ঢাকা শনিবার, ১৭ জানুয়ারী, ২০২৬

পরিত্যক্ত সম্পত্তিতে ১৬ তলা ভবনের নকশা সিডিএ’র


চট্টগ্রাম ব্যুরো photo চট্টগ্রাম ব্যুরো
প্রকাশিত: ১৭-১-২০২৪ দুপুর ৩:৩৮

 সরকার ঘোষিত পরিত্যক্ত ও অর্পিত সম্পত্তির ওপর নকশা (প্ল্যান) অনুমোদ করার অভিযোগ ওঠেছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ/চউক) বিরুদ্ধে। একই সাথে অন্যান্য লোকের জমি দখল করে মূল মালিকের স্বাক্ষর জালিয়াতি করে নকশা অনুমোদনের আবেদন করা হয়েছিল বলে জানা গেছে। ইমারত নির্মাণ বিধিমালা লঙ্ঘন করে মোটা অংকের ঘুষ বাণিজ্যের মাধ্যমে কোনরকম যাচাই-বাছাই ছাড়া নগরের ফিরিঙ্গীবাজারে ১৬ তালা ভবনের নকশা অনুমোদন করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠেছে।  

নানা অনিয়মের মাধ্যমে নকশা অনুমোদনের পরও ইমারত আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে ১৬ তালার আবাসিক ভবন অনুমোদন নিয়ে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে। যে পরিমান জায়গা ছাড়ার কথা ছিল তা ছাড়া হয়নি। ভবনটি অনুমোদিত নক্শার ব্যতয় ঘটিয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে। এই জায়গায় প্রবেশ পথ রয়েছে মাত্র ১২ ফুট, ভবনের পেছনে ১৫ ফুট বাফার ল্যান্ড ও ছাড়েনি ভবন মালিকগণ। ফলে নকশামুলে মালিকদের কারন দর্শানোর নোটিশ প্রদান করে ইমারত নির্মাণ কমিটি-২ এর সদস্য-সচিব ও সিডিএ’র অথরাইজড অফিসার-২ তানজিব হোসেন । নোটিশে বলা হয়েছে, চট্টগ্রাম মহানগরীর কোতোয়ালী থানাধীন গুরিবাজার মৌজার আর এস দাগ নং- ৬৮৯ (অংশ), ৬৯০ (অংশ), ৬৯১ (অংশ) ৬৯২ (অংশ), ৬৯৩ (অংশ), ৬৯৭ (অংশ), ৬৯৮/৭৩৪ (অংশ), ৬৬৭ (অংশ), এবং বি এস দাগ নং- ৭৯৭ (অংশ) এর তপশীলভূক্ত জায়গার জমিতে বিসি কেইস নং- ২৫.৪৭,১৫০০,০৭৩,৪৩,১৫৮.২২ মূলে একটি বেইজমেন্ট ও ১৬ তলা ইমারত নির্মাণ এর নকশা অনুমোদন দেয়া হয়েছিল। সরেজমিনে তদন্ত করে দেখা যায় অনুমোদনের শর্তাবলী লংঘন করে বেইজমেন্ট এর নির্মাণ কাজ করছেন। দক্ষিণে- ৪.০১৯,৪,৪,১০.৩১ মিটার রাখার পরিবর্তে ২,৮৪,৩,২০,৩.৯৬ মিটার খালি রাখা হয়েছে। পূর্বে ৪.৫১.৬.২৭,৩.০৫ মিটার রাখার পরিবর্তে ১.০১.০.৬৬ মিটার খালি রাখা হয়েছে। পশ্চিমে ৫.৩২,৪.৮২, ৫৬০ মিটার রাখার পরিবর্তে ১.০৯,০.৮৪,০.৯৬ মিটার খালি রাখা হয়েছে। নোটিশ প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে। এবিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত না দেয়া পর্যন্ত সকল ধরনের নির্মাণ কাজ (ব্যতিক্রমী নির্মাণ অপসারণ ব্যতীত) বন্ধ রাখার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে। অন্যথায়, অনুমোদিত নকশা বাতিলসহ প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নেটিশের জবাবে বিনয় ভূষণ খাস্তাগীরের পুত্র অলোক খাস্তগীর নামের একজন জানান, ” বি.সি.কেইস নং: ১৫৮/২২ মূলে আপনার দপ্তর থেকে ১৬ তলা ভবনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, তাতে আমি কোন নাম স্বাক্ষর করিনি। আমার নামে দেওয়া স্বাক্ষরটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। কে বা কারা এই স্বাক্ষরটি করেছে আমি জানি না। এছাড়াও, যে ভূমিতে (১৬ গন্ডা) নকশাটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, তা এপিলিষ্ট ভূক্ত। এই ভূমির সম্মুখ অংশে যে ৪ গন্ডা সম্পত্তি রয়েছে, তা অর্পিত সম্পত্তি হিসেবে তালিকাভূক্ত আছে। এই সম্পত্তির বিরূদ্ধে অর্পিত সম্পত্তি ট্রাইবুন্যালে মামলা বিচারাধীন। এই জায়গার উপর নক্শা অনুমোদন দেওয়া সম্পূর্ণ আইন বর্হিভূত। তাই বিষয়টি তদন্ত পূর্বক নকশা বাতিল করার জন্য আপনার নিকট বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি। ” এই জবাবের সাথে এপি তালিকা ফটোকপি, খতিয়ানের ফটোকপি ও অর্পিত সম্পত্তির খতিয়ানের ফটোকপি সংযুক্ত করেছেন তিনি। একই চিঠির অনুলিপি দিয়েছেন, উপ-প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ, চউক ও চেয়ারম্যান, ইমারত নির্মাণ কমিটি, সহকারী অথরাইজড অফিসার ইমারত পরিদর্শক ও চউক চেয়ারম্যানের পিএকে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ইমারত নির্মাণ কমিটি-২ এর সদস্য-সচিব ও সিডিএ’র অথরাইজড অফিসার-২ তানজিব হোসেন বলেন নকশা বহির্ভূত কাজ করার জন্য তাদের ৯ জনকে কারন দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছিল। তাদের মধ্যে একজন জবাব দিয়েছে তিনি নকশা সম্পর্কে অবগত নয় বলে জানিয়েছেন। তার স্বাক্ষর জাল করে নকশা অনুমোদন করার কথা জানিয়েছেন। বাকি জবাবগুলো আসলে আমরা পরবর্তী ব্যবস্থা নিব। নকশা অনুমোদনে অনিয়মের বিষয়ে তিনি বলেন, যখন নকশাটি অনুমোদন করা হয়েছে তখন আমি দায়িত্বে ছিলামনা। তবে এই বিষয়ে আমাদেও কাছে কোন লিখিত অভিযোগ আসেনি। কেউ যদি লিখিত কোন অভিযোগ করেন তবে আমরা তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নিব।

