ঢাকা শনিবার, ১৭ জানুয়ারী, ২০২৬

হুইপ হারিয়ে মন্ত্রীত্বের আলোচনায় পটিয়ার মোতাহের


চট্টগ্রাম ব্যুরো photo চট্টগ্রাম ব্যুরো
প্রকাশিত: ১০-১-২০২৪ বিকাল ৬:৭

চট্টগ্রাম-১২ পটিয়া সংসদীয় আসনের নির্বাচন নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলে আসছিল রাজনৈতিক অভিজ্ঞ মহলে। জাতীয় সংসদের হুইপ ও তিনবারের এমপি সামশুল হক চৌধুরীর মত প্রভাবশালী ব্যক্তির কাছে পরিচ্ছন্ন ও বর্ষিয়ান রাজনীতিবিদ মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করে ফলাফল কতটুকু পজেটিভ হবে এ নিয়ে। গত ৭ জানুয়ারি  নির্বাচনে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরীর ফলাফল মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরীকে জাতি ধর্ম বর্ণ সকল শ্রেণি ও পেশার মানুষ ভোট 
চট্টগ্রাম-১২ আসনে দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোতাহেরুল ইসলাম   চৌধুরী বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। নৌকা প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ২০ হাজার ৩১৩  ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বর্তমান সংসদ সদস্য হুইপ সামশুল হক চৌধুরী। ঈগল প্রতীকে ভোট পেয়েছেন মাত্র ৩৫ হাজার ২৪০ ভোট। বিপুল ভোটে বিজয়ী হওয়ার পর তার প্রতি এলাকার মানুষের ভালোবসা আন্তরিকতার বর্হিঃ প্রকাশ ঘটে। বিপুল ভোটে বিজয়ী হওয়ার পর থেকে মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরীকে মন্ত্রী পরিষদের সদস্য করা হচ্ছে এ নিয়ে কর্মী সমর্থক এলাকাবাসীর মধ্যে আলোচনা শুরু হয়। মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরীকে মন্ত্রী পরিষদের সদস্য করার  প্রসঙ্গে পটিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পৌর মেয়র অধ্যাপক হারুনুর রশীদ বলেন, মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী একজন কর্মী বান্ধব নেতা, তিনি এলাকার মানুষের কাছে কতটা জনপ্রিয় সেটা নির্বাচনে উনার ফলাফলের মাধ্যমে প্রমানিত হয়েছে। পটিয়ায় বঙ্গবন্ধুর সরকারের সময়ে শিল্প ও প্রতিরক্ষা প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক নুরুল ইসলাম চৌধুরী, সম্প্রতি মোতাহেরের কাছে এমপি সামশুল হক চৌধুরী তিনিও প্রতিমন্ত্রী পদমর্যদার জাতীয় সংসদের হুইপ ছিলেন। বিগত দিনের ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরীকে মন্ত্রী পরিষদের সদস্য করা এটা পটিয়াসহ দক্ষিণ চট্টগ্রামের গণমানুষের প্রাণের দাবি, আশা করি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পটিয়াবাসীকে মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরীকে মন্ত্রীত্ব দিয়ে পটিয়াবাসীকে সম্মানিত করবেন। বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ বদিউল আলম জানান, মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরীকে মন্ত্রীত্ব দিলে রাজনৈতিক নেতা হিসেবে সবাই খুশি হবে। বর্তমান সময়ে রাজনীতির মাঠে এবং চট্টগ্রাম থেকে যারা এমপি নির্বাচিত হয়েছে এরমধ্যে মোতাহেরের চেয়ে সিনিয়র কোন রাজনীতিবিদ নেই। উনাকে মন্ত্রীত্ব দেয়া মানে দলের একজন সিনিয়র নেতাকে সম্মানিত করা প্রকত একজন রাজনৈতিক নেতার মূল্যায়ন করা। আশা করি চট্টগ্রামবাসী মনের ভাষা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বুঝতে পারবে। মোতাহেরকে মন্ত্রীত্ব দিয়ে পটিয়াসহ দক্ষিণ চট্টগ্রামের মানুষকে উনি আরও বেশি সম্মানিত করবে। 
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রামের ১৬ আসনের মধ্যে ১২টিতে জয়লাভ করেন আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা। তিনটিতে জিতেন স্বতন্ত্র প্রার্থী এবং একটি মাত্র আসনে জয়লাভ করেন জাতীয় পাটির প্রার্থী। চট্টগ্রাম  থেকে নির্বাচিত সব সংসদ সদস্য বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করছেন। কাল নতুন মন্ত্রিসভা  কেমন হবে? তাতে চট্টগ্রাম থেকে কারা স্থান পাচ্ছেন এ নিয়ে চলছে সরব আলোচনা। এদিকে চট্টগ্রামসহ সারাদেশের নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা বুধবার শপথ নেন। আজ (বৃহস্পতিবার) সন্ধ্যায় শপথ নেবে নতুন মন্ত্রিসভা। এ মন্ত্রিসভায় চট্টগ্রাম থেকে কারা কারা স্থান পাচ্ছেন তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গণে চলছে নানামুখী আলোচনা। ২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর নতুন মন্ত্রিসভায় চট্টগ্রাম  থেকে স্থান  পেয়ে ছিলেন তিনজন। এবার  সেই সংখ্যা বাড়িয়ে চার পাঁচজনও হওয়ার সম্ভাবনার কথা বলছেন অনেকে।

