ঢাকা মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬

প্রধান শিক্ষক স্বপ্নার দুর্নীতির খবর প্রকাশ করায় সাংবাদিককে সন্ত্রাসী হাফিজের হুমকি


নিজস্ব প্রতিবেদক photo নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২৯-১২-২০২৩ দুপুর ২:১৫

শিশুদের অমানুষিক নির্যাতন, শ্রেণীকক্ষে বিচার বৈষম্য, কোচিং বাণিজ্য, শিক্ষার্থীদের নিকট থেকে অপ্রয়োজনীয় ফি উত্তলন, নিজের আবাসিক সরকারি কোয়ার্টার অন্যের নিকট বানিজ্যিক ভাবে ভাড়া দেয়া এবং স্কুল থেকে বিভিন্ন উপায়ে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে ঢাকার ধানমন্ডির মনেশ্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক স্বপ্না পারভীনের নামে। এই সংক্রান্ত অভিযোগের ভিত্তিতে দৈনিক সকালে সময়ের অনলাইন ভার্শনে নিউজ প্রকাশ করার পরে টেলিফোনে বার বার হুমকি দিচ্ছে পত্রিকার বিশেষ প্রতিনিধি শামীম আহমদকে। হাফিজ নামের ওই লোক হুমকি দিয়ে বলছে স্বপ্না পারভীন একজন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক তার নামে নিউজ ছাপছো তোরে আমি দুএকদিনের মধ্যেই খুজে বের করবো, অনুমোদনহীন ভূয়া পত্রিকা কোথাকার পত্রিকা সকালের সময়? তুই কিসের সাংবাদিক? বড় বড় পত্রিকা তো কিছু লেখে না।

অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করতে দৈনিক সকালের সময় মনেশ্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক স্বপ্না পারভীনের সাথে টেলিফোনে যোগাযোগ করলে তিনি সকালের সময়েকে বলেন- "এমন কোন অভিযোগ থাকলে আমাদের অধিদপ্তরের কর্মকর্তার দেখবেন তারা বিচার সালিশি করবে, আমি সরকারি চাকুরী করি এ বিষয়ে আমি আপনার সাথে কিছুই বলবো না। আমার সাক্ষাৎকার নিতে চাইলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে অনুমতি নিয়ে আসেন। আমার স্কুলের শিক্ষার্থী আমি যেমন খুশি তেমন করে চালাবো তাতে সাংবাদিকদের কি? প্রধান শিক্ষককে ফোন করার কিছুক্ষণের মধ্যেই +8801847289501 এই মোবাইল নম্বর থেকে ফোন করে প্রতিবেদককে হত্যার হুমকি দেয়। জানতে চায় কেন স্কুল শিক্ষককে ফোন দেয়া হয়েছে, অকথ্য গালিগালাজ করে বলে বহু সাংবাদিক তার রয়েছে। এসব সাংবাদিক সে দেখে নেবে। মোবাইল নম্বর ট্রুকলার যাচাই করে তার নাম হাফিজ চিহ্নিত হয় এবং মোবাইল নম্বরটির হটসঅ্যাপ প্রোফাইলে ওই ছবি পাওয়া যায়। খোঁজ নিয়ে জানা জায় এই হাফিজ হেড শিক্ষক স্বপ্না পারভীনের দেবর। স্কুলের আশেপাশের লোকেরা ওই ছবি দেখে বলছে তিনি হেড শিক্ষক ম্যাডামের সাথে স্কুলে মাঝে মাঝে আসে। অনেকে বলছেন হাফিজ একজন সন্ত্রাসী। 

