ঢাকা মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬

অনিয়মকে নিয়মে পরিণত করছে বিআরটিএ চট্টগ্রাম মেট্রো- ২


নিজস্ব প্রতিবেদক photo নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ৩-৪-২০২৪ দুপুর ৩:৫৩

অনিয়মকে নিয়মে পরিণত করে নানা কলা-কৌশলে গাড়ি মালিকসহ সংশ্লিষ্টদের জিম্মি করে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে বিআরটিএ চট্টগ্রাম মেট্রো-২ সার্কেলের উপ- পরিচালক (ইঞ্জি:) সৈয়দ আইনুল হুদা চৌধুরীর আস্থাভাজন সিল কন্ডাক্টর মহসিন সহ কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী ও দালালদের বিরুদ্ধে।

টাকার বিনিময়ে এই দালাল সিন্ডিকেট এমন কাজ নেই করছে না। চক্রটিতে কিছু কিছু দালাল নামি দামি কোম্পানির পক্ষ হয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিআরটিএ চট্টগ্রামে কাজ করে আসছে। সিন্ডিকেটটির বাইরে গিয়ে কেউ কাজ করতে চাইলে পদে পদে হয়রানি শিকার হতে হচ্ছে। চট্টগ্রাম অঞ্চলে চোরাই গাড়ির দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের মত কাজও তারা করে আসছে। চোরাই গাড়ি ও চোর সিন্ডিকেটের সাথেও রয়েছে চক্রটির সখ্যতা। টাকার বিনিময়ে চুক্তিতে গাড়ী না দেখে মালিকানা পরিবর্তন, মোটরসাইকেল পরিদর্শন না করে রেজিস্ট্রেশন, গাড়ী না দেখে ফিটনেস দেয়া, ড্রাইভিং লাইসেন্স থেকে শুরু করে নানা কাজে গ্রাহকদের জিম্মি করে অতিরিক্ত টাকা আদায় সহ এমন কোন কাজ নেই তারা করে না।

দাপুটে দালালরা হলেন- সীল কন্ডাক্টর  মহসিন, অফিস পিয়ন নুরুল ইসলাম, জুয়েল, সোহেল, পঙ্কজ, সেলিম, মহিউদ্দিন সহ অনেকে। এদিকে উর্ধতন কর্মকর্তা কর্মচারী,  মোটরযান পরিদর্শক ইকবাল আহমেদ, উচ্চমান সহকারি ইমরান টিপু, নিম্নমান সহকারি এনামুল হক, মেকানিক্যাল সহকারী মোশারফ হোসেন সহ অফিস সহকারীরাও জড়িয়ে আছে নানা অপকর্মে।

অনুসন্ধানে আরো জানা যায়, অফিসে প্রকাশ্যে বা অপ্রকাশ্যে যিনি ঘুষ দেন তারই কাজ হয় তাড়াতাড়ি। আর কেউ ঘুষ না দিলে অনেক প্রতিবন্ধকতা দেখিয়ে বিদায় করা হয় সেবা প্রত্যাশীদের। এমন অনিয়মের আওতায় গাড়ির মালিকানা পরিবর্তন করতে গাড়ির সঙ্গে ব্যক্তির সশরীরে বিআরটিএ কার্যালয়ে হাজির হওয়ার কথা থাকলেও অতিরিক্ত টাকা বা ঘুষ দিলে তার দরকার হয় না। এর ব্যতিক্রম হলে আইনের মারপ্যাঁচে ফেলে করা হয় নানা রকম হয়রানি। এমন কি চক্রটি নিজস্ব একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে মাঠ পর্যায়ে দালালদের দিয়ে সিন্ডিকেটটি মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে দেশের নামি দামি কোম্পানি, মোটর ও কারের শো রুমের মালিকদের সাথে গোপন চুক্তিতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছে বলে অভিযোগ আছে ।

বিআরটিএ অফিসে গাড়ির মালিকানা পরিবর্তন করতে আসা একজন ভুক্তভোগী জানান, টিপু সুলতানের কাছে একটা গাড়ির মালিকানা পরিবর্তন করার জন্য গেলে সে বলে যে গাড়ি হউক না কেন চুক্তিতে আসেন টাকা দিয়ে যান আপনার কাজ হয়ে গেছে। এখানে ফেরেস্তা হতে বসেনি কাজ নিয়ে আসেন আপনারটা আপনি রেখে আমারটা আমাকে দিয়ে দিবেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিআরটিএ অফিসে কর্মরত দুই বহিরাগত যুবক জানান, গাড়ির ফিটনেস সনদ, ড্রাইভিং লাইসেন্স, গাড়ি রেজিষ্ট্রেশনসহ বিভিন্ন কাজে নুরুল ইসলামকে টাকা দিয়ে করতে হয়, না হয় সেই পরিচালক দিয়ে হয়রানি করবে মর্মে হুমকিও দেন। নিরুপায় হয়ে তাকে অথবা তার সিন্ডিকেট দিয়ে কাজ করাতে হয়। এক প্রকার এই সিন্ডিকেটের হাতে জিম্মি হয়ে আছি।

