বন আইনের ২৬(১ ক) ধারা ও (ঙ) ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়েছে। এতে বলা হয়, ১ ও ২ নম্বর আসামির নেতৃত্বে অন্যান্য আসামিরা অবৈধভাবে দলবদ্ধ হয়ে বনভূমিতে অনুপ্রবেশ করে মাটি খনন, বাঁধ নির্মাণের চেষ্টা ও বন দখলের চেষ্টা করে। এ লক্ষ্যে আসামিগণ গত ৬ জুন সকাল দশটায় সীতাকুণ্ড উপজেলার বাড়বকুণ্ড ইউনিয়নের নড়ালিয়া মৌজার বাঁশবাড়িয়া বিটের উলানিয়া খালের উত্তর পাশের সংরক্ষিত বনে ইউনিটেক্স গ্রুপ ১০-১২ জন লোক দিয়ে বনে অবৈধ প্রবেশ করে স্কেভেটর দিয়ে বনের মাটি খনন শুরু করে। অপসারিত মাটি দ্বারা উঁচু বাঁধ নির্মাণ করে। এতে বিশাল বিশাল গর্তের সৃষ্টি হয়। ফলে নড়ালিয়া মৌজার (জেএল নং-৩৮) আরএস খতিয়ান নং-৬৬২ এবং আরএস দাগ নং-২৬০৩, ২৬০৪, ২৬০৫, ২৬০৬, বিএস খতিয়ান নং-৩৭৪ এবং বিএস দাগ নং-২০০৪, ২০০৬,২০০৭,২০০৮,২০০৯ এর ৩ হাজার ৫০০ ঘনফুট মাটি লুট হয় এবং পরিবেশের ২ লক্ষ টাকা পরিমাণের ক্ষতি হয়।
এব্যপারে মামলার বাদী মো. আব্দুস সালাম সরদার বলেন, সেইদিন স্কেভেটর দিয়ে মাটি কেটে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হচ্ছিল এবং চারপাশে উঁচু বাঁধ নির্মাণ করা হচ্ছিল। বনের জায়গায় কেন এসব করা হচ্ছে জানতে চাইলে কর্মরতরা ইউনিটেক্স গ্রুপের নির্দেশে তারা কাজ করছেন বলে জানান আমাকে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপকূলীয় বন বিভাগের চট্টগ্রাম বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আব্দুর রহমান জানান , বন দখল ও বনে অনুপ্রবেশ করে বাঁধ নির্মাণের চেষ্টার ঘটনায় জড়িত আসামিদের বিরুদ্ধে বন আদালতে মামলা হয়েছে। আসামিরা যত বড় রাঘববোয়াল হোক না কেন বন দখলের কোন সুযোগ দেওয়া হবে না।
এই প্রসঙ্গে জানতে ইউটেক্সের পরিচালক (লিগ্যাল অ্যাণ্ড এস্টেট) ফারহান আহমেদের মোবাইল নম্বরে বেশ কয়েকবার কল করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।
এমএসএম / এমএসএম
গোদাগাড়ীতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর শিক্ষার্থী ও অসহায় পরিবারের মাঝে সহায়তা বিতরণ
নাজিরপুরে তামাকমুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিশ্চিতকরণে শিক্ষার্থীদের সচেতনতামূলক পাঠদান
টহল পুলিশের ৫০০ গজের মধ্যেই শিক্ষক ও ব্যবসায়ীকে মারধর করে ছিনতাই
বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী নারী অন্তঃসত্ত্বা, তিন প্রতিবেশী চাচার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ
উদ্ধারকৃত গরু নিয়ে বিপাকে রাণীনগর থানা পুলিশ, দূষিত হচ্ছে পরিবেশ
পেকুয়ায় যানজট নিরসন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও খেলার মাঠ দখলমুক্তির দাবি
নবীনগরে যৌতুকের দাবিতে গৃহবধূকে মারধর করে বাসা থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ
নেছারাবাদে সেপটিক ট্যাংকে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় নিহত ১, হাসপাতালে সহযোগী
বেনাপোল বন্দরে লাগামহীন শুল্ক ফাঁকি অব্যাহত
শান্তিগঞ্জে প্রাথমিক শিক্ষা পদক, শ্রেষ্ঠ শিক্ষক-শিক্ষিকাদের পুরস্কৃত
শিবপুরে হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার
পাবনায় নিখোঁজ শিশু কলির সন্ধানের দাবিতে গ্রামবাসীর মানববন্ধন