স্কুলটির সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী তানজিলা দৈনিক সকালের সময়ের ঢাকা কার্যালয়ে ওই প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছে। লিখিত অভিযোগটির সমর্থনে স্কুলটির বিভিন্ন শ্রেনীর ৩০জন ছাত্র-ছাত্রীর স্বাক্ষর রয়েছে। অভিযোগ প্রদানকালে সপ্তম শ্রেনীর শিক্ষার্থী তানজিলা দৈনিক সকালের সময়ের কাছে মৌখিক স্বাক্ষ দিয়ে বলে- আমাকে ম্যাডাম তার কোচিংয়ে পড়তে বলছে। অথবা তার বলে দেয়া শিক্ষকের কোচিংয়ে পড়তে হবে, না পড়লে পরীক্ষায় ফেল করায়ে দিবে। এছাড়াও আমার এবং সহপাঠীদের নিকট থেকে প্রায় সময়ে অপ্রয়োজনীয় ফি উত্তোলন করছে। এ-সব বিষয়ে আমি ৫মাস আগে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ করি, সেই অভিযোগে করার কারনে আমার ওপরে আরো ক্ষেপেছে প্রধান শিক্ষক ম্যাডাম। এর পরে আমাকেসহ প্রায় ৩০জন ছাত্র ছাত্রীকে তার কক্ষে ডেকে নিয়ে র‍্যগিং করছে। কক্ষের ভেতর থেকে দরজার গেটে তালা লাগিয়ে দু'জন সহকারী শিক্ষক সাথে নিয়ে আমাদের ওপরে নির্যাতন চালিয়েছে। আমাদের নিকট থেকে সাদা কাগজে লিখিত স্বীকারোক্তি নিতে "চেয়েছে ম্যাডামের কোন দোষ নেই, তারা কোচিং করতে চাপ দেয় না" ইত্যাদি। বিশেষ করে আমাকে বলছে তার স্কুল থেকে টিসি দিয়ে লেখা পড়া বন্ধ করার পাশাপাশি আমাকে বাসা থেকে উঠিয়ে নিয়ে যাবে। গুম করে দেবে। কেউ কিছু করতে পারবে না। সেখানে উপস্থিত সহকারী শিক্ষক উম্মে হাবিবা তখন বন্দী ছাত্র ছাত্রীদের হুমকি দিয়ে বলে তার স্বামীর বাড়ি গোপালগঞ্জে এবং তার স্বামীর সাথে প্রধানমন্ত্রীর এপিএস গাজী হাফিজুর রহমান লিকুর সাথে বন্ধুত্ব আছে। তোমাদের ৩০জন ছাত্র ছাত্রী সকলকেই টিসি দিয়ে স্কুল থেকে বের করে দিলেও কেউ কিছু করতে পারবে না।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়রের কাছে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের নিকট থেকে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ জমা পরেছিলো। সেই অভিযোগ আমলে নিয়ে কর্পোরেশন কতৃপক্ষ তদন্ত করে। কর্পোরেশনের অঞ্চল ৩ এর সহকারী স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ ফাতেমা তুজ জোহরা স্বাক্ষরিত এসংক্রান্ত ২৯ অক্টোবরের চিঠি পর্যালোচনা করে দেখা যায় বিষয়টি নিয়ে তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ওই সহকারী স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ফাতেমা তুজ জোহরা বলেন, তদন্ত প্রতিবেদন মেয়ের মহোদয়ের কাছে পৌঁছে দিয়েছি। বিষয়টি নিয়ে সংবাদমাধ্যম মন্তব্য করার সুযোগ একেবারেই নেই। কর্পোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ফজলে শামসুল কবিরের মোবাইল নম্বর সরবরাহ করে তার সাথে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন এই কর্মকর্তা। যোগাযোগ করলে প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জানিয়েছেন তিনি বিষয়টি নিয়ে কিছুই জানেন না। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ নিয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে কোন পদক্ষেপ নিয়েছে কিনা তা জানতে অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ রেজওয়ান হায়াতের সাথে যোগাযোগ করে তার নিকট থেকে কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি। দপ্তরটির পরিচালক পলিসি মনিশ চাকমা মন্তব্য করে বলছেন এধরণের অভিযোগ থাকলে তার দপ্তর খুব জরুরী ভিত্তিতে অ্যাকশন নেবে। সারা দেশের প্রাথমিক শিক্ষায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে তার দপ্তর শূন্য সহনশীলতা নীতিতে কাজ করছে।

প্রধান শিক্ষকের দুর্নীতি নিয়ে স্কুলটির পরিচালনা পর্ষদ সভাপতি সৈয়দ আমিনুল হোসেন খোকন দৈনিক সকালের সমকে বলছেন- প্রধান শিক্ষক! এ একটা চরিত্রহীন মহিলা, ওরে পিটাইয়া ওর পিঠের চামড়া তুলে দেব। বহু অভিযোগ ওর নামে আছে। এখন তাপস ভাইয়ের নির্বাচন নিয়ে ব্যাস্ত আছি তাই এই মহিলার বিচার করার সময় পাচ্ছি না। অভিযোগ আমি জানি, কোচিং করায় আর টাকা উঠায় এই মহিলা। ওই চরিত্রহীন মহিলাকে বিচার করবো তার আগেই সে আমার কাছে আইসা পা ধরে মাফ চায় আর বলে আমাকে রক্ষা করেন। আমি স্কুলটি ভালোভাবে পরিচালনার জন্য নানাবিধ চেষ্টা করি। দিন রাত খাটুনি দিয়ে স্কুলে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে চাই, আর ওই মহিলা (প্রধান শিক্ষক) শুধু বদনাম আর দুর্নীতি করে। এই নির্বাচনটা যাক (দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন) তার পরে মহিলাকে স্কুল থেকে বের করে দেব। স্কুলের সাধারণ কোন অভিযোগের বিষয়টি তো আমারই দেখার দ্বায়িত্ব। মাননীয় মেয়র মহোদয় (ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন মেয়ের) আমাকে দ্বায়িত্ব দিয়েছেন স্কুলটি ভালোভাবে পরিচালনার জন্য। আমি স্কুলের কোয়ালিটি শিক্ষা নিশ্চিত করতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। 