বিআরটিএ এর অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী ও দালালরা নিজেরা অনৈতিক সুবিধা নিয়ে অবৈধভাবে কাজ করার কারণে সরকারের যেমন কোটি কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতি করছে তেমন চক্রটির কারণে বিআরটিএ-এর সুনাম ক্ষুন্ন হচ্ছে।

এর আগে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি বিআরটিএ মেট্রো-২ সার্কেল কার্যালয়ে দুদকের অভিযানে ঘুষ বাণিজ্যের সময় হাতেনাতে ধরা পড়ে তিন কর্মচারি ও চার দালাল। এদের মধ্যে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাসে তিন কর্মচারিকে বাদ দিলেও চার দালালকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে দুদক। দুদকের অভিযানে ধরা তিন কর্মচারির মধ্যে অন্যতম হচ্ছেন বিআরটিএ কার্যালয়ের নিম্নমান সহকারি এনামুল হক, উচ্চমান সহকারি ইমরান টিপু ও পঙ্কজ। কিন্তু অভিযানের কয়েকদিন পর আবার সেই আগের চিত্র ফিরে আসে। কেননা অন্তরালে থেকে যায় ঘুষ বাণিজ্যের মূল হোতারা। ফলে দালালদের দৌরাত্য ও ঘুষ বাণিজ্য কমেনি একটুও। নিজেরা অনৈতিক সুবিধা নিয়ে অবৈধভাবে কাজ করার কারণে সরকারের যেমন কোটি কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতি করছে তেমন চত্রুটির কারণে বিআরটিএ-এর সুনাম ক্ষুন্ন হচ্ছে।

এর আগে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি বিআরটিএ মেট্রো-২ সার্কেল কার্যালয়ে দুদকের অভিযানে ঘুষ বাণিজ্যের সময় হাতেনাতে ধরা পড়ে তিন কর্মচারি ও চার দালাল। এদের মধ্যে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাসে তিন কর্মচারিকে বাদ দিলেও চার দালালকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে দুদক। দুদকের অভিযানে ধরা তিন কর্মচারির মধ্যে অন্যতম হচ্ছেন বিআরটিএ কার্যালয়ের নিম্নমান সহকারি এনামুল হক, উচ্চমান সহকারি ইমরান টিপু ও পঙ্কজ। কিন্তু অভিযানের কয়েকদিন পর আবার সেই আগের চিত্র ফিরে আসে। কেননা অন্তরালে থেকে যায় ঘুষ বাণিজ্যের মূল হোতারা। ফলে দালালদের দৌরাত্ন্যু ও ঘুষ বাণিজ্য কমেনি একটুও।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানার জন্য বিআরটিএ চট্টগ্রাম মেট্টো-২ সার্কেলের উপ-পরিচালক (ইঞ্জি:) সৈয়দ আইনুল হুদা চৌধুরীর এর সাথে যোগাযোগ করা হলে মোবাইলে পাওয়া যায়নি।

উল্ল্যেখ, গত ২০১৫ সালে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটির (বিআরটিএ) লক্ষ্মীপুর কার্যালয়ে আইনুল হুদা চৌধুরী সহকারী পরিচালকের দায়িত্বে থাকাকালীন তিনি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে দালালদের মদদ দিয়েছে। গড়ে তুলে ছিলেন ১০-১২ জনের দালাল সিন্ডিকেট। প্রকাশ্যে সেখানে দালালদের ঘুষ বাণিজ্যের 'ঘাঁটি' বসিয়ে ছিলেন।

Israt / এমএসএম

লোহাগড়ার সিডি বাজারে গাঁজা বিক্রির সময় জনতার হাতে মাদক কারবারি আটক

ছাত্রদলের ঢাকা মহানগর পশ্চিম কমিটিতে আইন বিষয়ক সম্পাদক চৌগাছার জাফর ইকবাল

রৌমারীতে ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা কর্মকর্তা বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

কুষ্টিয়ায় ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের অভিযান

​রাণীনগরে পাইকারি দোকানের টিন কেটে দেড় লাখ টাকার সিগারেট চুরি, থানায় অভিযোগ

নওয়াপাড়ায় ব্যবসায়ী হত্যা মামলার প্রধান আসামি যশোর থেকে গ্রেফতার

মেঘনায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ: “তিন মাসে চার খুন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কী করছেনঃ হাসনাত আবদুল্লাহ

ফরিদগঞ্জ সরকারি ডিগ্রি কলেজে অনিয়মের অভিযোগে আলোচনায় অধ্যাপক শাহ মোঃ মাছুম মিয়া

শিবপুর থেকে চুরি করা শিশু ৪ হাজার টাকায় বিক্রি

মান্দায় গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

পিরোজপুরে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের মাঝে অনুদানের চেক বিতরণ

পিরোজপুরে ২৫টি হারানো মোবাইল উদ্ধারকরে মালিকদের হাতে তুলে দিল জেলা পুলিশ

অভয়নগরে আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে একাধিক সিদ্ধান্ত