পদোন্নতির ফাইল জিএম দপ্তরে আটকা
জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়ের অধীনে থাকা বিভিন্ন ও রেল মন্ত্রনালয়ের কর্মচারী এবং বিভাগীয় রেল কর্মচারীদের মধ্যে বৈষম্য সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে রেল কর্মচারীরা পদের কারণে বেতন প্রাপ্তিতেও বৈষম্যের শিকার। মন্ত্রনালয়ের আওতাধীন দপ্তর সমূহে কর্মরত প্রধান সহকারী, উচ্চমান সহকারী ও সমমান পদসমূহকে সচিবালয়ের ন্যায় ‘প্রশাসনিক কর্মকর্তা’ হিসেবে পদবী পরিবর্তন ও বেতন স্কেল উন্নীতকরণের জন্য আবেদন করে সাড়ে ৫ মাসেও কোন লাভ হয়নি।
চীফ পার্সোনাল অফিসার (সিপিও)ও সিনিয়র পার্সোনাল অফিসার(এসপিও)/পূর্ব এর দায়ীত্বহীনতার কারণে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে বিভাগীয় পর্যায়ে কর্মরতরা এমন অভিযোগ উঠেছে। দীর্ঘ সাড়ে ৫ মাসেও সিপিও/পূর্ব দফতর থেকে আবেদনকৃতদের ফাইল লাল ফিতার আবদ্ধতা টপকিয়ে বের হতে পারেনি। তবে এ ধরণের আবেদনের বিষয়ে পূর্বাঞ্চলীয় জেনারেল ম্যানেজারও কিছুই বলতে পারেন না।
সেন্ট্রাল রেলওয়ে বিল্ডিং(সিআরবি) এর সিপিও দফতর সূত্রে জানা গেছে, গত ২৭ ফেব্রুয়ারী মন্ত্রনালয়ের আওতাধীন দপ্তর সমূহে কর্মরত প্রধান সহকারী, উচ্চমান সহকারী ও সমমান পদসমূহকে সচিবালয়ের ন্যায় ‘প্রশাসনিক কর্মকর্তা’ হিসেবে পদবী পরিবর্তন ও বেতন স্কেল উন্নীতকরণের জন্য আবেদন চেয়েছে। এ বিষয়ে ৪৫ জনের একটি তালিকা পাঠানো হয়েছে পাহাড়তলীস্থ প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রকের দফতর থেকে সিপিও দফতরে। অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা জেলা সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক/সার্বিক আসিফ উল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে ৪৫ জন কর্মচাররি তালিকা পাঠানো হয়েছে। এই তালিকায় থাকাদের সচিবালয়ের ন্যায় প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে পদবী ও বেতন স্কেল পরিবর্তনের সুপারিশ করা হয়। বেতন স্কেল উন্নীতকরণের জন্য প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক/পূর্ব দফতরে কর্মরত প্রধান সহকারী, উচ্চমান সহকারী ও সমমান পদসমূহকে সচিবালয়ের ন্যায় প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে পদনাম পরিবর্তন ও বেতন স্কেল উন্নীতকরণের জন্য আবেদন পাঠানো হয় সিপিও/পূর্ব দফতরে। এক্ষেত্রে প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রকের পক্ষে জেলা সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক/সার্বিক সুপারিশ প্রদান করেছেন। এর একটি অনুলিপি রেল ভবনে থাকা উপ-পরিচালক /পার্সোনাল-৩ পলাশ কুমার সাহা এর দফতরে পাঠানো হয়েছে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয় সূত্রে জানা গেছে, মন্ত্রনালয়ের আওতাধীন দপ্তর সমূহে কর্মরত প্রধান সহকারী, উচ্চমান সহকারী ও সমমান পদসমূহকে সচিবালয়ের ন্যায় প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে পদনাম পরিবর্তন ও বেতন স্কেল উন্নীতকরণের জন্য সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয়ের যুগ্ন সচিব নাঈমা হোসেন কর্তৃক প্রদত্ত চিঠির প্রপ্ততথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালের ২৮ জুলাই সরকারী কর্মচারীদের দাবী-দাওয়া পর্যালোচনা সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির এক সভায় এ ধরণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় জনপ্রশাসন সংযুক্ত অধিদফতর এবং দফতর, পরিদফতর এবং দফতরে বিদ্যমান প্রধান সহকারী, উচ্চমাণ সহকারী ও সমমান পদসমূহের পদ-পদবী পরিবর্তনের বিষয়ে স্ব স্ব দফতর ও সংস্থার মাধ্যমে যৌক্তিকতাসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক মন্ত্রনালয় বা বিভাগে আবেদন করার জন্য সুপারিশ করা হয়। এক্ষেত্রে প্রশাসনিক মন্ত্রনালয় বা বিভাগ পরীক্ষা নিরীক্ষা পূর্বক সুপারিশসহ স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রস্তাব জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়ে প্রেরণ করতে হবে।