স্কুলটির সহকারী শিক্ষক রফিকের মোবাইলে ফোন দিয়ে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও কোন সারা পাওয়া যায়নি। সরজমিনে গিয়ে স্কুলটির সহকারী শিক্ষক লায়লা আফরোজের সাথে যোগাযোগ করে জানতে চাওয়া হয়েছিল এই অভিযোগের বিষয়টি তিনি জানেন কিনা? তিনি সকলের সময়কে বলেন- গত ৩ অক্টোবর বহু শিশু শিক্ষার্থী র‍্যাগিংয়ের স্বীকার হয়েছে প্রধান শিক্ষক স্কুলের একটি কক্ষ বন্দী করে র‍্যাগিং করে। আমি শিক্ষার্থীদের পক্ষে কথা বলায় হেড ম্যাডাম আমাকে সবসময় নোংরা ভাষায় গালাগাল করে। বহু বার হুমকি দিয়েছে তিনি পুলিশ সাথে নিয়ে এই এলাকা থেকে উচ্ছেদ করবে আমাকে। বিষয়টি আমি টিও স্যারকে লিখত অভিযোগ দিয়েছি, টিও স্যার কিছু করতে সচেষ্ট হয়নি। এর পরে টিও স্যার একদিন আমাদের স্কুলে এসেছিলেন তবে কোন ফল হয়নি। টিও স্যার আমাকে কিছু কথা বলছেন তা আমি সংবাদমাধ্যমে বলতে পারি না। যেহেতু আমি সরকারি চাকুরী করি। তবে হেড ম্যাডাম আমাকে যে অত্যাচার করছে তা লুকিয়ে রাখতেও পারছিনা। একদিন সভাপতির উপস্থিতিতে হেড ম্যাডাম আমাকে বলছে আমার কাপড় খুলে রাস্তায় নামাবে। হেড শিক্ষক ম্যাডামের এমন নোংরা কথা ছাত্র ছাত্রীরাও শুনেছে। সেদিন আমার সহকর্মী সহকারী শিক্ষক উম্মে হাবিবা স্কুলের চেয়ার আমার গায়ে ছুড়ে মেরেছে। শুনেছি উম্মে হাবিবার চাচাশ্বশুর প্রধানমন্ত্রীর এপিএস গাজী হাফিজুর রহমান লিকু। সহকারী শিক্ষক উম্মে হাবিবার ভয়ে ওখানে কারো মুখ খোলার সাহস নাই।

