চসিকের হোমিওপ্যাথিক কলেজ কর্তৃপক্ষের চাঁদাবাজি
নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক ) নিয়ন্ত্রণাধীন ডা জাকির হোসেন হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নিরবে চাঁদাবাজি করছে কর্তৃপক্ষ। আর এই চাঁদাবাজিতে স্বয়ং প্রিন্সিপালই জড়িত বলে একাধিক শিক্ষার্থী জানিয়েছেন। আবার অনিয়মের মাধ্যমে টাকা আদায়ের বিষয়টি স্বীকারও করেছেন প্রিন্সিপাল নুরুল আমিন।
জানা যায়, কলেজের শিক্ষার্থী ,পরীক্ষার্থী, ইন্টার্ন ব্যাচ সবাই জিম্মি ওই প্রিন্সিপালের কাছে। এখানে ইন্টার্নশিপ কোর্সে অনুপস্থিত থাকলে তার জন্য ১৫০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হচ্ছে । হয়রানির শিকার হচ্ছে কলেজের শত শত শিক্ষার্থী।
জানা গেছে, ২০১৭-১৮ সেশনের কয়েকজন শিক্ষার্থীর অভিযোগ, ৩৬ তম ব্যাচের ইন্টার্নশিপে দিবা ও নৈশ শাখার শিক্ষার্থী সংখ্যা প্রায় ১৫০ জন। ইন্টার্ন শিপে সাধারণত অনেক শিক্ষার্থী কোর্স অনুপস্থিত ছিলেন। এই অনুপস্থিতির সংখ্যাও প্রায় ৬৫ জনের বেশি। ইন্টার্ন শিপের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে রোগীলিপি খাতা জমা নেওয়ার সময় চেক করা হচ্ছে অনুপস্থিতির হার এবং অনুপস্থিত শিক্ষার্থীদের প্রত্যেকের কাছ থেকে ১৫০০ টাকা করে জরিমানা আদায় করা হচ্ছে।
হিসাব করলে দেখা যায়, জনপ্রতি ১৫০০টাকা করে প্রায় ৬৫জন শিক্ষার্থীর কাছ থেকে আদায় করা হচ্ছে প্রায় ৯৭,৫০০টাকা। আদায়কৃত এই অর্থ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন বা কলেজের ফান্ডে জমা দেয়া হচ্ছে না। এই অর্থ কলেজের অধ্যক্ষ নুরুল আমিনের ব্যক্তিগত তহবিলে জমা হচ্ছে। কলেজের কোন শিক্ষকের হাত দিয়েও এই টাকা আদায় করা হচ্ছে না। অধ্যক্ষ নুরুল আমিন কলেজের অফিস সহকারী শ্যামলের মাধ্যমেই এই জরিমানা আদায় করছেন। আরো জানা গেছে, কলেজের চলমান প্রথম বর্ষ থেকে চতুর্থ বর্ষ পর্যন্ত অধ্যয়নরত প্রায় দেড় হাজারের অধিক শিক্ষার্থীর কাছে বিক্রি করা হচ্ছে নতুন বছরের ক্যালেন্ডার । কলেজের বিজ্ঞাপনমূলক মাত্র এক পৃষ্ঠার এই ক্যালেন্ডার ১০০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। এই ক্যালেন্ডার বিক্রির টাকাও শ্যামলের হাত ধরে যাচ্ছে অধ্যক্ষের পকেটে।
তবে শুধু শিক্ষার্থীরাই নয়, এমন অর্থ আদায়ের সত্যতা পাওয়া গেছে কলেজের শিক্ষকদের কাছ থেকেও।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন শিক্ষকও অভিযোগের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অনুপস্থিতি জনিত কারণে ১৫০০ টাকা করে অর্থ আাদায়, ক্যালেন্ডার বিক্রি , সনদ প্রদানের সময়ও প্রত্যেক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে হাজার টাকা আদায় করা হয়। তবে এই টাকা চসিক বা কলেজের ফান্ডে জমা হয় না। সেগুলো আমাদের জানা মতে প্রিন্সিপাল মহোদয়ের কাছেই থাকে। এসব বিষয়ে কথা বললে আমরাও অধ্যক্ষ মহোদয়ের রোষানলে পড়ে যাব। হোমিওপ্যাথিক কলেজ হওয়ায় এদিকে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন বা মিডিয়া কারো তেমন দৃষ্টি নেই । এখানে নিরবে নিভৃতে অনেক অপকর্ম চলছে।
বিষয়টি নিয়ে জাকির হোসেন সিটি কর্পোরেশন হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের অধ্যক্ষ মো নুরুল আমিনের সাথে যোগাযোগ করা হলে টাকা আদায়ের কথা স্বীকার করে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের সম্মতি নিয়েই এসব টাকা আদায় করা হচ্ছে। আদায়কৃত অর্থ কলেজের কাজে ব্যবহার করা হবে।
এব্যপারে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সচিব খালেদ মাহমুদ বলেন, ”এভাবে অফিস আদেশ ব্যতিত টাকা আদায় করার কোন নিয়ম নেই। যদি এমনটি করে থাকে তবে তা অন্যায়। আমরা এটি তদন্ত করে দেখব। ঘটনার সত্যতা পেলে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হবে।”##
এমএসএম / এমএসএম
এ্যাড. দীপেন দেওয়ানের নির্দেশে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থদের পাশে উপজেলা বিএনপি
দর্শনা পৌর নির্বাচন: মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন বিএনপি-জামায়াতের প্রার্থীরা
মান্দায় প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে অর্ধশতাধিক গাছ কাটার অভিযোগ
চন্দনাইশে বন্যাদুর্গত এলাকায় ত্রাণ বিতরণ জামায়াতের
মাদারীপুর সদর থানা থেকে নারী আসামি পালানোর অভিযোগ, ধামাচাপার চেষ্টা
বাঁশখালীতে পায়ে হেঁটে কোমর পরিমাণ পানি পেরিয়ে বন্যার্তদের পাশে ড.শফিকুর রহমান
পূর্ব শত্রুতা ও মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে নুরুল আজিম (৪০) নামে এক দর্জিকে কুপিয়ে হত্যা
তদন্তে সত্যতা প্রমাণিত হলেও ব্যবস্থা নিতে গড়িমসির অভিযোগ
শিগগিরই খুলে দেয়া হবে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর- কুমিল্লায় সংস্কৃতি মন্ত্রী
গজারিয়ায় যাত্রা শুরু করল প্রকৃতি ও স্বাদের অনন্য ঠিকানা 'ন্যাচার লাউঞ্জ'
বাউফলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে যাত্রীবাহী বাস, চরম ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ
মাত্র ২ হাজার টাকায় শুরু: শত নারীকে স্বাবলম্বী করে অনন্য দৃষ্টান্ত গড়লেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের পপি