রেলপথ মন্ত্রনালয় সূত্রে জানা গেছে, উপর্যূক্ত বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয়ের উপ-সচিব আলমগীর হুছাইন স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়ের ই-ডাকে প্রেরিত প্রপ্ত পত্র প্রেরণ করে উল্লেখিত বিষয়ে বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য বাংলাদেশ রেলেওয়ের মহাপরিচালক ও ঢাকার ফুলবাড়িয়াস্থ সরকারী রেরপথ পরিদর্শকের দফতরে চিঠি প্রেরণ করা হয়েছিল। এছাড়াও এই চিঠির একটি অনুলিপি রেলপথ মন্ত্রনালয়ের সচিবের একান্ত সচিবের কাছে পাঠানো হয়েছে উপর্যূক্ত বিষয়ে অবগতির জন্য। শুধু তাই নয়, রেলওয়ের সকল এডিজি, জিএম, পিডি, সিএসটিই, জেডিজি/পার্সেনাল ও পরিচালক জনসংযোগ বিভাগকেও অনুলিপি প্রেরণ করা হয়েছে উপর্যূক্ত বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহনের জন্য।
অপরদিকে, রেলপথ মন্ত্রনালয় ও জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়ের চিঠির প্রেক্ষিতে ২০২২ সালের ২০ ডিসেম্বর উপ-পরিচালক/পার্সোনাল-৩ পলাশ কুমার সাহা রেলওয়ের পূর্বঞ্চলের জেনারেল ম্যানেজার ও পশ্চিমাঞ্চলের জেনারেল ম্যানেজার বরাবর কর্মচারীদের তথ্য প্রেরনের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করেন।
বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন সচিবালয়ের পক্ষ থেকে ২০২২ সালের ২৭ ডিসেম্বর ৮০.০০.০০০০.১১২.১২.০২১.২২.১৬৬ নং স্মারকের নির্দেশনার আলোকে বাংলাদেশ সচিবালয় ক্যাডার বর্হিভুত গেজেটেড কর্মকর্তা- কর্মচারী নিয়োগ বিধিমালা ২০১৪ অনুযায়ী শূণ্য পদের বিপরীতে রেলপথ মন্ত্রনালয় ৪ জনকে জাতীয় বেতন স্কেল ৯৩০০-২২৪৯০(১৬তম গ্রেড, ৩য় শ্রেণি) থেকে ১৬০০০-৩৮৬৪০(১০ম গ্রেড, ২য় শ্রেণি গেজেটেড)‘প্রশাসনিক কর্মকর্তা’ পদে পদোন্নতী দিয়েছে। এরা হলেন, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক মোহাম্মদ রহমত আলী, মাহফুজুর রহমান,পাপিয়া সুলতানা ও মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম সোহাগকে প্রশাসনিক কর্মকর্তা পদে পতেদান্নতী দিয়ে ১০ম গ্রেড তথা ২য় শ্রেণি বেতন কার্যকর করা হয়েছে।
এদিকে, এধরনের নির্দেশনার প্রেক্ষিতে সচিবালয়ের ন্যায় প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে পদনাম পরিবর্তন ও বেতন স্কেল উন্নীতকরনের জন্য গত ৩১ জানুয়ারী বিভাগীয় প্রকোশলী-১/ এস এম ফেরদৌস আলম ঢাকা দফতর থেকে ও অধীনস্থ দফতর সমূহে কর্মরত প্রধান সহকারী সেক আজিজুল হক ও মোহাম্মদ সুমন মিয়াকে এবং উচ্চমান সহকারী এসএম মাসউদ হোসেন ও মোহাম্মদ স্বপন হোসেনের জন্য সুপারিশ প্রদান করা হয়েছে প্রধান প্রকৌশলী/পূর্ব বরাবর। কিন্তু এমন সুপারিশের জন্য ৪৫ জন কর্মচারীর নাম সিপিও বরাবর প্রেরণ করা হলেও দীর্ঘ ৫ মাসেও তা কার্যকর হয়নি।
এ ব্যাপারে পূর্বাঞ্চলীয় সিনিয়র পার্সোনাল অফিসার(এসপিও) সৈয়দ হোসেন সকালের সময়কে বলেন, এ ধরনের কোন আবেদন তিনি পাননি। তিনি অফিস সহকারীদের খোঁজ করে দেখতে বলে নিজ অফিস কক্ষ ত্যাগ করেছেন।
এমএসএম / এমএসএম
বিএনপির প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিলের আপিল ঘিরে বিতর্ক, ভাইরাল অডিওতে তোলপাড় ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪
বোয়ালমারীতে ইউনাইটেড আরব আমিরাতের ত্রাণ ও কম্বল বিতরণ
দিয়ামনি ই কমিউনিকশনের আয়োজনে সাভারে স্টল ফ্রী মেলায় স্থান পেলো ২৫ জন উদ্যোক্তা
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি জামিরুল ইসলাম জামু গ্রেফতার
সরিষার হলুদে রঙিন ত্রিশাল : বাম্পার ফলনের আশা
গোপালগঞ্জে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পূর্ণ প্রস্তুতি
নাঙ্গলকোটে দু'জনকে গুলি করে হত্যা
মনপুরায় প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে আসা তরুণীকে গণধর্ষণের অভিযোগ
কুড়িগ্রামে এলপিজি সংকটে দাম দ্বিগুণ, তবু মিলছে না গ্যাস
কালো ধোঁয়ার দখলে রায়গঞ্জ, ঝুটে পুড়ছে চাতাল
কুমিল্লার মুরাদনগরে হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ি থেকে লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার
সিডিএ’র নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