জানা যায়, ফিরিঙ্গিবাজারের গুরিবাজার মৌজার ২০৭ নম্বর খতিয়ানের ৭৯৭ বিএস দাগের এই জায়গাটি আদালত কর্তৃক বাতিলকৃত অবৈধ বিএস খতিয়ানের জায়গা। ২০ গন্ডা ভুমির আরএস-খতিয়ানের প্রকৃত মালিক মথুরা মোহন, হরিদাস চৌধুরী, লাল মোহন, অমর কৃঞ্চ চৌধুরী, কামিনী কুমার চৌধুরী, অশ্বিনি কুমার চৌধুরী, চন্দ্র কুমার ও শীষ চন্দ্র চৌধূরী।

৪২০/১১ ইং এর অপর মামলায় ১ম যুগ্ম জেলা জজ আদালত কর্তৃক বাতিলকৃত বিএস ২০৭ খতিয়ানের রেকর্ডিয় ফজল করিমের ওয়ারিশ রাজু গং ও তাদের অবৈধ বায়নাদার শফিক আদনান, এম রেযাযুল্লাহ প্রকাশ (খোকন), ফারুক আহম্মেদ এর সহিত আঁতাত করে আপীলকৃত মিছ মামলা ১৩০/২১ এ সোলেনামা দেওয়ার নামে তিন কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।

সুত্রে জানা গেছে, ফিরিঙ্গীবাজার ভুমি অফিসের তৎকালীন কর্মকর্তা লক্ষীন্দর ও সহকারী কর্মকর্তা তিলক শীল এবং এসি ল্যান্ড অফিসের কর্মকর্তা বিধান ও প্রবাল বাবু ভুমিদস্যুদের সাথে আতাঁত করে মোটাংকের ঘুষ আদায় করে এপি (শত্রু সম্পত্তি) তালিকাভুক্ত সম্পত্তি ও  অর্পিত সম্পত্তির গুলোর নামজারি খতিয়ান তৈরি করে দেয়। ফলে ২৫ কোটি টাকা মুল্যের সরকারী সম্পত্তিগুলো বর্তমানে বেহাত করে দেয়।

