ঢাকা শনিবার, ১৭ জানুয়ারী, ২০২৬

চট্টগ্রামে অলংকারের টিআইর বিরুদ্ধে ১৫১ ব্যবসা প্রতিষ্টানে চাঁদাবাজির অভিযোগ


চট্টগ্রাম ব্যুরো photo চট্টগ্রাম ব্যুরো
প্রকাশিত: ১১-১-২০২৪ বিকাল ৫:১৮

বাস ট্টাক, পিক-আপ,লংবেহিক্যাল,ডাম্প ট্টাক, ম্যাক্সিমা,ফুটপাত,কাউন্টার এমনকি অবৈধ অটো রিকশা  কেউ বাদ যান না।মাসিক চাঁদা ওঠে প্রায় আট লাখ টাকা। অভিযোগ উঠেছে ১৫১টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে মাসিক চাঁদা আদায় করার অভিযোগ টিআইর বিরুদ্ধে। পাহাড়তলী থানাধীন অলংকার মোড়, সাগরিকা মোড়, বিটাক, সাগরিকা ও পাহাড়তলী মোডে গাড়ি চালাতে হলে অমলেন্দুকে চাঁদা দিতে হবেই।

এটাই নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে।চাঁদাবাজির গুরুতর অভিযোগ অলংকার টিআই অমলেন্দুর বিরুদ্ধে। ব্যবসায়ীদের তথ্যে ও প্রতিবেদকের অনুসন্ধানে জানা যায় অলংকার ও আশেপাশে প্রতিমাসে প্রায় আট লাখ টাকা চাঁদা তোলা হচ্ছে।  সেখানকার ১৫১ জন ব্যবসায়ী ও প্রতিষ্টান ও ফুটপাতে শতশত অবৈধ দোকান বাস কাউন্টার মুছি,জুতার দোকানদার কেউই বাদ যান না চাঁদাবাজি থেকে। চাঁদার হার ভিন্ন ভিন্ন। কেউ দেড় ২ হাজার টাকা, কারো কাছ থেকে নেয়া হয় দশ হাজার টাকা।

চাঁদাবাজির শিকার ব্যক্তি ও ব্যবসা প্রতিষ্টানের তালিকা ধরে কয়েকজনের সাথে প্রতিবেদকের সঙ্গে কথা হলে তারা স্বীকার করেন বাধ্য হয়েই টিআই অমলেন্দুকে চাঁদা দিতে হয়। গাড়ির সকল কাগজপত্র আপডেট থাকলেও ট্যু করে ডাম্পিং পাঠায়।চাঁদা না দিলে সার্জেন্ট দিয়ে বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে জব্দ দেখানো হচ্ছে।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেক সার্জেন্ট বলেন,টিআই অমলেন্দু স্যারের নির্দেশনা না মানলে অল্প সময়ের মধ্যেই বদলি হতে হয়।উপরস্থ এক পুলিশ কর্মকর্তা তার সকল অপকর্মের দামাচাপা দেয়।

ম্যাক্সিমার মালিক নজরুল বলেন, টিআই অমলেন্দুকে মাসিক চাঁদা না দেয়ায় আমার একটা ম্যাক্সিমা গাড়িকে এক সপ্তাহে তিনবার ট্যু করে ক্ষমতা দেখিয়েছে।অথচ আমার গাড়ির সকল কাগজপত্র আপডেট।টিআই অমলেন্দুর ক্যাশিয়ার লিটনকে চারশত টাকা দেয়ার পরও গাড়ি ট্যু করেছে।লিটন স্বীকার করে টাকা ফেরত দিতে চেয়েছে। চাঁদা দিলে কাগজপত্র না থাকলেও কোন সার্জেন্ট ধরে না।কিন্তু অমলেন্দুর মাসিক চাঁদা দিতে দেরী হলেই ট্যু এর খড়গ নেমে আসে।

চট্টগ্রাম নগরীর কয়েকশত ডাম্প ট্রাক লং বেহিক্যাল হতে কয়েক লাখ টাকা চাঁদা তোলা হচ্ছে।নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক ডাম্প ট্রাক ও লং বেহিক্যাল মালিক বলেন, টিআই অমলেন্দুকে বিকাশ নং ও নগদে চাঁদা দিতে হচ্ছে। টিআই অমলেন্দু নিজে,তার ছেলের ও ক্যাশিয়ার লিটনের বিকাশ নং এ এই চাঁদা তোলেন। ব্যবসায়ীদের তালিকা ও বিকাশ লেনদেনের তথ্য প্রতিবেদকের হাতে এসেছে।

পরিবহন মালিক ও ফুটপাতের দোকানদারেরা পুলিশের হয়রানির ভয়ে নাম প্রকাশ করতে চাননি।তবে তারা এ ও বলেছেন নিয়মিত মাসিক মাসোহারার বাইরে অলংকার ট্টাফিক পুলিশ বক্সের সাজ সজ্জা উন্নয়নের অজুহাতে চাঁদা দিতে হয়। ট্টাফিক পুলিশ বক্সের টয়লেট, এসি ও টেবিল চেয়ারের জন্য ব্যবসায়ীদের কাছ হতে বড় অংকের চাঁদাবাজির অভিযোগও রয়েছে টিআই অমলেন্দুর বিরুদ্ধে, বিদ্যুৎ বিল না দিয়ে ক্ষমতা দেখিয়ে এসি চালান।

