ছালুয়া ফজলে রাব্বী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
সভাপতির নির্দেশে বন্ধ নিয়োগ বাণিজ্য
প্রয়াত ডেপুটি স্পীকার এডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়ার উদ্যোগে ১৯৮৯ সালে গাইবান্ধা জেলার ফুলছড়ি উপজেলায় প্রতিষ্ঠিত হয় ‘ছালুয়া ফজলে রাব্বী বালিকা বিদ্যালয়’। জীবিত থাকাকালীন বেশির ভাগ সময়ই স্কুলটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন তিনি। তার মৃত্যুর পর, এলাকার বিশিষ্টজনদের অনুরোধে তার কন্যা ফারজানা রাব্বী বুবলী ২ বছর আগে ৩টি শর্তে সভাপতির দায়িত্ব নেন। প্রথম শর্ত, স্কুলটিতে তিনি নিজ খরচে একটি ৫তলা ছাত্রী নিবাস করে দেবেন। এজন্য কমিটিকে জায়গা কেনার ব্যাপারে সর্বাত্মক সহযোগিতা করতে হবে।
পাঁচ তলা ছাত্রী নিবাস করার উদ্দেশ্য হচ্ছে এর মাধ্যমে দূর-দূরান্ত থেকে কয়েক শ’ ছাত্রী যেন এই বিদ্যালয়ে পড়তে পারে। এতে গাইবান্ধা জেলার শ্রেষ্ঠ বালিকা বিদ্যালয় হিসাবে স্বীকৃতি পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়বে। দ্বিতীয় শর্ত, বর্তমান শিক্ষকদের ট্রেনিংয়ের মাধ্যমে শিক্ষক হিসাবে আরো যোগ্য করে তোলা। একই সঙ্গে শূন্যপদে মেধাবী শিক্ষক নিয়োগ দেয়া। তৃতীয় শর্ত স্কুল কমিটির মিটিং বাবদ বা অন্য কোন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হলে, সেই অনুষ্ঠান বাবদ কোন টাকা খরচ না করা। অর্থাৎ স্কুলের যে কোন ধরনের অনুষ্ঠানের জন্য যে পরিমাণ খরচ হবে এবং কমিটির মিটিংয়ের আপ্যায়ন বাবদ যে পরিমাণ টাকা খরচ হবে, সেই টাকা ফারজানা রাব্বী বুবলী নিজে বহন করবেন। কিন্তু কমিটির এই মেয়াদকালে স্কুলের অধিকাংশ শিক্ষকের আগ্রহ থাকলেও, স্কুলের প্রধান শিক্ষক এবং কমিটির অভিবাবক প্রতিনিধিদের (বিশেষ করে আব্দুল কুদ্দুছ, মাহবুব এবং সুমন) স্কুলের শিক্ষার মান উন্নয়ন (অর্থাৎ শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ) এবং স্কুলের অবকাঠামোগত মান উন্নয়নের (অর্থাৎ পাঁচ তলা ছাত্রী নিবাস করা) ব্যাপারে কোন আগ্রহই দেখান না। প্রধান শিক্ষক এবং অভিভাবক প্রতিনিধিদের আগ্রহ ছিল কর্মচারী শূন্য পদে (যথা, অফিস সহকারী, এমএলএসএস, ঝাড়ুদার) নিয়োগ দিয়ে নিয়োগ বাণিজ্য করা।
জানা যায়, সভাপতি শেষের দিকে মৌখিকভাবে নিয়োগ দিতে রাজি হয়েছিলেন এই শর্তে যে, আগে ছাত্রী নিবাসের জন্য জায়গা কিনে দিতে হবে, যার টাকা সভাপতি নিজে দান করবেন এবং ভবনও নিজের টাকায় করে দেবেন। আর দ্বিতীয় শর্তটি ছিল এই, নিয়োগের নামে যেন কোন বাণিজ্য না হয়। কিন্তু প্রধান শিক্ষক ও অভিভাবক প্রতিনিধিগণ এই দুটি পূর্বশর্ত পালন না করে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করলে, বর্তমান সভাপতি নিয়োগ বন্ধ করতে নির্দেশ দেন।
