ভ্রাম্যমাণ দোকানের কারণে বেচাকেনা কমেছে জরুন বাজারে
গাজীপুর সিটি করপোরেশন এর কোনাবাড়ী এলাকায় ফুটপাতে ভ্রাম্যমাণ দোকানের কারণে জরুন বাজারে বেচাকেনা কমেছে। এখন আর আগের মতো কেনাবেচা নাই বললেই চলে। দীর্ঘ ৪০ বছর আগের এই বাজারে দোকানীরা এখন অলস সময় পার করেন। কেনাবেচা না হওয়ার কারণে অনেকেই দোকান ছেড়ে চলে গেছেন।
বিগত ৫ থেকে ৭ বছর আগেও জরুন বাজারে সবুজ কানন,এনায়েতপুর, কুদ্দুছ নগর,পেয়ারা বাগান, নয়াপাড়াসহ আশেপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে বাজার করতো আসতো সাধারণ মানুষ । কিন্তু ফুটপাতে ভ্রাম্যমাণ দোকান হওয়ার কারণে এখন আর আসেনা।
জরুন বাজার ব্যবসায়ীদের অভিযোগ বর্তমানে তারা আগের তুলনায় চার ভাগের এক ভাগও বেচাকেনা করতে পারেননা। মাস শেষে তাদের দোকান ভাড়া দিয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে চলতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। তাদের দাবী ফুটপাতে ভ্রাম্যমান দোকান বসার কারণে সৃষ্টি হয় দীর্ঘ যানজট। অন্য দিকে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে জরুন বাজার ব্যবসায়ীরা। এই বিষয়টি নিয়ে তারা এর আগে থানায়ও লিখিত একটি অভিযোগ করেছিলেন। কিন্তু ফুটপাত থেকে ভ্রাম্যমান দোকান সরানোর বিষয়ে কোন উদ্যোগ নেয়া হয়নি।
কাঁচাবাজার দোকানী হারুন শেখ বলেন,এই বিটে জামানত বাবদ দেড় লাখ টাকা জমা দেওয়া আছে। প্রতিমাসে ভাড়া ৬ হাজার টাকা করে দিতে হয়। এখন আর আগের মতো বেচাকেনা হয়না। অনেক কষ্টে চলছি, না পারছি ব্যবসা ছাড়তে, না পারছি করতে। জিনিস পত্রের দামও বেশি।
শুটকির দোকানদার মামুনুর রশীদ বলেন, কোনাবাড়ী, কাশিমপুর এবং জরুন অঞ্চলটি শিল্প অঞ্চল হওয়ায় এখানে গার্মেন্টস শ্রমিক বেশি। তারা অফিস ছুটি শেষে ফুটপাত থেকে বাজার করে বাসায় চলে যায়। তারা আর বাজারে আসেনা। কিন্তু আগে যখন ফুটপাতে দোকান ছিলনা তখন তারা অফিস ছুটি শেষে বাজারে আসতো। তিনি বলেন,কি একটা অবস্থা? ফুটপাতে এখন শুঁটকি ও বিক্রি করে।
জরুন বাজার মার্কেট এর সভাপতি মোঃ কামাল হোসেন আকন্দ বলেন,২৪ বছর ধরে এই মার্কেটে দোকান দিয়ে ব্যবসা করছি। কিন্তু এখন আর পারছিনা। আগামী মাস থেকে দোকান ছেড়ে দিয়েছি। তিনি বলেন, একটি মার্কেটে কাঁচাবাজর ও মাছ বাজার মূল ভূমিকা পালন করে। মাছ এবং কাঁচাবাজারে ক্রেতা আসলে মুদি দোকানীরা বেচাকেনা করতে পারে। কিন্তু বর্তমানে কাঁচাবাজার ও মাছ বাজারেই বেচাকেনায় ধস নেমেছে। আমাদের মতো মুদি দোকানিদের অবস্থা আরো করুন।
জরুন বাজার মার্কেট মালিক সাবেক কাউন্সিলর মোঃ হুমায়ূন কবির খান বলেন,দীর্ঘ ৪০ বছর আগের এই মার্কেটিতে এখন শুনশান নিরবতা লক্ষ করা যায়। বিগত ৫ থেকে ৭ বছর ধরে এই অবস্থা। বেচাকেনা না হওয়ার কারণে অনেকেই দোকান ছেড়ে চলে গেছে। তিনি বলেন,ফুটপাতের ভ্রাম্যমান
দোকান গুলো যদি বন্ধ করা যেতে তাহলে আবারও জাঁকজমকপূর্ণ হয়ে উঠবে জরুন বাজার।
এমএসএম / এমএসএম
কুতুবদিয়ায় মাসিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত, সাগরে জলদস্যুতা দমনে জোরালো দাবি
শ্রীমঙ্গলে বাড়ির ছাদ থেকে ১৫ কেজির অজগর উদ্ধার
বম জনগোষ্ঠীর পক্ষে জেলা পরিষদ সদস্য পদে মানোন্নয়নের দাবি জানালেন হেডম্যান রিনলম বম
মুকসুদপুরে কলেজছাত্রী নিখোঁজ,পরিবারে চরম উৎকণ্ঠা
দাউদকান্দিতে আইন-শৃঙ্খলা সভা: রাজনৈতিক পরিচয়ে চাঁদাবাজি করলে কঠোর ব্যবস্থা: ড. মারুফ হোসেন
চাঁদাবাজদের রুখে দিতে আমরা প্রস্তুত—এমপি অধ্যাপক গোলাম রসুল
সোনাগাজীতে এম ফখরুল ফাউন্ডেশনের ইফতার বিতরণ
বাগেরহাটের মোংলা কোষ্টগার্ডের অভিযান রুপসা থেকে গাঁজাসহ মাদক বিক্রেতা আটক
গোল মরিচে কেমিক্যালের কারসাজি: কাউনিয়ায় অবৈধ মসলা কারখানা গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন
ভূরুঙ্গামারীতে মাসিক আইন-শৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত
তারাগঞ্জে নিখোঁজের ৩ দিন পর ইলেকট্রিশিয়ানের মরদেহ উদ্ধার
মৌলভীবাজার ২ কুলাউড়া সাংসদ শওকতুল ইসলাম শকুকে ভানুগাছ রেলওয়ে স্টেশনে ফুলেল শুভেচ্ছা