জবি থেকেই উপাচার্য নিয়োগের দাবিতে শিক্ষকদের আলোচনা সভা
বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবর্তিত পরিস্থিতি মোকাবেলা করার যোগ্যতাসম্পন্ন, বিচক্ষণ ও সাহসী উপাচার্য চান জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। এছাড়া উপাচার্যকে অবশ্যই জবি থেকেই হতে হবে বলে দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
সোমবার শিক্ষক সমিতির লাউঞ্জে শিক্ষকদের মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তাঁরা। জবি থেকে ভিসি নিয়োগের দাবিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকবৃন্দের আয়োজনে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যানসহ শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।এসময় তারা নিজেদের সহকর্মীদের মধ্য থেকে ভিসি নিয়োগের দাবিতে অনেকে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন। তারা বলেন, অতীতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে যারা উপাচার্য হয়ে এসেছেন, রুটিন দায়িত্ব পালন করেছেন। তখনো নিজের বিশ্ববিদ্যালয় মনে করে কাজ করেন নি। দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ শেষ হতে ৬-৭ বছরের বেশি লাগার কথা নয়। কিন্তু কাজ কেউ আন্তরিকতার সঙ্গে করেননি।
তাঁরা আরো বলেন, এখন দেশের পরিস্থিতি পরিবর্তন হয়েছে। আমরা কথা বলতে পারছি। এখনই দাবি জানানোর উপযুক্ত সময়। আমাদের ক্যাম্পাসের সমস্যা আমাদের শিক্ষকগণই ভালো বুঝতে পারবেন। তবে অবশ্যই উপাচার্যকে বর্তমান দেশ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবর্তিত পরিস্থিতি মোকাবেলা করার যোগ্যতাসম্পন্ন, বিচক্ষণ ও সাহসী হতে হবে।
ইতিহাস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. বিলাল হোসাইন বলেন, আমরা ১৯ বছর ধরে জবি থেকে ভিসি পাইনি। ফলে আশানুরূপ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা ও অবকাঠামোতে উন্নয়ন হয় নি। আমরা পিছিয়ে আছি।
কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. লায়েক বলেন, আমার প্রধান পয়েন্ট হচ্ছে, এখনই উপযুক্ত সময় আমাদের দাবি তুলে ধরার। সেটা হচ্ছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উপাচার্য দিতে হবে। তাঁকে যোগ্যতাসম্পন্ন হতে হবে। কোনোভাবেই যেন ব্যর্থ না হোন, সেদিকে নজর রাখতে হবে। ব্যর্থ হলে আমাদের দাবি নিয়ে আবার সমালোচনা তৈরি হবে।
ইতিহাস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাসির আহমেদ বলেন, আমরা আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উপাচার্য যেমন চাই একই সাথে পরবর্তীতে উপাচার্যকে কাজে সহযোগিতা করতে চাই। কিন্তু আমরা উপাচার্যের লোক হয়ে অপ্রয়োজনে তার পিছে ঘুরা, কিংবা তার হয়ে কাজ করা এসব ট্রেন্ড বন্ধ করতে চাই। আমাদের সকলের কাজ হবে বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য।
এ বিষয়ে ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান ড. আব্দুল কাদের বলেন,আমাদের কে দুইটা প্ল্যান রেড়ি রাখতে হবে।প্রথমত আমাদের মধ্য থেকে যদি ভিসি আসে যেই আসুক না কেন আমরা তাকে মেনে নিবো।কিন্তু যদি বাইরে থেকে দিয়ে দেয় আমাদের তাৎক্ষণিক রিয়েকশান কি হবে, আমরা যাতে আন্দোলনে আসতে পারি সে বিষয়ে রেড়ি থাকতে হবে।আমরা তখন যেন প্রত্যেকটা শিক্ষককে পাশে পাই।
এ বিষয়ে সভায় উপস্থিত ইতিহাস বিভাগের প্রফেসর শহিদ কাদের চৌধুরী বলেন,আমরা জবি থেকে ভিসি চাই তার মধ্যে একটি কারণ হলো আমরা অনেক সময় দেখি একজন শিক্ষক হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ে যেমন সম্মান টা পাওয়া উচিত আমরা অনেকেই এমনটা পাই নাই।ব্যক্তিগত ভাবে আমি পাই নাই।আমি একবার ভিসি দপ্তরে একটা কাজে গিয়েছিলাম।কিন্তু পরবর্তীতে ভিসি আমাদেরকে একবার ও দেখার প্রয়োজন মনে করেন নি।তাছাড়া, আমার প্রফেসর হওয়ার ক্ষেত্রে ৫ বার বোর্ড ক্যান্সেল হয়েছে।কিন্তু আমাকে এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইনফর্ম করা হতো না।এটা তো উচিত ছিলো।
তিনি আরো বলেন,আমাদের মধ্যে থেকে পরবর্তীতে যেই ভিসি হোক না কেন আমরা যেন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে ভিসির সাথে ভালো সম্পর্ক হোক।কিন্তু আমরা যাতে পরিবর্তীত এই সময়ে ভিসির লাঠিয়াল বাহিনীতে পরিনত না হই।
এ ছাড়া মতবিনিময় সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, দর্শন বিভাগের অধ্যাপক ড. লুৎফুর রহমান, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. নূরে আলম আব্দুল্লাহ, মনোবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আকরাম উজ্জামান, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ড. মোহাম্মদ রেজাউল হোসাইন, গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মোস্তাক আহমেদ সহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকরা
এমএসএম / এমএসএম
কাউনিয়ায় পুকুর নিয়ে বিরোধ: মাছ লুট ও হামলার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন
ডিআইইউ ও পাকিস্তানের ফাস্ট-এনইউসিইএসের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর
ঈদ-গ্রীষ্মের ছুটি শেষে আজ খুলেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
সুইডেনের 'ইউনিভার্সিটি অব গাভলে' সফরে ইবি প্রতিনিধি দল
শেকৃবিতে সরকারি গাড়ির ব্যক্তিগত ব্যবহারের অভিযোগ প্রক্টর ও ট্রেজারারের বিরুদ্ধে
পাবলিক বনাম প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়: শিক্ষা ও গবেষণার মান নিয়ে বিতর্ক কতটুকু যৌক্তিক?
টানা ১৬ দিনের ছুটি শেষে ৭ জুন খুলছে স্কুল-কলেজ
ন্যাচার ইনডেক্স র্যাঙ্কিংয়ে জায়গা পায়নি পাবিপ্রবি
ঈদের ছুটিতে ঘরমুখো পবিপ্রবি: শিক্ষার্থীদের আনন্দ-অনুভূতির গল্প
ঢাকার বিভিন্ন পশুর হাটে চিকিৎসা সেবা দিচ্ছেন গবির ১৮ ভেটেরিনারি শিক্ষার্থী
ঈদ ও গ্রীষ্মকালীন উপলক্ষে ১৬ দিনের ছুটিতে যাচ্ছে পাবিপ্রবি
পোষা প্রাণী পালনে কেন আগ্রহী হচ্ছে নতুন প্রজন্ম?