পরে জায়গাটি ‘সারদা কানন’ সনাতনী আবাসিক প্রকল্প নাম দিয়ে জামাই সিন্ডিকেট চক্রটি সংখ্যলঘু সম্প্রদায়ের সাথে শেয়ার ক্রয় বিক্রয়ের নামে হাতিয়ে নিয়েছে কোটি কোটি টাকা।এসব বিষয়ে এর আগে ২০২১ সালে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছিলেন স্থানীয় সীমান্ত সেন নামের একব্যক্তি। সেখানে বলা হয়েছে, সরকারি পরিত্যক্ত সম্পত্তি/এপি হিসেবে লিপিবন্ধ। কতিপয় ভূমিদস্যু, জবর দখলকারী সরকারি সম্পত্তি আত্মসাতকারী প্রতারকগণ তপশীলোক সম্পত্তি বিক্রয়ের জন্য অবৈধভাবে দখল করে বিক্রয়ের কুমানসে প্রতি শেয়ার ৩০ লক্ষ টাকা করে আদায় করছে। যা একটা ভূমিদস্যু চক্রের এক বিরাট প্রতারণার পরিকল্পনা। গত ০৪/০৪/১০১১ খ্রি. বায়না রেজিস্ট্রিমূলে ভূমিদস্যু প্রতারকগণ অবৈধভাবে দখল করে কিছু স্বর্ণব্যবসায়ীদের সাথে প্রায় ২০ কোটি টাকার বিনিময়ে এপি সম্পত্তি বিক্রয় করার কুমানসে চুক্তিবদ্ধ হয়ে প্রতারণা করছে। উল্লেখ্য যে, বিগত ২৮/০২/১৯৮৪ তারিখে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় হতে পরিত্যক্ত সম্পত্তি বিভাগ এর দায়িত্বপ্রাপ্ত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ রফিক উল্ল্যা স্বাক্ষরিত পত্রের মাধ্যমে এবং অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এর ০৩/১২/১৯৮৩ তারিখের ১ (১০) সংখ্যক স্মারকে পরিত্যক্ত সম্পত্তি বিভাগ এর দায়িত্বপ্রাপ্ত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ রফিক উল্ল্যা মহোদয়ের নিকট উক্ত সম্পত্তি এপি (পরিত্যক্ত সম্পত্তি) বিধায় দখলকারী বিহারী অমুসলিম রোশনী টিম্বার এর মালিক নূর আলী রশিদ এবং ফজল করিমকে উচ্ছেদের নোটিশ প্রদান করে উক্ত সম্পত্তি সর্মপণ করার আদেশ দেয়া হয়েছিল।

তাছাড়াও গত ০৬/১২/২০১৫ ইং তারিখের জেলা প্রশাসকের কার্যালয় হতে প্রেরিত তালিকায় এপি সম্পত্তি হিসেবে এবং সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিসে তলব রেজিস্টার ১ ও ২ এ এপি হিসেবে তালিকাভূক্ত রয়েছে। এতদসংক্রান্ত এপি তালিকাভূক্ত সম্পত্তি গেজেটভুক্ত করার জন্য ভূমি মন্ত্রণালয়সহ গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব প্রেরণ করা হয়েছিল। উক্ত সম্পত্তির মূল্য প্রায় ২০/২৫ কোটি টাকা মূল্যমানের। তার সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিসের কিছু অসাধু কর্মচারীর (তিলকশীল) সহযোগিতায় উক্ত সরকারি এপি তলিকাভুক্ত সম্পত্তি কিছু দুস্কৃতিকারী, ১৯/০৭/২০২ সরকারি সম্পত্তি জবর দখল করে আত্মসাত করার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। বিগত ২০১৮/১৯ সালে ব্যাক্তি নামে নামজারী করার চেষ্টা চালালে নামজারী মামলা নং-৮১৫, ৮১৬, ৮১৭/১৮ সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাবরিনা মুস্তাফা এপি সম্পত্তির তালিকাভুক্তির কারণে খারিজ করে দেন। ফলে সরকারি সম্পত্তি অবৈধ দখলদারদের হতে উদ্ধারপূর্বক সরকারের দখলে আনয়নসহ সরকারের নামে সাইন বোর্ড লাগিয়ে সাধারণ ব্যবসায়ীদের প্রতারণার হাত হতে রক্ষার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানানো হয়।
 এই সম্পত্তির বিরুদ্ধে ১ম যুগ্ম জেলা জর্জ আদালতে ২৩৯/২১ মামলাটি রাজু গং ও স্বর্ণ চোরাকারবারী পিকলু গং এর বিরুদ্ধে চলমান থাকলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কিভাবে নক্শা অনুমোদন দিয়েছে তা বোধগম্য নহে। এছাড়াও এই সম্পত্তির অগ্রভাগে ৪ গন্ডা সম্পত্তি বিনোদ বিহারি চৌধুরী গং এর  নামে বিএস ২২৯ নং খতিয়ান লিপিবদ্ধ রয়েছে। এই সম্পত্তি অর্পিত সম্পত্তি তালিকায় লিপিবদ্ধ রয়েছে।

