ঢাকা শনিবার, ১৭ জানুয়ারী, ২০২৬

ট্রাফিক বিভাগে জরিমানার টাকা নয়ছয়ের অভিযোগ


চট্টগ্রাম ব্যুরো photo চট্টগ্রাম ব্যুরো
প্রকাশিত: ১৩-১২-২০২৩ দুপুর ১২:২০

পরিবহন সংক্রান্ত মামলায় আদায়কৃত জরিমানার টাকা রাজস্ব খাতে সঠিক মাত্রায় জমা না দিয়ে নয়ছয় করে আত্মসাতের অভিযোগ ওঠেছে ট্রাফিক বিভাগের প্রসিকিউশন শাখায় কর্মরত অফিসারের বিরুদ্ধে। এই কারচুপি করতে সেবাপ্রার্থীদেরকে সঠিক পরিমাণের জরিমানার স্লিপ দিতে অস্বীকৃতি জানান বন্দর জোনের প্রসিকিউশন শাখার সার্জেন্ট বিপ্লব দে। এমনকি সেবাগ্রহিতার সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণেরও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই নিয়ে গত ৫ ডিসেম্বর সিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) বরাবরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী শ্রমিক নেতা মো. আব্দুস ছবুর।  সে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক লীগের চট্টগ্রাম জেলা শাখার দপ্তর সম্পাদক। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সার্জেন্ট বিপ্লব দে।

সিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) বরাবরে লিখিত অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, আটক হওয়া একটি সিএনজির মামলা নিস্পত্তি করতে চালকসহ ট্রাফিক কার্যালয়ে গেলে বন্দর জোনের সার্জেন্ট প্রসিকিউশন ৫৭৫০ টাকা জরিমানা দাবি করেন। সকল কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স ঠিক থাকা সত্ত্বেও ৫৭৫০ টাকা জরিমানা একটু বেশি মনে করে আরো কমানোর অনুরোধ করা হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে চালকের সামনেই অকথ্য ভাষায় অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং এক পর্যায়ে গায়ে হাত তোলার চেষ্ঠা করে। পরবর্তীতে ৫৭৫০ টাকা জরিমানা প্রদান করা হলেও ৭৫০ টাকার একটা রশিদ ধরিয়ে দেয়। বাকী ৫০০০ টাকার রশিদ চাইলে আবারও গালিগালাজ করে। পরে বাধ্য হয়ে ৭৫০ টাকার ছাড়পত্র নিয়ে গাড়িটি ছাড়িয়ে নেন তারা। অভিযোগে আরো বলা হয় আরো অনেক ড্রাইভারের সাথেই তিনি খারাপ আচরণ  করেন। গোপনীয়ভাবে তদন্ত করলে সার্জেন্ট বিপ্লব দে’র আচার আচরণ সমন্ধে জানা যাবে।

এবিষয়ে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক লীগ চট্টগ্রাম জেলা শাখার দপ্তর সম্পাদক (অভিযোগকারী) মো. আব্দুস ছবুর বলেন, ”আমরা আগেও অনেক অভিযোগ পেয়েছি পরিবহনের মামলা সংক্রান্ত আদায়কৃত জরিমানার অর্থ পুরোপুরি সরকারের খাতে জমা দেয়া হয়না। এই কারনে তারা জরিমানার সমপরিমান রশিদ প্রদান করেনা। তাই আমি সরেজমিনে বিষয়টি জানতে গিয়েছিলাম। গিয়ে দেখলাম একদিকে যেমন জরিমানার স্লিপ প্রদানে অনিহা অন্যদিকে যারা স্লিপ খোজে তাদের সাথে খারাপ আচরণ করে। আমি এটার বাস্তব স্বাক্ষী।”

এই বিষয়ে জানতে চাইলে ট্রাফিক বন্দর জোনের সার্জেন্ট প্রসিকিউশন বিপ্লব দে বলেন, ”আমার কাছে অনেকেই অনৈতিক সুবিধা নিতে আসে, আমি যখন তা দিতে পারি তখন সবার কাছে ভালো কিন্তু যখন সুবিধা দিতে পারিনা তখন খারাপ হয়ে যাই। এমনই কোন ব্যক্তি হয়তো আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়েছেন। তবে আব্দু ছবুর আমার কাছে স্বাক্ষর করে জরিমানার রশিদ নিয়ে গেছে। যা টাকা দিয়েছে রশিদেও তাই লেখা আছে।”

এই বিষয়ে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) প্রকৌশলী আবদুল মান্নান মিয়া বলেন, ”অভিযোগটি এখনো আমার হাতে আসেনি। খোজ নিয়ে দেখব এবং বিষয়টি গুরত্বসহকারে তদন্ত করে দেখব। তদন্তে দোষী হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।”

এমএসএম / এমএসএম

ওসমানী হাসপাতালে চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগে হামলা, ইন্টার্নদের কর্মবিরতি

রাঙ্গামাটি পর্যটন উন্নয়নের জাতীয় মডেলে পরিণত হওয়ার সক্ষমতা রাখে: গোবিপ্রবি উপাচার্য

তিতাসের মাদক কারবারি মালেক মিয়ার জুয়া ও মাদক থেকে পরিত্রাণ চায় এলাকাবাসী

নড়াইলে গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্যবাহী ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতায় মানুষের ঢল

টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বর্জ্য যুক্ত পানি, দুর্গন্ধ ও আবর্জনার স্তূপ

হাতিয়ায় অস্ত্র দিয়ে ছাত্র দল নেতাকে ফাঁসানোর প্রতিবাদে কোস্টগার্ডের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত

বিএনপির প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিলের আপিল ঘিরে বিতর্ক, ভাইরাল অডিওতে তোলপাড় ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪

বোয়ালমারীতে ইউনাইটেড আরব আমিরাতের ত্রাণ ও কম্বল বিতরণ

দিয়ামনি ই কমিউনিকশনের আয়োজনে সাভারে স্টল ফ্রী মেলায় স্থান পেলো ২৫ জন উদ্যোক্তা

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি জামিরুল ইসলাম জামু গ্রেফতার

সরিষার হলুদে রঙিন ত্রিশাল : বাম্পার ফলনের আশা

গোপালগঞ্জে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পূর্ণ প্রস্তুতি

নাঙ্গলকোটে দু'জনকে গুলি করে হত্যা