ঢাকা বৃহষ্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬

অসময়ের বৃষ্টিতে পানির নিচে আলু ক্ষেত, দাম ধস—দিশেহারা জয়পুরহাটের কৃষক


এম রাসেল আহমেদ, ক্ষেতলাল photo এম রাসেল আহমেদ, ক্ষেতলাল
প্রকাশিত: ১২-৩-২০২৬ দুপুর ১১:২১

অসময়ের টানা বৃষ্টিতে জয়পুরহাট জেলার বিভিন্ন এলাকায় আলুর ক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে। মাঠজুড়ে জমে থাকা পানিতে অনেক জায়গায় আলু গাছ নষ্ট হয়ে গেছে, কোথাও আবার আলু তুলে স্তুপ করে রাখলেও বৃষ্টির পানিতে তা পচে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। এদিকে বাজারে আলুর দাম ধস নামায় চরম বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা।
স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বর্তমানে আলুর জাত ভেদে প্রতি মণ মাত্র ১৫০ থেকে ২০০ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে। অথচ এক মণ আলু উৎপাদনে বীজ, সার, সেচ, কীটনাশক ও শ্রমিক মজুরি মিলিয়ে কয়েকগুণ বেশি খরচ হয়েছে। ফলে উৎপাদন খরচ তো দূরের কথা, অনেক ক্ষেত্রে শ্রমিকদের হাজিরার টাকাও উঠছে না বলে জানান কৃষকরা।
ক্ষেতলাল উপজেলার  কৃষক ফরহাদ হোসেন জানান, আমরা অনেক আশা নিয়ে আলু চাষ করি। কিন্তু এবার দাম এত কম যে আলু বিক্রি করে খরচও উঠছে না। উপরে আবার বৃষ্টিতে ক্ষেত ডুবে গেছে। আলু তুলে রাখলেও পচে যাওয়ার আশংকা রয়েছে । এখন আমরা কী করবো বুঝতে পারছি না।
আরেক কৃষক তফিকুল ইসলাম জানান,“কোল্ড স্টোরেজে আলু রাখতে গেলেও বিপদ। প্রতি মণ আলু রাখার ভাড়া ৪০০ টাকার বেশি। অথচ বাজারে আলুর দাম মাত্র ১৫০–২০০ টাকা। তাহলে আমরা কীভাবে স্টোরেজ ভাড়া দেবো?”
কৃষকদের অভিযোগ, বছরের পর বছর আলুর ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় তারা ক্ষতির মুখে পড়লেও এ বিষয়ে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেয় না সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। কৃষকদের দাবি, কৃষি বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো প্রায়ই নানা আশ্বাস দিলেও বাস্তবে কৃষকের দুঃখ-দুর্দশা কমাতে কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যায় না।
পরিবেশ কর্মী ও সাংবাদিক রাসেল আহমেদ বলেন, ব্রিটিশ আমল থেকে শুরু করে পাকিস্তান আমল পেরিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশেও কৃষকদের নিয়ে যেন এক ধরনের তামাশাই চলে আসছে। কৃষি নির্ভর দেশের কৃষকরাই যখন ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হন, তখন সেই তামাশার শেষ কোথায় এ প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে কৃষক সমাজে। কৃষকদের দাবি, আলুর ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা, কোল্ড স্টোরেজ ভাড়া কমানো এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য জরুরি সহায়তা প্রদান করা এখন সময়ের দাবি। তা না হলে আগামী মৌসুমে অনেক কৃষকই আলু চাষ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে পারেন বলে আশঙ্কা রয়েছে ।
জেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সাদেকুল ইসলাম বলেন, কৃষকদের আলু তোলা এখন শেষ পর্যায়ে চলছে । বৃষ্টি হওয়া সাভাবিক বিষয়।  আমরা কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছি আলুর  জমির পানি দ্রুত নিস্কাশন করতে।  ক্ষতির সম্ভাবনা খুব কম।

Aminur / Aminur

দর্শনায় ভিজিএফের চাল থেকে বঞ্চিত অসহয়রা চাল না পে‌য়ে কাদতে কাদতে ফির‌লেন বৃদ্ধা ও বিধবারা

ভূরুঙ্গামারীতে উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

মুকসুদপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, তেল ব্যবসায়ীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা

বড়লেখায় বোরো আবাদে পানির তীব্র সংকট; দুশ্চিন্তায় কৃষক

সাংবাদিক সংগঠন নড়াগাতী রিপোর্টার্স ইউনিটি'র আত্মপ্রকাশ- জিহাদুল ইসলাম সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক জুয়েল রানা

উত্তরের মহাসড়কে স্বস্তির ঈদযাত্রায়" নেই যানজটের শঙ্কা

অসময়ের বৃষ্টিতে পানির নিচে আলু ক্ষেত, দাম ধস—দিশেহারা জয়পুরহাটের কৃষক

গোপালগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা

আত্রাইয়ে হোলি উৎসবে অতিরিক্ত মদপানে যুবকের মৃত্যু, অসুস্থ ৩

রামুতে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্রসহ ৩ ডাকাত আটক

সংগ্রাম ও ত্যাগের প্রতিফলন এই জাতীয় সংসদ

৫২০ নয়, কুমিল্লার জন্য বরাদ্দ ৫০০ কার্টন খেজুর

ডেঙ্গু প্রতিরোধে ১৪ মার্চ থেকে পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু: প্রধানমন্ত্রী