প্রধানমন্ত্রীর অফিসে সহকারী শিক্ষক উম্মে হাবিবার স্বামীর কে আছে এবং প্রধানমন্ত্রীর এপিএসের সাথে কি সম্পর্ক তা জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলে এই শিক্ষকের সাক্ষাৎ পাওয়া যায়নি। তার মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে দৈনিক সকালের সময়ের পরিচয় দিয়ে হটসঅ্যাপে বার্তা পাঠানোর পরে তার স্বামী গাজী ইখতিয়ার হোসেন দৈনিক সকালের সময়ের মোবাইলে ফোন করে। তিনি বলেন:- আমার ওয়াইফ অসুস্থ। লায়লা ম্যাডাম আমার ওয়াইফকে অপমান করছে। ১৭ বছর আমাদের বিয়ের বয়স। ১৩ সালে আমার ২মাস বয়সী একটি ছেলে মারা যায়। গত ২বছর আগে আরো একটি মেয়ে শিশু ১মাস বয়সে মারা যায়। কিছুদিন আগে আমার ওয়াইফ সন্তান সম্ভাবা হয়েছিলো কিন্তু লায়লা ম্যাডাম আমার ওয়াইফের গায়ে চেয়ার ছুড়ে মারাতে দুই মাসের গর্ভধারণকৃত সন্তান নষ্ট হয়ে যায়। সেই অপমানে আমার ওয়াইফ নিজের মাথার চুল নিজেই কেটে ফেলছে। আমরা এখন আছি খুব যন্ত্রনার মধ্যে। আগে যুবলীগের সাথে জড়িত ছিলাম। যুবলীগ থেকে পদত্যাগ করছি এখন আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে যুক্ত হব। ডলারের ব্যবসা করতাম, এখন ডলারের ব্যবসা ভালো না তাই ছেড়ে দিয়েছি। প্রধানমন্ত্রীর এপিএস গাজী লিকু আমার চাচা। লিকুর কাছে জিগাইবেন গাজী ইখতিয়ার হোসেন কে? লিকু আমার ওয়াইফ স্বরনীকাকে (উম্মে হাবিবা) মা বলে ডাকে। আমার চাচা দাদা নানা সকলে চেয়ারম্যান ছিলো। আমি রাজনৈতিক পরিবারের লোক। আপনারা সাংবাদিকরা সত্য কথা লিখবেন। দুই পক্ষের কথা শুনে বিচার করবেন। আমি লায়লা ম্যাডামকে জিগ্যেস করবো আমার ওয়াইফকে অপমান কেন করলো? লায়লা ম্যাডাম হেড শিক্ষককে ফোন দিয়ে বলছে ৬মাস পরে আমরা ক্ষমতায় আসলে তখন যা করতে হয় করবো। ওই ম্যাডাম তো বিএনপির লোক। আপনাদের বরগুনায় বাড়ি। ৬মাস পরে বিএনপি রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসবেও না আশা করি। ঘটনার সুত্র হয়ে কোথা থেকে তা আপনি জানেন না, লায়লা ম্যাডাম কোচিং করানোর জন্য স্কুলের দুইতলার দুটি রুম চেয়েছিলো হেড ম্যাডামের কাছে। হেড ম্যাডাম দেয়নি। সভাপতির কাছেও চেয়েছিলো, সভাপতি বলছে কোচিং করানোর অনুমতি নাই সরকারি ভাবে তাই দেয়া যাবে না। এর পরে ওই লায়লা ম্যাডাম সিটি করপোরেশনের কিছু লোক সেট করে একটা কি তদন্ত কটাইছে ওই তদন্তে গাবলা আছে। লায়লা ম্যাডাম কয়েকজন ছাত্র ছাত্রীদের ভুল বুঝিয়ে বিভিন্ন জায়গায় অভিযোগ দেয়াইছে। সিটি কর্পোরেশন তদন্ত করার কে? স্কুলের বিষয়ে সিটি কর্পোরেশন তদন্ত করাবে কেন? স্কুলের ঘটনা দেখার জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর আছে। সহকারী শিক্ষক উম্মে হাবিবার স্বামী গাজী ইখতিয়ার হোসেনের সাথে পৌনে ১ঘন্টার কথোপকথন দৈনিক সকালের সময় রেকর্ড করে সংরক্ষণ করছে।

এমএসএম / এমএসএম

লোহাগড়ার সিডি বাজারে গাঁজা বিক্রির সময় জনতার হাতে মাদক কারবারি আটক

ছাত্রদলের ঢাকা মহানগর পশ্চিম কমিটিতে আইন বিষয়ক সম্পাদক চৌগাছার জাফর ইকবাল

রৌমারীতে ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা কর্মকর্তা বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

কুষ্টিয়ায় ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের অভিযান

​রাণীনগরে পাইকারি দোকানের টিন কেটে দেড় লাখ টাকার সিগারেট চুরি, থানায় অভিযোগ

নওয়াপাড়ায় ব্যবসায়ী হত্যা মামলার প্রধান আসামি যশোর থেকে গ্রেফতার

মেঘনায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ: “তিন মাসে চার খুন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কী করছেনঃ হাসনাত আবদুল্লাহ

ফরিদগঞ্জ সরকারি ডিগ্রি কলেজে অনিয়মের অভিযোগে আলোচনায় অধ্যাপক শাহ মোঃ মাছুম মিয়া

শিবপুর থেকে চুরি করা শিশু ৪ হাজার টাকায় বিক্রি

মান্দায় গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

পিরোজপুরে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের মাঝে অনুদানের চেক বিতরণ

পিরোজপুরে ২৫টি হারানো মোবাইল উদ্ধারকরে মালিকদের হাতে তুলে দিল জেলা পুলিশ

অভয়নগরে আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে একাধিক সিদ্ধান্ত