ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী, ২০২৬

তিস্তা মহাপরিকল্পনা এখনো নীতিনির্ধারনী পর্যায়ে


জামাল বাদশা, লালমনিরহাট photo জামাল বাদশা, লালমনিরহাট
প্রকাশিত: ৩-১০-২০২৪ বিকাল ৬:৫২

তিস্তার বিশেষ কোনো নির্দিষ্ট স্থানে নয়, নিলফামারী থেকে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ পর্যন্ত তিস্তার বাম ও ডান তীরে ভাঙন প্রতিরোধে কাজ করা হবে বলে জানিয়েছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক মুহাম্মদ আমিরুল হক ভুঁইয়া। বৃহস্পতিবার (৩ অক্টোবর) বিকালে লালমনিরহাট সদর উপজেলার তিস্তার ডান তীরে ভাঙনের কবলে পড়া হরিণচওড়া এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান তিনি।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের এই কর্মকর্তা বলেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা এখনো নীতিনির্ধারনী পর্যায়ে আছে। বাংলাদেশ সরকার এটি নিয়ে গবেষণা করেছে। ওই গবেষণার ওপর ভিত্তি করে নদীর দুই তীরের ভাঙন প্রতিরক্ষামূলক কাজ করা হবে, যেন সামগ্রিকভাবে আমরা তিস্তা নদীর ভাঙন ঠেকাতে পারি এবং নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে পারি। এর আগে যে মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের কথা ছিল, সেটির অপেক্ষা না করে আমরা নিজেরাই নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে কাজ করব আর তা যত দ্রুত সম্ভব। এ সময় তিস্তার ভাঙন প্রতিরোধে নানা পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেন তিনি।

লালমনিরহাটের ভাঙনের কবলে পড়া হরিণচওড়া এলাকা পরিদর্শনকালে পানি উন্নয়ন বোর্ড রংপুরের তত্বাবধায়ক সার্কেল-১ ও ২-এর প্রকৌশলী আহসান হাবিব, মিজানুর রহমান, পানি উন্নয়ন বোর্ড লালমনিরহাটের নির্বাহী প্রকৌশলী শুনীল কুমার, খুনিয়াগছ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুল মালেক সরকার, জেলা যুবদলের সভাপতি আনিছুর রহমান আনিছ (ভিপি আনিছ)-সহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও স্থানীয় সচেতন সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি উত্তরাঞ্চলে হওয়া টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে আসা পানিতে তিস্তায় বন্যার সৃষ্টি হয়। এতে প্লাবিত হয় তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চল। গত তিন দিন ধরে বন্যার পানি নেমে যাওয়া শুরু করলে তিস্তার ডান ও বাম তীরের ২০টি পয়েন্টে দেখা দেয় ভয়াবহ ভাঙন। জেলার সদর উপজেলার হরিণচওড়া, রাজপুর, আদিতমারী উপজেলার মহিষখোঁচা, গোবরধন, বাহাদুর পাড়া, হাতীবান্ধা উপজেলার ডাউয়াবাড়িসহ ভাঙনপ্রবণ এসব পয়েন্টে এরই মধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে শতাধিক বসতভিটা, কয়েক হাজার হেক্টর আমনের ক্ষেতসহ ফসলি জমি।

এরমধ্যে শুধুমাত্র হরিণচওড়ায় গত তিন দিনে ২০টি বাড়িঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। অন্যত্র সড়িয়ে নেয়া হয়েছে শতাধিক বসতভিটা। ঝুঁকিতে রয়েছে আরো অন্তত ১৫ হাজার ঘরবাড়ি, ৩০-৪০ হাজার বিঘা আমনের ক্ষত, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসহ স্মৃতিবিজরিত বিভিন্ন স্থাপনা। পানি উন্নয়ন বোর্ড ভাঙন প্রতিরোধে জিওব্যাগ ফেলে ভাঙন ঠেকাতে কাজ করলেও ঠেকানো যাচ্ছে না।

T.A.S / জামান

পাঁচবিবিতে বিএনপির আঞ্চলিক কার্যালয়ের উদ্বোধন

চট্টগ্রামে জঙ্গল সলিমপুরে অভিযান, র‍্যাব কর্মকর্তা নিহত

ময়মনসিংহে গণভোট প্রচারণায় ভোটের গাড়ি

শীতার্তদের মাঝে স্ক্রীন প্রিন্ট ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের শীতবস্ত্র বিতরণ

সুন্দরবন রক্ষায় জার্মান সহযোগিতায় নতুন প্রকল্প

অসহায় রাকিবের পাশে হিউম্যান রাইটস মনপুরা শাখা

শিক্ষকের জাল সনদ! টাঙ্গাইলে শমসের ফকির ডিগ্রি কলেজে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ

এনএসটি ফেলোশিপপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে গোবিপ্রবি উপাচার্যের শুভেচ্ছা বিনিময়

জীবননগরে সেনা হেফাজতে নিহত ডাবলুর পরিবারের সাথে নূর হাকিমের সাক্ষাৎ

পঞ্চগড়ে ওয়াশব্লকের কাজ ফেলে দেড় বছর ধরে লাপাত্তা ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান

কুমিল্লা-৬ আসনে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থী হাজী ইয়াসিন

কুষ্টিয়ায় দেশীয় ও বিদেশি অস্ত্রসহ কুখ্যাত সন্ত্রাসী বোমা মাসুম গ্রেপ্তার

মাদক সেবন ও বহনের দায়ে যুবকের কারাদণ্ড ও জরিমানা