প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বরাদ্ধের টাকা নয় ছয়
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের শহরগছী ক্লাষ্টারের প্রভূরামপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বরাদ্ধের টাকা আত্নসাতের অভিযোগ উঠেছে। বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায় তৃতীয় শ্রেনীর ক্লাস রুমে পায়ের গোড়ালী পর্যন্ত পানি তার মধ্যই চলছে ক্লাস। বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জানায় গত অর্থ বছরে বিদ্যালয় মেরামত করার জন্য বরাদ্ধ আসে দুই লক্ষ টাকা, মেরামত করা হলেও পানি পরছে ক্লাসে। তিনি জানায় বারাদ্ধকৃত টাকার সঠিক ব্যবহার হয়নি। কত টাকা খরচ কারা হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন বিদ্যালয় বন্ধের দিন কাজ করান তাই আমরা বলতে পারবো না এবং কোন ক্ষাতে কত টাকা খরচ হচ্ছে আমরা জানি না প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকা অফিসার মিলে কাজ করেন। প্রতি বছর স্কুলের অবকাঠামো এবং শিক্ষার মান উন্নয়নে বরাদ্ধ দিচ্ছে সরকার কিন্তু প্রধান শিক্ষক ও এটিও মিলে বরাদ্ধকৃত অর্থ নাম মাত্র কাজ করে ভাউচার দেখিয়ে মেরে দিচ্ছে। বিদ্যালয়ের মাঠে জমে আছে পানি ছাত্র ছাত্রীদের কাছে এ্যাসেমব্লী হয় কি না জানতে চাইলে তারা জনানায় বিদ্যালয়ে কোন পিটি ও জাতীয় সংগীত শিখানো হয় না। শিক্ষার মান এতটাই খারাপ যে পঞ্চম শ্রেীনীর ছাত্রের নিকট সরবর্ণ ও ব্যাঞ্জনবর্ণ কি জানতে চাইলে বলেন জানি না। এ বিষয়ে স্থানীয় অভিভাবকরা বলেন আমরা শুনি বরাদ্ধ আসে কিন্তু কোন কাজ করতে দেখিনা। প্রধান শিক্ষক সকালে আসেন সারাদিন বসে থেকে চলেযান কোন পড়া লেখা হয়না। তারা আক্ষেপ করে বলেন, বলে লাভ নাই, যাদের দেখার দায়িত্ব তারাইতো দেখে না। প্রধান শিক্ষক মোছাঃ আফরোজা বেগম এর নিকট গত অর্থ বছরের কাজের ভাউচার চাইলে তিনি বলেন আমার কাছে নাই এটিও বোরজাহান কবির স্যারের নিকট আছে। অফিসের কাগজ সহকারী শিক্ষা অফিসারের নিকট কেন জানতে চাইলে কোন উত্তর দিতে পারেননি। এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বোরজাহান কবির এর নিকট ফোন করলে তিনি বলেন,ভাউচার নিতে হলে আপনাকে আগে আবেদন দিতে হবে, পরে ভাইচার পাবেন। বিদ্যালয়ের একটি ভাউচার আমাদের হাতে আসে সেখানে, ২১-২২ অর্থ বছরে প্যানা বানানো খরচ দেখানো হয়েছে সাত হাজার,প্যারা টিচার বেতন দশ হাজার,দুইটি জানালার পর্দা কিনেছেন পাঁচ হাজার, তিনটি বাল্প কিছেন পনেশ,টিউবয়েল মেরামত করেছেন ছয় হাজার টাকাসহ অন্যন্য মোট পঞ্চাশ হাজার।প্যারাটিচার নেওয়ার কোন নিয়ম না থাকলেও বারাদ্ধের টাকা দিয়ে প্রতি মাসে প্যারা টিচারের বেতনদেন দশহাজার টাকা। যে ক্লাসে পানি পরছে ঔ ক্লাসের ছাদের টিন মেরামত করতে খরচ হয়েছে উন-আঁশি হাজার এবং ছাত্র-ছাত্রী না থাকলেও ব্রেঞ্চ মেরামত করতে ব্যয় হয়েছে পয়ত্রিশ হাজার,প্রতিটি ভবনের প্লাষ্টার খসে পড়ছে তাতেই রং করতে খরচ হয়েছে ছিয়া-আশি হাজার টাকা মোট খরচ দুই লক্ষ।
বিদ্যালয়ের পরিবেশ ও শিক্ষা ব্যবস্থা খারাপ এবং প্রতি বছরের বরাদ্ধের টাকার কোন কাজ হয়নি এমন প্রশ্নে বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি সোহেল রানা শিবলু বলেন, আমি শুধু চেক সই করেছি কাজ করেছে প্রধান শিক্ষক।
কাজ না করে প্রতি বছরের বরাদ্ধের টাকা আত্নসাৎ করছে প্রধান শিক্ষক এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ মাসুদ রানা এর নিকট জানতে চাইলে বলেন, আপনারা রিপোর্ট করে পত্রিকা জমা দিয়েন তদন্ত করে ব্যবস্থা নেব।
এমএসএম / এমএসএম
বিলাইছড়িতে নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি
শেরপুরে জামায়াত নেতা হত্যার প্রধান আসামিসহ ৪০ জনের জামিন: নিহতের পরিবারের প্রতিবাদ
কুতুবদিয়ায় মধ্যরাতে অগ্নিকাণ্ড, ফায়ার সার্ভিসের তৎপরতায় বড় ক্ষতি রোধ
ভূরুঙ্গামারীতে প্রিজাইডিং অফিসারদের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে
শাপলা কলি এমন একটা দুর্গন্ধ দলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে এই ফুল আর কোনদিন ফুটবে না : অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু
ত্রিশালে ধানের শীষকে বিজয়ী করতে শাহবুল আলমের গণসংযোগ
খালিয়াজুরীতে নবম বেতন গ্রেড বাস্তবায়নের দাবীতে মানব বন্ধন অনুষ্ঠিত
নোয়াখালীতে হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার দ্বিতীয় অডিশনে নির্বাচিত ২০ জন হাফেজ পেলো ইয়েস কার্ড
ঢাকা উত্তর ডিবি পুলিশের অভিযানে ফোনের লক খোলার সরঞ্জামাদি ও নগদ অর্থসহ ২ জন গ্রেফতার
স্বচ্ছতা সম্মেলন কক্ষে পোস্টাল ব্যালট কার্যক্রম উদ্বোধন
কুমিল্লা-৯ বিএনপির নির্বাচনী পথসভায় ভোটারদের উচ্ছ্বাস
মজুতদারী ও অনিয়মের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম বন্দরের সাঁড়াশি অভিযান