সরেজমিনে দেখা গেছে অলংকার একে খানের মাঝামাঝি সড়কের পাশেই গড়ে ওঠেছে মাইক্রো স্ট্যান্ড প্রতি মাসে ওখান থেকে ৩০ হাজার টাকা নেন টিআই অমলেন্দু।বিটাক শিল্প এলাকায় অবৈধ ট্টাক স্ট্যান্ডে মাসে ৪০ হাজার টাকা নেন টিআই অমলেন্দু। সাগরিকা রোড়ে অবৈধ অটো রিকশা হতে নেন ৬০ হাজার টাকা।ফুটপাতের দোকানীরা বলেন অবৈধভাবে দোকান করি তাই বাধ্য হয়ে টিআইকে চাঁদা দিচ্ছি।

অনুসন্ধানে আরো জানা যায় মাসের ১-৮ তারিখ মধ্যে চাঁদার টাকা তোলা হয়।টিআই অমলেন্দুর হয়ে চাঁদা তোলেন ক্যাশিয়ার লিটন,টিআই অমলেন্দু তার পুত্রের বিকাশ নং এ চাঁদা নেন।ক্যাশিয়ার লিটন বলেন,আমি ছোট মানুষ টিআই অমলেন্দু স্যারের সাথে অফিসে থাকি,উনার হয়ে কাজ করি।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়,অলংকার মোড়ে শতশত বাস কাউন্টার হতে মাসে ১০ হাজার এমনকি ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা তোলেন।চাঁদা দিলে সড়কেই গাড়ি পার্কিং করা যায়।না হয় মামলায় হয়রানির শিকার হতে হয়।পাহাড়তলী চাল বাজার হতেও লাখ লাখ টাকা চাঁদা নেন অমলেন্দু।

সরেজমিনে বুধবার কয়েকজন কাউন্টার মালিক, গাড়ির মালিক ও চালক বলেন, ট্টাফিক পুলিশ নিয়ে কথা বললে ব্যবসা করা সম্ভব হবে না।উল্লেখ্য টিআই অমলেন্দু নগরীর হালিশহর টিআই হতে পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ অলংকার টিআই হিসেবে বদলি হয়ে এসেই বেপরোয়া হয়ে ওঠে।অথচ টিআই হতে পিআই হিসেবে বদলি হওয়ার নিয়ম।এক বড় পুলিশ কর্মকর্তার ক্ষমতায় তিনি এমন বেপরোয়া হয়ে ওঠেছেন বলে একাধিক সূত্র বলছে। সড়কে ঝানজট নিরসন না করে চাঁদা তুলতেই ব্যস্ত থাকেন টিআই অমলেন্দু।অলংকুলে প্রতিনিয়ত ঝানজট লেগেই থাকে। টিআই অমলেন্দুর চাঁদাবাজির অভিযোগ বিষয়ে চট্টগ্রাম ট্টাফিক পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার আব্দুল মান্নান প্রতিবেদক কে বলেন,আমরা এ বিষয়ে তদন্ত করতেছি। বিকাশ নং যাচাই বাছাইয়ে চিঠি পাঠাচ্ছি সত্যতা প্রমাণিত হলো অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানিয়েছেন।

অভিযোগ বিষয়ে টিআই অমলেন্দুের কাছে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সাংবাদিক পরিচয় জানার পর মোবাইল রিসিভ করে তিনি সরাসরি কথা বলা ছাড়া কারো সাথে মোবাইলে কথা বলে না। কারো কোন কিছু জানার থাকলে সরাসরি এসে জানতে হবে, অভিযোগের বিষয়ে কোন প্রশ্ন করা হলে তিনি কোন উত্তর দিবে না বলে জানায়।

এমএসএম / এমএসএম

মিরসরাই প্রেসক্লাবে ক্যালেন্ডারের মোড়ক উন্মোচন ও আলোচনা সভা সম্পন্ন

খোলা বার্তা নতুন প্রজন্মের সাংবাদিকদের জন্য সম্ভাবনাময় প্ল্যাটফর্ম : অতিথি সাংবাদিকরা

খাস জমির পথ বন্ধ, সাজানো মামলার ফাঁদ:চিতলমারীতে অবরুদ্ধ ১০টি পরিবার

অনুপস্থিত বন্দোবস্ত বাতিলের দাবিতে সুবর্ণচরে ভূমিহীনদের বিক্ষোভ

দেবীগঞ্জ অলদিনী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে পুনঃভর্তিতে কৌশলে অতিরিক্ত ফি আদায় করছে প্রধান শিক্ষক

কুমিল্লা সীমান্তে ৭৬ লাখ টাকার ভারতীয় বাজি জব্দ

শহীদ ওসমান হাদী স্মরণে ভূরুঙ্গামারীতে আলোচনা সভা ও পাঠক সমাবেশ

বড়লেখায় ৬৯ ভোট কেন্দ্রের মধ্যে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ২০, ঝুঁকিপূর্ণ ৩৬ টি কেন্দ্র

রাস্তা কার্পেটিংয়ে নিজস্ব মিক্সার ব্যবহারে অনিহা, আয় বঞ্চিত চসিক

অবৈধ নিয়োগ ও ভূয়া সনদে চাকুরীর অভিযোগ উঠেছে প্রভাষক ইকবাল হোসেনের বিরুদ্ধে

শেরপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে শিশুদের ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

বাগেরহাটের মোংলায় মাছ শিকারে অবৈধ জাল উদ্ধারপূর্বক পুড়িয়ে ধ্বংস

ওসমানী হাসপাতালে চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগে হামলা, ইন্টার্নদের কর্মবিরতি