বাকৃবিতে গ্রামীণ অর্থনীতিতে জৈব বর্জ্যের মূল্যায়ন শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত
বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও পরিবেশগত টেকসই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জৈব প্রযুক্তির ভূমিকা নিয়ে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) ‘গ্রামীণ অর্থনীতিতে জৈব বর্জ্যের মূল্যায়ন’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় বাকৃবির কৃষি অনুষদীয় সম্মেলন কক্ষে ওই সেমিনারের আয়োজন করা হয়।
সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন যুক্তরাজ্যের কুইন্স ইউনিভার্সিটি বেলফাস্টের শিক্ষক ও গবেষক ড. থমাস হেস্টিংস। তিনি বলেন, ‘খাদ্য নিরাপত্তা ও পরিবেশগত টেকসই চ্যালেঞ্জের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশকে বৃহৎ জনসংখ্যার খাদ্য সরবরাহের ক্ষেত্রে যথেষ্ট সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। বাংলাদেশের বৃহৎ জনসংখ্যার খাদ্য চাহিদা পূরণে এবং টেকসই খাদ্য উৎপাদন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে জৈব প্রযুক্তির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষত গ্রামীণ অর্থনীতিতে জৈব বর্জ্যের সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে টেকসই উৎপাদন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।’
তিনি আরও বলেন, এই গবেষণার মাধ্যমে জৈব প্রযুক্তির(সৌর বিদ্যুৎ, বায়ু বিদ্যুৎ) চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলা করে বাংলাদেশের গ্রামীণ অর্থনীতিতে জৈব বর্জ্যের (বায়োগ্যাস) গুরুত্ব মূল্যায়ন করা হবে। এর মাধ্যমে খাদ্য ও কৃষির জৈব বর্জ্য বিকল্প শিল্পে রূপান্তরিত হতে পারবে, যার দীর্ঘমেয়াদি সুবিধা পুনঃব্যবহারযোগ্য অর্থনীতিতে বিশেষ অবদান রাখবে।
এ গবেষণা কার্যক্রমটি কুইন্স ইউনিভার্সিটি বেলফাস্ট ও বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে দুই বছর মেয়াদি একটি প্রকল্প। এতে গবেষণা প্রধান হিসেবে কাজ করবেন কুইন্স ইউনিভার্সিটির সিনিয়র লেকচারার ড. থমাস হেস্টিংস। সহযোগী গবেষক হিসেবে রয়েছেন কুইন্স ইউনিভার্সিটির সিনিয়র লেকচারার ড. পল এন উইলিয়ামস।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাকৃবির কৃষি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. গোলাম রাব্বানী। সভাপতিত্ব করেন বাকৃবির মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. মোহাম্মদ গোলাম কিবরিয়া। এছাড়া বিশেষ অতিথি ছিলেন উচ্চ শিক্ষা ও গবেষণা কমিটির কো-অর্ডিনেটর অধ্যাপক ড. মো. শামছুল আলম। এছাড়াও সেমিনারে বাকৃবির বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
সেমিনারের সূচনা বক্তব্য তুলে ধরেন বাকৃবির মৃত্তিকাবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহমুদ হোসেন সুমন। সেমিনারে বক্তারা জৈব প্রযুক্তির ব্যবহার ও এর টেকসইতা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ ও সুযোগ নিয়ে আলোচনা করেন। তারা বলেন, ‘বাংলাদেশে জৈব প্রযুক্তি ব্যবহারে রাষ্ট্র ও প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্রিয় ভূমিকা থাকা জরুরি। এটি খাদ্য উৎপাদন এবং পুনঃব্যবহারযোগ্য অর্থনীতিতে বিশেষ অবদান রাখতে পারে। গবেষণার মাধ্যমে বায়োগ্যাস উৎপাদন, কম্পোস্টিং ও অন্যান্য প্রক্রিয়ায় জৈব প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে, যা বাংলাদেশের গ্রামীণ শিল্প বিকাশে বিশেষ ভূমিকা রাখবে।
এমএসএম / জামান
পাবলিক বনাম প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়: শিক্ষা ও গবেষণার মান নিয়ে বিতর্ক কতটুকু যৌক্তিক?
টানা ১৬ দিনের ছুটি শেষে ৭ জুন খুলছে স্কুল-কলেজ
ন্যাচার ইনডেক্স র্যাঙ্কিংয়ে জায়গা পায়নি পাবিপ্রবি
ঈদের ছুটিতে ঘরমুখো পবিপ্রবি: শিক্ষার্থীদের আনন্দ-অনুভূতির গল্প
ঢাকার বিভিন্ন পশুর হাটে চিকিৎসা সেবা দিচ্ছেন গবির ১৮ ভেটেরিনারি শিক্ষার্থী
ঈদ ও গ্রীষ্মকালীন উপলক্ষে ১৬ দিনের ছুটিতে যাচ্ছে পাবিপ্রবি
পোষা প্রাণী পালনে কেন আগ্রহী হচ্ছে নতুন প্রজন্ম?
সহকারী অধ্যাপক আমির হোসেন ডিআইইউ'র বর্ষসেরা শিক্ষক নির্বাচিত
পবিপ্রবির উপ-উপাচার্য হেমায়েত জাহানকে ‘অবাঞ্ছিত’ ঘোষনা করে মানববন্ধন
গবির ভেটেরিনারি শিক্ষার্থীদের পপুলার এগ্রো অ্যান্ড ডেইরি ফার্ম পরিদর্শন
টানা ১৫ দিনের ছুটিতে যাচ্ছে পবিপ্রবি
শিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়নে অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন গুরুত্বপূর্ণ -ইবি ভিসি