ঢাকা শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬

দিনমজুরের স্বপ্ন পূরণে প্রধানমন্ত্রী


চট্টগ্রাম ব্যুরো photo চট্টগ্রাম ব্যুরো
প্রকাশিত: ৫-৯-২০২৩ দুপুর ৪:১

কয়েকদিন আগেও যারা পলিথিনের ছাউনী আর কুঁড়ে ঘরে মাথা গোঁজার ঠাঁইটুকু খুঁজে পায়নি তাঁরা এখন থাকছে পরিপাটি  আধপাকা ঘরে। পরিবারগুলোর মাঝে যেন আনন্দের বন্যা বইছে । সবার মুখে মুখে এখন হাসির ঝিলিক। শান্তির গভীর ঘুমে সোমবার রাতে পার হলো বহু বছরের বিনিদ্র রজনী। পরিবারগুলো যেন প্রধানমন্ত্রী ও বঙ্গবন্ধু কন্যার মমতায় সোনার হরিণ পেয়েছে। ঘরে থাকার পরিপাটি আয়োজন দেখে তাঁরা আত্মহারা । 
দিন এনে দিন খাওয়া মানুষগুলো প্রাপ্তির আনন্দ ধরে রাখতে পারছে না। শুধু স্বপ্নের ঘরে থাকাই নয়, শিশুদের জন্য আবাস গৃহের সামনে রয়েছে খেলার জায়গাও। শাকসব্জি করে দৈনন্দিন চাহিদা মেটানোরও ব্যবস্থা রয়েছে। একটু পরিশ্রমী হলেই পিছুটান থাকবে না রুটি রুজির। অল্প পরিশ্রমেই মুছে যাবে অভাবের ছায়া।  কথাগুলো ভোলা জেলার লালমোহন উপজেলায় দ্বিতীয় আশ্রয়ণ প্রকল্পে মাথাগোঁজার ঠাঁই পাওয়া মানুষগুলোর। সেখানে হত দরিদ্র আর দিনমজুর শ্রেণীর খেঁটে খাওয়া পরিবারগুলোর থাকার ব্যবস্থা হয়েছে। যেখানে  অভাগ্রস্ত ৬০ পরিবারের জন্য ১২টি সেমি পাকা ব্যারাক হাউজ নির্মাণ করা হয়েছে নৌ বাহিনীর তত্ত্বাবধানে। এসব পরিবারকে ব্যারেক হাউজ হস্তান্তর করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। 
নৌ বাহিনীর ঢাকাস্থ গণসংযোগ কর্মকর্তার দফতর সূত্রে জানা গেছে, ভোলা জেলার লালমোহন উপজেলায় গৃহহীন ও ছিন্নমূল জনগণের জন্যই আবাসস্থল নির্মাণ করা হয়েছে। নির্মিত ১২টি সেমি পাকা ব্যারাক গত ৪ সেপ্টেম্বর সোমবার স্থানীয় প্রশাসনের নিকট আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যক্ষ দিকনির্দেশনায় ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আওতায় এসব সব্যারাক নির্মাণ করা হয়। সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এই ব্যারাক হাউজসমূহ নির্মাণ করে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। প্রতিটি ব্যারাকে ৫টি করে মোট ৬০টি ইউনিট রয়েছে। যার প্রতিটিতে একটি করে পরিবার থাকতে পারবে। প্রতিটি ব্যারাকে রয়েছে পৃথক রান্নাঘর ও বাথরুমের সুবিধা। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ হতে জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অনামিকা নজরুল আনুষ্ঠানিকভাবে নৌবাহিনীর নির্মিত আবাসন ব্যারাকগুলো বুঝে নেন। এ সময় নৌবাহিনীর প্রতিনিধি লেঃ কমান্ডার এম তৌহিদুল ইসলাম ও স্থানীয় জন প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। 
আরো জানা গেছে,  এর আগে আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় বাগেরহাট, ভোলা, পিরোজপুর, বরগুনা, বরিশাল, ঝালকাঠি, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী ও কক্সবাজার জেলায় হত দরিদ্রদের জন্য ব্যারাক নির্মাণ করা হয়। এ পর্যন্ত সর্বমোট ২২৭টি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এসব সব প্রকল্পে ৪ হাজার ৪৮০টি ব্যারাক হাউজ নির্মাণ করা হয়েছে। এরপর স্থানীয় প্রশাসনের নিকট হস্তান্তর করে নৌবাহিনী। এসকল ব্যারাকে আশ্রয় পেয়েছে ৩৩ হাজার ৭৬৫টি গৃহহীন পরিবার। এছাড়া বর্তমানে কমান্ডার চট্টগ্রাম নৌ অঞ্চল অধিনস্থ চট্টগ্রাম জেলার সন্দ্বীপ উপজেলায় ১৩৬টি প্রকল্পের নির্মাণকাজ চলমান রয়েছে। যা শেষ হলে আরও ৬৮০টি ভূমিহীন পরিবারের বাসস্থান নিশ্চিত করা যাবে এসব আশ্রয়ণ প্রকল্পে। আর দিনমজুরের স্বপ্নপূরণে এখন প্রধানমন্ত্রীই সহায়।  

এমএসএম / এমএসএম

পঞ্চগড়ে করতোয়া নদীতে নিখোঁজের ২৪ ঘণ্টা পর কিশোর বকুলের মরদেহ উদ্ধার

তাড়াশে বৃহত্তর নওগাঁ হাটে অবৈধ কারেন্ট ও চায়না দুয়ারী রিং জালের রমরমা বেচাকেনা

রায়গঞ্জে ২ শতাধিক মানুষের বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা ও বিতরণ

বাঘায় অবৈধ বালু উত্তোলনে দুই ব্যক্তিকে দুই লাখ টাকা জরিমানা

নেত্রকোণায় লাথিতে অন্তঃসত্ত্বার গর্ভপাতের অভিযোগ,সেই বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা উপেক্ষার অভিযোগে তারাগঞ্জের একাধিক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এডহক কমিটি গঠন

শেরপুরে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপিত

মান্দায় এলসিএস শ্রমিক নিয়োগে এলজিইডির প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে অনিয়মে অভিযোগ

বাঙ্গালহালিয়ায় জলাবদ্ধতা স্থানীয় ও সেনাবাহিনীর জরুরী উদ্যােগে ড্রেন পরিস্কার নিরসন প্লাবিতবাসী স্বস্তি ফিরেছে

প্রবাস থেকে ফিরে সফল বাগান উদ্যোক্তা শিবচরের রাসেল মিয়া

দেশের পাঁচ নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর

টানা বৃষ্টিতে সুনামগঞ্জে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত

সেনাবাহিনীর সহায়তায় সাজেক ছাড়লেন আরও ৩১১ পর্যটক