গুরুতর অপরাধে লঘু দণ্ড দিল চট্টগ্রাম পরিবেশ অধিদফতর
চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন এলাকায় পাহাড় কাটার মতো গুরুতর অপরাধের অভিযোগে নামমাত্র লঘুদণ্ড দিয়ে দায়মুক্ত হতে চাচ্ছে চট্টগ্রাম পরিবেশ অধিদফতর। পাহাড় কাটার অভিযোগ প্রমাণিত এবং হাতেনাতে ধরা পড়লেও পাঁচজনকে নামমাত্র অর্থদণ্ড দিয়েছে চট্টগ্রাম পরিবেশ অধিদফতর।
জানা গেছে, ৫ জনকে মোট ১ লাখ ৮৫ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ সাত দিনের মধ্যে পরিশোধের সুযোগও দেয়া হয়েছে। পরিবেশ অধিদফতরের লোকজনকে বশে এনে প্রভাবশালীরা পাহাড় কেটে ভবন, শিল্প-কারখানা নির্মাণ করে এলেও তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার ক্ষেত্রে রহস্যজনক ভূমিকা পরিলক্ষিত হচ্ছে। পরিবেশ অধিদফতরের এমন কর্মকাণ্ডে সচেতন মহলের মধ্যে নানা প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। নগরীর বিভিন্ন এলাকায় প্রভাবশালীরা যারা পাহাড় কাটছে তাদের বিরুদ্ধে অভিযান না করে লোক দেখানো ছোটখাটোদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে পরিবেশ অধিদফতরের কার্যক্রম প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।
জানা গেছে, নগরীর বিভিন্ন এলাকায় প্রভাবশালীরা অবৈধভাবে পাহাড় কেটে পরিবেশের বিপর্যয় ঘটিয়ে বহুতল ভবন নির্মাণ করে কোটি কোটি টাকার প্লট ও ফ্ল্যাট বাণিজ্য করে আসছে। অবৈধ পাহাড় কাটা নিয়ে জাতীয় ও স্থানীয় বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় একাধিক সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। পরিবেশ অধিদফতরের লোকজনের সহযোগিতায় পাহাড় কাটার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। রোববার (২২ আগস্ট) পরিবেশ অধিদফতরের পরিচালক (মেট্রো) মোহাম্মদ নুরুল্লাহ নুরী বিভিন্ন এলাকায় অভিযান করা হয়েছে বলে গণমাধ্যমে একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি পাঠান। নগরীর লালখান বাজারের মতিঝর্ণা এলাকায় পাহাড় কাটার দায়ে রহিম ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কসপের মালিক আব্দুর রহিমকে ৪০ হাজার টাকা এবং রঘু দাশগুপ্ত ও মাধব রতন ঘোষকে ২০ হাজার টাকা করে মোট ৪০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, বায়েজিদ বোস্তামি থানাধীন চৌধুরীনগর এলাকার রিদোয়ান হাসানকে ৪৫ হাজার টাকা এবং পাঁচলাইশ থানাধীন ওআর নিজাম সড়কে শেভরন মেডিকেলসংলগ্ন পাহাড় কাটার অপরাধে সামশুল হুদাকে ৬০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেয়ার আদেশ দেয়া হয়েছে। অভিযানের বিষয়টি পরিবেশ অধিদফতরের উপ-পরিচালক (মেট্রো) মিয়া মাহমুদুল হক স্বীকার করেছেন। তবে বড় বড় প্রভাবশীলর বিরুদ্ধে পরিবেশ অধিদফতর নীরব থাকার বিষয়টি জানতে চাইলে অভিযানটি লোক দেখানো কিনা জানতে চাইলে তিনি এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি।
বাংলাদেশ পরিবেশ উন্নয়ন সোসাইটির চেয়ারম্যান সাংবাদিক একেএম আবু ইউসুফ বলেন, পরিবেশ অধিদফরের লোক দেখানো কাজে মানুষের কাছে তারা আস্থাহীন হয়ে পড়ছে। এ অভিযান পুরোটা লোক দেখানো বলে তিনি মনে করেন। তাদের কাছে নাগরিকরা লিখিত অভিযোগ দিলেও তারা কাজ করে না বলে জানান তিনি।
এ বিষয়ে নাগরিক অধিকার ও পরিবেশ সুরক্ষা আন্দোলনের (নাপসা) সভাপতি আলমগীর নুর বলেন, চট্টগ্রাম অঞ্চলে পরিবেশ অধিদফতরের যারা দায়িত্ব রয়েছেন তারা জনগণের কাজ না করে নিজেরা লাভবান হওয়ার জন্য কাজ করছেন। তারা চট্টগ্রামে পোস্টিং নিয়ে অনেকে অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়েছেন।
এমএসএম / জামান
ত্রিশালে নজরুল জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে প্রাক-প্রস্তুতি সভায় সংস্কৃতি মন্ত্রী
লালমাই পাহাড়ের ‘সিলগালা’ কূপ ঘিরে রহস্য- ২০০৪ সালে গ্যাসের সন্ধান, কৌতূহলে স্থানীয়রা
দৌলতখানে সাজেদা ফাউন্ডেশনের 'স্টপ দ্য স্টিগমা ২.০' প্রকল্পের লার্নিং শেয়ারিং মিটিং অনুষ্ঠিত
কালকিনিতে জেলেদের চাল নিয়ে ইউপি চেয়ারম্যানের চালবাজী!
সুন্দরবনে চোরাশিকারীদের কবল থেকে ২ হরিণ উদ্ধার, বনে অবমুক্ত
হাতিয়ায় নিখোঁজ শিশুর ভাসমান লাশ উদ্ধার
রেক্টিফাইড স্পিরিট পানে বিষক্রিয়া ও মৃত্যু প্রতিরোধে মেহেরপুরে সেমিনার অনুষ্ঠিত
মধুখালীতে নওপাড়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান আটক
ধামইরহাট পৌরসভার রূপকল্প ও উন্নয়ন পরিকল্পনা বিষয়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত
শার্শায় ট্রাক ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২
পিরোজপুরে শিশু শ্রম ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে অবহিতকরণ সভা ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান
গ্রাম পুলিশ নিয়ে মাদকবিরোধী অভিযানে ইউপি সদস্য