সূত্র জানা গেছে, প্রতারক চক্রটি ক্ষমতাসীন দলের রাজনৈতিক নেতাদের ব্যবহার করে ফায়দা লুটার পাশাপাশি বীরদর্পে জায়গার প্রতারণা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে ।এমতাবস্থায় শফিক আদনান গং আইন বহিরভূত ৪৩৭৭ তারিখ ২৫/৩/২১ বায়না নামার অনুবলে বিগত ৩০ জুলাই ২০২১ইং পিকলু ধর, জনি ধর, অর্পণ ধর, শ্যামল ধর, চন্দন ধর, বাসু ধর, নামীয় ব্যক্তিদের বরাবরে একটি চুক্তি করেন। চুক্তিনামার ক্ষমতাবলে জনি গং সনাতন সম্প্রদায়ের বিভিন্ন ব্যক্তির সাথে ফ্ল্যাট বিক্রি ও শেয়ার বিক্রির নামে লিফলেট ছেড়ে অভিনব প্রতারণা করে ফ্ল্যাট ও শেয়ার বিক্রি করেছে।

অপরদিকে রাজু গং ভুল ভিত্তিহীনভাবে সৃজিত বিএস ২০৭ খতিয়ানের অবৈধ মালিক সেজে রাজনৈতিক শক্তি ব্যবহার করে ১৫ কোটি টাকা ইতিমধ্যে হাতিয়ে নিয়েছে। অথচ উক্ত খতিয়ানটি এপি লিষ্টে এখনো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।এবিষয়ে জানতে চাইলে জনি ধর বলেন, আমাদেও কাগজপত্র সব ঠিক আছে। তবে আমি এখন ওই প্রকল্পে নেই। আমি সেখানে এমপ্লয়ী ছিলাম। এখন কে বা কারা আছে তা আমার জানা নেই।

এ বিষয়ে হাইকোর্টের এক আইনজীবি বলেন, মৌরশী বা আরএস খতিয়ান যে অংশ বা ব্যক্তির কাছে বিক্রি করা হয় তা পর্রবর্তীতে বিএস খতিয়ানে লিপিবদ্ধ হলে তা আইনগত বৈধ। কিন্তু অনেক সময় অনেকে প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে অন্যের সম্পত্তি নিজের নামে বিএস খতিয়ান করিলে ঐ বিএস খতিয়ানের সাথে আরএস খতিয়ানের মালিকের হস্তান্তরের মিল না থাকলে উক্ত খতিয়ান বাতিলের জন্য যথাযথ আদালতে মামলা করলে তা বাতিল হয়ে যায়।

তেমনি উপরোক্ত ফজল করিম গং এর বিএস ২০৭ নং খতিয়ানের সাপোর্টে খরিদা ৫টি দলিলের সাথে আরএস মালিকের সম্পত্তি বিক্রির দালিলিক কোন ধারাবাহিতা নেই।এই খতিয়ান ভুল ভিত্তিহীন বাতিলযোগ্য হয়ে আদলতে গৃহীত হয়েছে।

এমএসএম / এমএসএম

মিরসরাই প্রেসক্লাবে ক্যালেন্ডারের মোড়ক উন্মোচন ও আলোচনা সভা সম্পন্ন

খোলা বার্তা নতুন প্রজন্মের সাংবাদিকদের জন্য সম্ভাবনাময় প্ল্যাটফর্ম : অতিথি সাংবাদিকরা

খাস জমির পথ বন্ধ, সাজানো মামলার ফাঁদ:চিতলমারীতে অবরুদ্ধ ১০টি পরিবার

অনুপস্থিত বন্দোবস্ত বাতিলের দাবিতে সুবর্ণচরে ভূমিহীনদের বিক্ষোভ

দেবীগঞ্জ অলদিনী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে পুনঃভর্তিতে কৌশলে অতিরিক্ত ফি আদায় করছে প্রধান শিক্ষক

কুমিল্লা সীমান্তে ৭৬ লাখ টাকার ভারতীয় বাজি জব্দ

শহীদ ওসমান হাদী স্মরণে ভূরুঙ্গামারীতে আলোচনা সভা ও পাঠক সমাবেশ

বড়লেখায় ৬৯ ভোট কেন্দ্রের মধ্যে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ২০, ঝুঁকিপূর্ণ ৩৬ টি কেন্দ্র

রাস্তা কার্পেটিংয়ে নিজস্ব মিক্সার ব্যবহারে অনিহা, আয় বঞ্চিত চসিক

অবৈধ নিয়োগ ও ভূয়া সনদে চাকুরীর অভিযোগ উঠেছে প্রভাষক ইকবাল হোসেনের বিরুদ্ধে

শেরপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে শিশুদের ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

বাগেরহাটের মোংলায় মাছ শিকারে অবৈধ জাল উদ্ধারপূর্বক পুড়িয়ে ধ্বংস

ওসমানী হাসপাতালে চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগে হামলা, ইন্টার্নদের কর্মবিরতি