 আওয়ামী লীগ ও সরকারের একাধিক ঘনিষ্ঠ সূত্র বলছে, বর্তমান মন্ত্রিসভার ‘ক্লিন ইমেজধারী’ ও অভিজ্ঞ সদস্যরা নতুন মন্ত্রিসভায় স্থান  পেতে পারেন। আর নতুন করে যুক্ত হবেন দলের সিনিয়র ও ত্যাগী নেতারা। মন্ত্রিসভায় কারা-কারা থাকবেন, তা নির্ধারণ করবেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি অনেক বুঝে-শুনেই সিদ্ধান্ত নেন। এক্ষেত্রেও তাই হবে।

একাদশ সংসদ নির্বাচনের পর সরকারের নতুন মন্ত্রিসভায় চট্টগ্রাম থেকে স্থান পেয়েছিলেন তিনজন। তারা হলেন, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান  চৌধুরী জাবেদ ও শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। এবারও তাদের মন্ত্রিসভায় স্থান পাওয়ার  জোর সম্ভাবনা রয়েছে। এ তিনজনের বাইরে আলোচনায় ব্যাপক আলোচনায় রয়েছে চট্টগ্রাম-১২ পটিয়া আসন থেকে প্রথম বারের মত নির্বাচিত সিনিয়র রাজনীতিবিদ ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী। কিছুটা    চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসন থেকে টানা পাঁচবারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য এবিএম ফজলে করিম  চৌধুরীর নামও  কানে আসছে। ২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর তিনি  রেলপথ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি হন। নতুন মন্ত্রিসভায় তিনিও আসার সম্ভাবনার কথা বলছেন অনেকে। এ চারজনের বাইরে নাম আসছে আরো অনেকের। তবে নতুন মন্ত্রিসভায় চট্টগ্রাম  থেকে কারা স্থান পাচ্ছেন তা পরিষ্কার হয়ে যাবে সন্ধ্যায়।
নিয়ম অনুযায়ী, নির্বাচন কমিশন  থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার  গেজেট জারির পর তাদের শপথ পড়ানো হবে। এরপর সংসদ সদস্যরা  বৈঠক করে সংসদীয় দলের  নেতা নির্বাচন করবেন। রাষ্ট্রপতি সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের  নেতাকে সরকার গঠনের আহ্বান জানাবেন। প্রথমে প্রধানমন্ত্রীকে শপথ পড়ানো হবে। এরপর নিয়োগপ্রাপ্ত মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীরা শপথ  নেবেন। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান পরিচালনা করবেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব। শপথের পর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ  থেকে দপ্তর বণ্টন করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। আর এর মধ্য দিয়েই নতুন সরকারের যাত্রা শুরু হবে।

এমএসএম / এমএসএম

মিরসরাই প্রেসক্লাবে ক্যালেন্ডারের মোড়ক উন্মোচন ও আলোচনা সভা সম্পন্ন

খোলা বার্তা নতুন প্রজন্মের সাংবাদিকদের জন্য সম্ভাবনাময় প্ল্যাটফর্ম : অতিথি সাংবাদিকরা

খাস জমির পথ বন্ধ, সাজানো মামলার ফাঁদ:চিতলমারীতে অবরুদ্ধ ১০টি পরিবার

অনুপস্থিত বন্দোবস্ত বাতিলের দাবিতে সুবর্ণচরে ভূমিহীনদের বিক্ষোভ

দেবীগঞ্জ অলদিনী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে পুনঃভর্তিতে কৌশলে অতিরিক্ত ফি আদায় করছে প্রধান শিক্ষক

কুমিল্লা সীমান্তে ৭৬ লাখ টাকার ভারতীয় বাজি জব্দ

শহীদ ওসমান হাদী স্মরণে ভূরুঙ্গামারীতে আলোচনা সভা ও পাঠক সমাবেশ

বড়লেখায় ৬৯ ভোট কেন্দ্রের মধ্যে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ২০, ঝুঁকিপূর্ণ ৩৬ টি কেন্দ্র

রাস্তা কার্পেটিংয়ে নিজস্ব মিক্সার ব্যবহারে অনিহা, আয় বঞ্চিত চসিক

অবৈধ নিয়োগ ও ভূয়া সনদে চাকুরীর অভিযোগ উঠেছে প্রভাষক ইকবাল হোসেনের বিরুদ্ধে

শেরপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে শিশুদের ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

বাগেরহাটের মোংলায় মাছ শিকারে অবৈধ জাল উদ্ধারপূর্বক পুড়িয়ে ধ্বংস

ওসমানী হাসপাতালে চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগে হামলা, ইন্টার্নদের কর্মবিরতি