উল্লেখ্য, এই পরিস্থিতিতে আর দ্বিতীয় মেয়াদে সভাপতির দায়িত্ব পালন করতে আগ্রহী নন ফারজানা রাব্বী বুবলী। যদিও এলাকার মানুষ ফারজানা রাব্বী বুবলীকেই সভাপতি হিসাবে পুনরায় দায়িত্ব দিতে চাইছে। কারণ স্কুলটি তার বাবার নামে হওয়ার কারণে এবং তার গ্রামের বাড়ি (গাবগাছী হাউজ, কালীরবাজার)-র সংলগ্ন হওয়ার কারণে, এই স্কুলের প্রতি মমত্ববোধ তার চেয়ে বেশি আর কারো নেই। তিনি ইতিমধ্যেই প্রায় তিন লাখ টাকা স্কুলে দান করে স্কুলের বাথরুমে টাইলস লাগিয়েছেন এবং মূল শিক্ষা ভবনটিতে রং লাগিয়েছেন। তিনি সভাপতির দায়িত্ব পুনরায় নিলে তার পরিকল্পিত ৫তলা ছাত্রী নিবাস নির্মিত হলে, উপজেলা হেড-কোয়ার্টারের মান উন্নয়ন হবে। তাছাড়া শিগগিরই যেহেতু প্রধান শিক্ষক, সহকারী প্রধান শিক্ষক সহ আরো ৫ জন কর্মচারী নিয়োগ হবে, সেই নিয়োগগুলোতে, বিশেষ করে প্রধান শিক্ষক, সহকারী প্রধান শিক্ষক ও সাবজেক্ট শিক্ষক পদে যেন গুণী এবং যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের নিয়োগ দেয়া হয়- এটা এলাকাবাসীর চাওয়া। উল্লেখ্য, তিনি প্রধান শিক্ষকের বাসভবন নির্মাণ করে দিয়ে এই স্কুলটিকে অনেক উচুমানের একটি প্রতিষ্ঠান হিসাবে গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা বেশ কয়েকটি মিটিংয়ে বলেছেন।
এমএসএম / এমএসএম
নওগাঁয় বাসচালককে মারধরের অভিযোগ; বাস চলাচল বন্ধ করে দিল শ্রমিকরা
নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার আগেই বার বার ভেঙে পড়ছে যাদুকাটা ব্রীজের গার্ডার
ধামরাইয়ে অবৈধ দেড় লাখ টাকার তামাক পণ্য ধ্বংস
অসহায় দুস্থদের মাঝে হুইলচেয়ার বিতরণ করলেন গাসিক প্রশাসক
রাঙ্গুনিয়ায় উপজেলা প্রশাসন আন্তঃস্কুল ক্রিকেট টুর্নামেন্ট-২০২৬ এর শুভ উদ্বোধন
মিরসরাইয়ে বার্ষিক ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে
সোনারহাট সীমান্তে বিএসএফের গুলির জবাবে বিজিবির পাল্টা ফায়ার
কুমিল্লায় তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তিকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা, সীমান্ত এলাকা থেকে প্রধান আসামি গ্রেপ্তার
বিরামপুরে স্বর্ণ ডাকাতির মামলায় ইউপি সদস্য গ্রেপ্তার
নোয়াখালীর কবিরহাটে জনসচেতনতা ও ভূমিসেবা মেলার উদ্বোধন
“সুরক্ষিত ভূমি, সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ” প্রতিপাদ্যে টুঙ্গিপাড়ায় ভূমিসেবা মেলা
মানুষের কল্যাণ ও দেশের সার্বিক উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে হবে মীর মোহাম্মদ হেলাল