সাটুরিয়ায় বিদ্যালয় রক্ষার দাবী চর এলাকার শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের
মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার বরাইদ ইউনিয়নের ছনকা উচ্চ বিদ্যালয় রক্ষার দাবীতে দীর্ঘদিন ধরে মানববন্ধন ও সমাবেশ করছেন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও চর এলাকার শত শত সাধারণ মানুষ। এলাকাবাসীর দাবী ২০১৫ সালের পূর্বে ছনকা চর এলাকায় কোন বিদ্যালয় ছিল না। সেজন্য চর এলাকার ছেলে মেয়ে শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত ছিল। তাই ২০১৫ সালে ধলেশ্বরী নদীর চর এলাকায় চরবাসীর নিজস্ব অর্থ সহযোগিতায় টিন সেটের ঘর তৈরি করে সেখানেই বিদ্যালয়টি স্থাপন করা হয়। বর্তমানে বিদ্যালয়টি এমপিও ভুক্ত ও চারতলা ভবন নির্মানের প্রস্তাব পাওয়ায় বিদ্যালয়ের সভাপতি মোঃ সাজাহান মিয়া বিদ্যালয়টিকে অন্যত্র স্থানান্তর করার চেষ্টা চালাচ্ছে এমনটি অভিযোগ স্থানীয়দের।
ধলেশ্বরী নদীর চর এলাকার মানুষের দাবি, এই এলাকার ছেলে-মেয়েরা এখানে পড়ালেখা করছে। এটা তাদের আবেগের জায়গা। বিদ্যালয়টি অন্যত্র সরিয়ে নিলে এতে এলাকার ছেলে-মেয়েদের শিক্ষা গ্রহনে অসুবিধা হবে। কিন্তু এলাকার সকল শ্রেণির মানুষের মতামত উপেক্ষা করে বিদ্যালয়টি নদীর পশ্চিম পারে সরিয়ে নেয়ার চেষ্টা চলছে। প্রয়োজনে প্রাণ যাবে, তবুও কোনোভাবেই এ স্কুল অন্যত্র স্থানান্তর হতে দেবেনা এমনটি দাবি চর এলাকার মানুষের।ছনকার এলাকার চরবাসীরা বলেন, ২০১৫ সালে এই বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা হয়েছে। বর্তমানে বিদ্যালয়টি এমপিওভুক্ত হওয়ায় নদী ভাঙ্গনের ইস্যু করে বিদ্যালয়ের সভাপতি সাজাহান মিয়া তার নিজের স্বার্থে বিদ্যালয়টি অন্যত্র স্থানান্তর করতে চাচ্ছে।
বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা বলেন, আমরা আমাদের প্রাণের স্কুল কিছুতেই স্থানান্তর হতে দিবো না। এটি আমাদের অন্তরের দাবি, এই স্কুল এখানেই থাকবে। আর যদি স্কুল সরিয়ে দেয়া হয় তাহলে আমরা দেশের সর্বোচ্চ পর্যায়ে গিয়ে প্রতিবাদ জানাবো।
শিক্ষার্থীরা বলেন, এই স্কুলের সাথে আমাদের আবেগ, উচ্ছ্বাস, স্মৃতি জড়িত। আমাদের আবেগে কাউকে আঘাত করতে দেবো না। এই স্কুল স্থানান্তর হলে আবার একই অবকাঠমো গড়ে উঠবে কিনা সেই ব্যাপারে সন্দেহ আছে। এবিষয়ে বিদ্যালয়ের সভাপতি মোঃ সাজাহান মিয়ার সাথে কথা বললে তিনি জানান, বিদ্যালয়টি নদী ভাঙ্গনের কবলে পরেছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা রয়েছে নদী ভাঙ্গণ কবলিত এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিন। এরই ধারাবাহিকতায় নদীর পশ্চিম পাড়ে তিল্লী বাজারের পাশে নিরাপদ স্থানে স্কুলটি স্থানান্তরের জন্য আবেদন করেছি। ইতিমধ্যে বিদ্যালয়ের জন্য নতুন জমি নিদিষ্ট করে বিদ্যালয়ের নামে নাম খারিচ করা হয়েছে। বিদ্যালয়টি স্থানান্তর হলে সরকারি ভাবে ভবন বরাদ্ধ হবে। ডিজিটাল প্রযুক্তির নানান ডিভাইস পাওয়া যাবে। সেইসাথে নদীর উভয় পাড়ের ছেলে মেয়েরা ভালভাবে পড়াশোনা করার সুযোগ পাবে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার শান্তা রহমান বলেন, ছনকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি নদী ভাঙ্গনের কবলে পড়ছে এধরনের একটি তদন্তের জন্য শিক্ষা বোর্ড থেকে আমাকে বলা হয়েছে। আমি বিদ্যালয় পরিদর্শনে গিয়েছিলাম। ভাঙ্গনের জায়গাটি দেখেছি। স্কুল কর্তৃপক্ষ একটি প্রস্তাবিত জায়গার কথা বলেছে, যেটা নদীর ওই পাড়ে। সেখানেও আমি গিয়েছিলাম। এখানে একটি পক্ষ চাচ্ছে স্কুলটি নদীর এপারে থাকুক এবং আরেকটি পক্ষ চাচ্ছে স্কুলটি নদীর ওপারে চলে যাক। আমি দুপক্ষের বক্তব্যই শুনেছি। বাস্তব অবস্থাটা দেখেছি। আমরা সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে তদন্তের রিপোর্ট দেব। এরপর শিক্ষাবোর্ড সিদ্ধান্ত নেবে স্কুলটি এপারে থাকবে না ওপারে যাবে।
এমএসএম / T.A.S
শিবগঞ্জে কন্যাশিশু দিবস উপলক্ষে র্যালি, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ
তারাগঞ্জে মাদক সেবনের দায়ে ৪ জনের কারাদণ্ড
মধুখালীতে কন্যা শিশু দিবস উপলক্ষে রেলি ও আলোচনা সভা
কুড়িগ্রামে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু, নিয়োজিত ১ হাজার ৭১ কর্মী
বকশীগঞ্জে নিখোঁজের ৩ দিন পর ঝোপে নারীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার
নরসিংদীতে সাত বছরের সাজাপ্রাপ্ত মাদক মামলার পলাতক আসামি গ্রেপ্তার
তেঁতুলিয়ায় ১০ কেজির বার্মিজ অজগর উদ্ধার
কামরুজ্জামান সিকদার কামালকে নিয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদ, তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে কথা বলার আহ্বান
জয়পুরহাটে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে জেলা বিএনপির মতবিনিময়
রাজারহাটে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের তথ্য সংগ্রহ অবহিতকরণ প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত
পেকুয়ায় ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি নিয়ে প্রেস কনফারেন্স
পিরোজপুরে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহে নিয়োগ কর্মী ৪৯২ জন, সুপারভাইজার ৪৯ জন